ঢাকা ০৪:৩০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়া সিরিজে বাংলাদেশ দলে চমক দেশে এখনও অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলছে: মির্জা ফখরুল মাজারের দিঘির কুমিরকে সরিয়ে নেওয়া হলো খুলনায় নেত্রকোনায় পাওনা দুই হাজার টাকার দ্বন্দ্বে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা সান মারিনো—বিশ্বের প্রাচীনতম প্রজাতন্ত্রের এক অনন্য গল্প মুক্তিযুদ্ধকে অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: ইশরাক হোসেন বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি; কার্যকর জুন থেকেই বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন মার্কিন শুল্ক প্রত্যেকটি নাগরিককে মাথায় রেখে বাজেট দেওয়া হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী শিশু রামিসা হত্যা মামলা: আদালতে অপরাধ স্বীকার সোহেল রানার, যুক্তিতর্ক বৃহস্পতিবার

লঞ্চের কেবিনে কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ, দুই অভিযুক্ত গ্রেপ্তার

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:৩৬:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬
  • / 148

ছবি সংগৃহীত

নোয়াখালীর হাতিয়া থেকে ঢাকাগামী একটি যাত্রীবাহী লঞ্চে কেবিনের ভেতরে এক কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি রাজধানীর একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দ্বাদশ শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে ঘিরে। অভিযোগের ভিত্তিতে দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ভুক্তভোগী বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ৮ মার্চ দুপুরে নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার তমুরদ্দিন লঞ্চঘাট থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়া ফারহান–০৪ নামের একটি লঞ্চে ওই শিক্ষার্থীকে ৩২৮ নম্বর কেবিনে তুলে দেন তার বাবা। একই সময়ে ওই লঞ্চে ওঠেন মোহাম্মদ সাকিব উদ্দিন (২৬) ও মোহাম্মদ নুরুজ্জামান মিঠু (৩২) নামে দুই ব্যক্তি।

এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, লঞ্চ ছেড়ে দেওয়ার কিছু সময় পর অভিযুক্তরা কেবিনের দরজায় নক করে নিজেদের ভুক্তভোগীর বাবার পরিচিত বলে দাবি করেন। তারা মোটরসাইকেল কেনার জন্য সঙ্গে থাকা কিছু টাকা নিরাপত্তার জন্য কেবিনে রাখার অনুরোধ করলে সরল বিশ্বাসে শিক্ষার্থীটি তাদের কথা মেনে নেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন  নোয়াখালীতে ছেলেদের বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ হারালেন কৃষক দল নেতা

এজাহারে আরও বলা হয়েছে, পরে অভিযুক্তরা কৌশলে কেবিনে প্রবেশ করে কথাবার্তার একপর্যায়ে শিক্ষার্থীকে অশালীন প্রস্তাব দেয়। এতে তিনি রাজি না হলে তাকে জোরপূর্বক নির্যাতন করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এ সময় অপর অভিযুক্ত তার মোবাইল ফোন নিয়ে কেবিনের বাইরে চলে যায় বলেও এজাহারে উল্লেখ রয়েছে।

পরিবারের দাবি, পরে ওই শিক্ষার্থী চিৎকার করার চেষ্টা করলে তাকে ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়া হয়। অভিযোগে বলা হয়েছে, রাতে আবারও অভিযুক্তরা কেবিনে প্রবেশ করে এবং পুনরায় নির্যাতন চালায়।

ঘটনার পর শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করে ঢাকায় আনা হয়। বর্তমানে তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে পরিবার জানিয়েছে।

এ বিষয়ে কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ্ মো. ফয়সাল আহমেদ জানিয়েছেন, অভিযোগ পাওয়ার পরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে দুই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে। তাদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং আদালতে হাজির করার প্রক্রিয়া চলছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

লঞ্চের কেবিনে কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ, দুই অভিযুক্ত গ্রেপ্তার

আপডেট সময় ০১:৩৬:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

নোয়াখালীর হাতিয়া থেকে ঢাকাগামী একটি যাত্রীবাহী লঞ্চে কেবিনের ভেতরে এক কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি রাজধানীর একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দ্বাদশ শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে ঘিরে। অভিযোগের ভিত্তিতে দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ভুক্তভোগী বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ৮ মার্চ দুপুরে নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার তমুরদ্দিন লঞ্চঘাট থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়া ফারহান–০৪ নামের একটি লঞ্চে ওই শিক্ষার্থীকে ৩২৮ নম্বর কেবিনে তুলে দেন তার বাবা। একই সময়ে ওই লঞ্চে ওঠেন মোহাম্মদ সাকিব উদ্দিন (২৬) ও মোহাম্মদ নুরুজ্জামান মিঠু (৩২) নামে দুই ব্যক্তি।

এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, লঞ্চ ছেড়ে দেওয়ার কিছু সময় পর অভিযুক্তরা কেবিনের দরজায় নক করে নিজেদের ভুক্তভোগীর বাবার পরিচিত বলে দাবি করেন। তারা মোটরসাইকেল কেনার জন্য সঙ্গে থাকা কিছু টাকা নিরাপত্তার জন্য কেবিনে রাখার অনুরোধ করলে সরল বিশ্বাসে শিক্ষার্থীটি তাদের কথা মেনে নেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন  ঈদে নানাবাড়ি বেড়াতে গিয়ে পুকুরে ডুবে দুই ভাই-বোনের মর্মান্তিক মৃত্যু

এজাহারে আরও বলা হয়েছে, পরে অভিযুক্তরা কৌশলে কেবিনে প্রবেশ করে কথাবার্তার একপর্যায়ে শিক্ষার্থীকে অশালীন প্রস্তাব দেয়। এতে তিনি রাজি না হলে তাকে জোরপূর্বক নির্যাতন করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এ সময় অপর অভিযুক্ত তার মোবাইল ফোন নিয়ে কেবিনের বাইরে চলে যায় বলেও এজাহারে উল্লেখ রয়েছে।

পরিবারের দাবি, পরে ওই শিক্ষার্থী চিৎকার করার চেষ্টা করলে তাকে ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়া হয়। অভিযোগে বলা হয়েছে, রাতে আবারও অভিযুক্তরা কেবিনে প্রবেশ করে এবং পুনরায় নির্যাতন চালায়।

ঘটনার পর শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করে ঢাকায় আনা হয়। বর্তমানে তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে পরিবার জানিয়েছে।

এ বিষয়ে কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ্ মো. ফয়সাল আহমেদ জানিয়েছেন, অভিযোগ পাওয়ার পরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে দুই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে। তাদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং আদালতে হাজির করার প্রক্রিয়া চলছে।