ঢাকা ০২:৪৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়া সিরিজে বাংলাদেশ দলে চমক দেশে এখনও অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলছে: মির্জা ফখরুল মাজারের দিঘির কুমিরকে সরিয়ে নেওয়া হলো খুলনায় নেত্রকোনায় পাওনা দুই হাজার টাকার দ্বন্দ্বে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা সান মারিনো—বিশ্বের প্রাচীনতম প্রজাতন্ত্রের এক অনন্য গল্প মুক্তিযুদ্ধকে অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: ইশরাক হোসেন বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি; কার্যকর জুন থেকেই বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন মার্কিন শুল্ক প্রত্যেকটি নাগরিককে মাথায় রেখে বাজেট দেওয়া হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী শিশু রামিসা হত্যা মামলা: আদালতে অপরাধ স্বীকার সোহেল রানার, যুক্তিতর্ক বৃহস্পতিবার

জ্বালানি সংকটে স্থবির ফিলিপাইন: বন্ধ তিন শতাধিক পেট্রোল পাম্প

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:২১:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬
  • / 100

ছবি: সংগৃহীত

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান যুদ্ধের প্রভাবে ফিলিপাইন জুড়ে তীব্র জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে, যার ফলে দেশটির তিন শতাধিক পেট্রোল স্টেশন বন্ধ হয়ে গেছে।
সরকারি পর্যবেক্ষক দল সোমবার (৩০ মার্চ) জানিয়েছে, সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর প্রচণ্ড চাপের কারণে অনেক স্টেশনে এখন আর কোনো জ্বালানি অবশিষ্ট নেই।

ফিলিপাইন ন্যাশনাল পুলিশের পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদন অনুযায়ী, আজ পর্যন্ত দেশজুড়ে মোট ৩৬৫টি পেট্রোল স্টেশন সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের সংকটের প্রভাব ফিলিপাইনের অভ্যন্তরীণ বাজারে পড়তে শুরু করে, যা বর্তমানে ভয়াবহ রূপ নিয়েছে।
চলমান এই সংকটের ফলে সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস উঠছে এবং যাতায়াত খরচ থেকে শুরু করে নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়েছে। দেশটিতে বর্তমানে জ্বালানি তেলের দাম যুদ্ধপূর্ব পরিস্থিতির তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে।

সরকারি সূত্রগুলো বলছে, মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীলতা এবং সরবরাহকারী দেশগুলো থেকে পর্যাপ্ত তেল না আসায় এই তীব্র অভাব দেখা দিয়েছে। অনেক পাম্প মালিক লোকসান এড়াতে এবং পর্যাপ্ত মজুত না থাকায় সাময়িকভাবে তাদের ব্যবসায়িক কার্যক্রম স্থগিত রাখতে বাধ্য হয়েছেন। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা যাতে তৈরি না হয়, সেজন্য পুলিশ ও প্রশাসন সার্বক্ষণিক নজরদারি চালাচ্ছে।

আরও পড়ুন  বাহরাইনের জ্বালানি ট্যাংকে ইরানের অতর্কিত হামলা

বিশ্লেষকদের মতে, ফিলিপাইনের মতো আমদানিনির্ভর দেশগুলোর জন্য এই যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হওয়া চরম অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের সংকেত। উচ্চমূল্যের কারণে দেশটির পরিবহন খাত ইতিমধ্যেই স্থবির হয়ে পড়ছে এবং অনেক চালক তাদের যানবাহন চালানো বন্ধ করে দিয়েছেন।
সরকার বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানি সংগ্রহের চেষ্টা চালালেও বিশ্বব্যাপী তেলের চড়া দাম ও সরবরাহ ঘাটতির কারণে তা পর্যাপ্ত হচ্ছে না। সংশ্লিষ্টরা আশঙ্কা করছেন, ৩০০-এর বেশি স্টেশন বন্ধ হয়ে যাওয়া কেবল একটি বড় সংকটের শুরু, যা ভবিষ্যতে আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

জ্বালানি সংকটে স্থবির ফিলিপাইন: বন্ধ তিন শতাধিক পেট্রোল পাম্প

আপডেট সময় ০৭:২১:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান যুদ্ধের প্রভাবে ফিলিপাইন জুড়ে তীব্র জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে, যার ফলে দেশটির তিন শতাধিক পেট্রোল স্টেশন বন্ধ হয়ে গেছে।
সরকারি পর্যবেক্ষক দল সোমবার (৩০ মার্চ) জানিয়েছে, সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর প্রচণ্ড চাপের কারণে অনেক স্টেশনে এখন আর কোনো জ্বালানি অবশিষ্ট নেই।

ফিলিপাইন ন্যাশনাল পুলিশের পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদন অনুযায়ী, আজ পর্যন্ত দেশজুড়ে মোট ৩৬৫টি পেট্রোল স্টেশন সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের সংকটের প্রভাব ফিলিপাইনের অভ্যন্তরীণ বাজারে পড়তে শুরু করে, যা বর্তমানে ভয়াবহ রূপ নিয়েছে।
চলমান এই সংকটের ফলে সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস উঠছে এবং যাতায়াত খরচ থেকে শুরু করে নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়েছে। দেশটিতে বর্তমানে জ্বালানি তেলের দাম যুদ্ধপূর্ব পরিস্থিতির তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে।

সরকারি সূত্রগুলো বলছে, মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীলতা এবং সরবরাহকারী দেশগুলো থেকে পর্যাপ্ত তেল না আসায় এই তীব্র অভাব দেখা দিয়েছে। অনেক পাম্প মালিক লোকসান এড়াতে এবং পর্যাপ্ত মজুত না থাকায় সাময়িকভাবে তাদের ব্যবসায়িক কার্যক্রম স্থগিত রাখতে বাধ্য হয়েছেন। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা যাতে তৈরি না হয়, সেজন্য পুলিশ ও প্রশাসন সার্বক্ষণিক নজরদারি চালাচ্ছে।

আরও পড়ুন  জ্বালানি তেলের পাম্পে ইউএনও’র ওপর হামলা; বডিগার্ড আহত

বিশ্লেষকদের মতে, ফিলিপাইনের মতো আমদানিনির্ভর দেশগুলোর জন্য এই যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হওয়া চরম অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের সংকেত। উচ্চমূল্যের কারণে দেশটির পরিবহন খাত ইতিমধ্যেই স্থবির হয়ে পড়ছে এবং অনেক চালক তাদের যানবাহন চালানো বন্ধ করে দিয়েছেন।
সরকার বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানি সংগ্রহের চেষ্টা চালালেও বিশ্বব্যাপী তেলের চড়া দাম ও সরবরাহ ঘাটতির কারণে তা পর্যাপ্ত হচ্ছে না। সংশ্লিষ্টরা আশঙ্কা করছেন, ৩০০-এর বেশি স্টেশন বন্ধ হয়ে যাওয়া কেবল একটি বড় সংকটের শুরু, যা ভবিষ্যতে আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে।