ঢাকা ০২:৪৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আমেরিকানরা যেখানেই থাকুক, আঘাত হানব’: হুঁশিয়ারি ইরান মুখপাত্রের ইব্রাহিম

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:২৬:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬
  • / 152

ছবি সংগৃহীত

 

মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে মার্কিন সেনাদের আবাসস্থল হিসেবে ব্যবহৃত হোটেলগুলোকে সামরিক লক্ষ্যবস্তু হিসেবে গণ্য করা হবে বলে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। শুক্রবার (২৭ মার্চ) ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের বরাতে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর মুখপাত্র আবুলফজল শেখারচি এক বিবৃতিতে বলেন, “যখন কোনো আমেরিকান সেনা একটি হোটেলে প্রবেশ করে, তখন আমাদের সামরিক দৃষ্টিকোণ থেকে সেই হোটেলটি একটি আমেরিকান ঘাঁটিতে পরিণত হয়। আমরা শুধু দাঁড়িয়ে থেকে তাদের আঘাত সহ্য করব না; তারা যেখানেই থাকুক না কেন, আমাদেরও পাল্টা আঘাত হানতে হবে।”

আরও পড়ুন  ইরানে বিমান হামলায় বিপ্লবী গার্ডের গোয়েন্দা প্রধান ও ২ জেনারেল নিহত

এর আগে বৃহস্পতিবার ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি এক ‘এক্স’ (সাবেক টুইটার) পোস্টে গুরুতর অভিযোগ তোলেন। তিনি দাবি করেন, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই মার্কিন সৈন্যরা উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদ (জিসিসি) ভুক্ত দেশগুলোর সামরিক ঘাঁটি থেকে পালিয়ে স্থানীয় হোটেল ও অফিসগুলোতে আশ্রয় নিয়েছে। আরাঘচি একে জিসিসি দেশগুলোর সাধারণ মানুষকে ‘মানব ঢাল’ হিসেবে ব্যবহারের অপচেষ্টা বলে অভিহিত করেন।

একই সাথে তিনি অঞ্চলের হোটেল কর্তৃপক্ষকে আমেরিকান সেনাদের বুকিং প্রত্যাখ্যান করার আহ্বান জানান। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান এই সংঘাতের আবহে মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠার আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আমেরিকানরা যেখানেই থাকুক, আঘাত হানব’: হুঁশিয়ারি ইরান মুখপাত্রের ইব্রাহিম

আপডেট সময় ০৪:২৬:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬

 

মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে মার্কিন সেনাদের আবাসস্থল হিসেবে ব্যবহৃত হোটেলগুলোকে সামরিক লক্ষ্যবস্তু হিসেবে গণ্য করা হবে বলে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। শুক্রবার (২৭ মার্চ) ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের বরাতে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর মুখপাত্র আবুলফজল শেখারচি এক বিবৃতিতে বলেন, “যখন কোনো আমেরিকান সেনা একটি হোটেলে প্রবেশ করে, তখন আমাদের সামরিক দৃষ্টিকোণ থেকে সেই হোটেলটি একটি আমেরিকান ঘাঁটিতে পরিণত হয়। আমরা শুধু দাঁড়িয়ে থেকে তাদের আঘাত সহ্য করব না; তারা যেখানেই থাকুক না কেন, আমাদেরও পাল্টা আঘাত হানতে হবে।”

আরও পড়ুন  শনিবার শীর্ষ বৈঠকে বসবে যুক্তরাষ্ট্র-চীন: বাণিজ্য যুদ্ধ নিরসনে নতুন উদ্যোগ

এর আগে বৃহস্পতিবার ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি এক ‘এক্স’ (সাবেক টুইটার) পোস্টে গুরুতর অভিযোগ তোলেন। তিনি দাবি করেন, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই মার্কিন সৈন্যরা উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদ (জিসিসি) ভুক্ত দেশগুলোর সামরিক ঘাঁটি থেকে পালিয়ে স্থানীয় হোটেল ও অফিসগুলোতে আশ্রয় নিয়েছে। আরাঘচি একে জিসিসি দেশগুলোর সাধারণ মানুষকে ‘মানব ঢাল’ হিসেবে ব্যবহারের অপচেষ্টা বলে অভিহিত করেন।

একই সাথে তিনি অঞ্চলের হোটেল কর্তৃপক্ষকে আমেরিকান সেনাদের বুকিং প্রত্যাখ্যান করার আহ্বান জানান। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান এই সংঘাতের আবহে মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠার আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা।