ঢাকা ০১:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন তারেক রহমান মেসিকে ছাড়াই দেশে টিম আর্জেন্টিনা, লাল গালিচায় উষ্ণ অভ্যর্থনা সাতক্ষীরায় শিশুর মরদেহ আলমারি থেকে উদ্ধার, গণপিটুনিতে নিহত অভিযুক্ত নারী ইরানে টানা মার্কিন হামলার দশম দিন, পাল্টা হামলা কুয়েতে দাবি ইরানের ১৯ জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত ‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা

টাকা ছাড়াও যা লাগবে তেল কিনতে: অপচয় ও মজুত ঠেকাতে বিপিসির নতুন নির্দেশনা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:২১:৪৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬
  • / 182

ছবি: সংগৃহীত

 

মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত ও বৈশ্বিক অস্থিরতার প্রভাব পড়েছে দেশের জ্বালানি তেলের বাজারে। এই পরিস্থিতিতে তেলের অপচয় ও অবৈধ মজুত ঠেকাতে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি)। এখন থেকে ফিলিং স্টেশন থেকে জ্বালানি তেল কিনতে হলে টাকা দেওয়ার পাশাপাশি আগের ক্রয়ের রসিদ দেখাতে হবে।

শুক্রবার দেওয়া নির্দেশনায় বিপিসি জানায়, গ্রাহক আগেরবার কতটুকু তেল কিনেছেন এবং কতদিন পর আবার তেল নিতে এসেছেন—তার প্রমাণ হিসেবে আগের রসিদ দেখাতে হবে। রসিদ ছাড়া নতুন করে তেল দেওয়া হবে না।

আরও পড়ুন  হরমুজ প্রণালীর কাছে মাল্টার পতাকাবাহী তেল ট্যাংকারে ইরানের হামলা

নতুন নিয়ম অনুযায়ী যানবাহনভেদে দৈনিক তেল নেওয়ার নির্দিষ্ট সীমাও নির্ধারণ করা হয়েছে। ব্যক্তিগত মোটরসাইকেলে দিনে সর্বোচ্চ ২ লিটার পেট্রল বা অকটেন এবং ব্যক্তিগত গাড়িতে দিনে ১০ লিটার পর্যন্ত তেল নেওয়া যাবে।

এ ছাড়া স্পোর্টস ইউটিলিটি ভেহিকেল (এসইউভি) ও মাইক্রোবাস প্রতিদিন সর্বোচ্চ ২০ থেকে ২৫ লিটার তেল পাবে। পিকআপ বা স্থানীয় বাস দৈনিক ৭০ থেকে ৮০ লিটার ডিজেল নিতে পারবে। দূরপাল্লার বাস, ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান বা কনটেইনার ট্রাকের ক্ষেত্রে দৈনিক সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ২০০ থেকে ২২০ লিটার।

বিপিসি জানিয়েছে, দেশের মোট জ্বালানি তেলের প্রায় ৯৫ শতাংশই বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। বৈশ্বিক সংঘাতের কারণে সরবরাহে বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তেলের সংকট নিয়ে নানা নেতিবাচক খবর ছড়িয়ে পড়ায় কিছু মানুষ প্রয়োজনের অতিরিক্ত তেল কিনে মজুত করার চেষ্টা করছেন।

এই আতঙ্কিত কেনাকাটা বা ‘প্যানিক বায়িং’ ঠেকাতেই রসিদ দেখানো বাধ্যতামূলক করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

বিপিসি আরও জানিয়েছে, ফিলিং স্টেশনগুলোকে তেলের ধরন, পরিমাণ ও দাম উল্লেখ করে গ্রাহকদের রসিদ দিতে হবে। একই সঙ্গে ডিলারদের ডিপো থেকে তেল সংগ্রহের সময় আগের দিনের বিক্রয় ও মজুতের তথ্য জমা দিতে হবে। তথ্যের গরমিল থাকলে বা বরাদ্দের অতিরিক্ত তেল কোনোভাবেই দেওয়া হবে না।

বর্তমানে রেল ওয়াগন ও ট্যাংকারের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন ডিপোতে নিয়মিত তেল সরবরাহ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে বিপিসি। শিগগিরই পর্যাপ্ত ‘বাফার স্টক’ গড়ে উঠবে বলেও আশ্বাস দিয়েছে সংস্থাটি।

নতুন এই নির্দেশনা আগামী রোববার থেকে সারা দেশে কার্যকর হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

টাকা ছাড়াও যা লাগবে তেল কিনতে: অপচয় ও মজুত ঠেকাতে বিপিসির নতুন নির্দেশনা

আপডেট সময় ১০:২১:৪৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬

 

মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত ও বৈশ্বিক অস্থিরতার প্রভাব পড়েছে দেশের জ্বালানি তেলের বাজারে। এই পরিস্থিতিতে তেলের অপচয় ও অবৈধ মজুত ঠেকাতে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি)। এখন থেকে ফিলিং স্টেশন থেকে জ্বালানি তেল কিনতে হলে টাকা দেওয়ার পাশাপাশি আগের ক্রয়ের রসিদ দেখাতে হবে।

শুক্রবার দেওয়া নির্দেশনায় বিপিসি জানায়, গ্রাহক আগেরবার কতটুকু তেল কিনেছেন এবং কতদিন পর আবার তেল নিতে এসেছেন—তার প্রমাণ হিসেবে আগের রসিদ দেখাতে হবে। রসিদ ছাড়া নতুন করে তেল দেওয়া হবে না।

আরও পড়ুন  অকটেনের বদলে পেট্রল ব্যবহার করছেন? নিজের অজান্তেই ইঞ্জিনের বারোটা বাজাচ্ছেন না তো!

নতুন নিয়ম অনুযায়ী যানবাহনভেদে দৈনিক তেল নেওয়ার নির্দিষ্ট সীমাও নির্ধারণ করা হয়েছে। ব্যক্তিগত মোটরসাইকেলে দিনে সর্বোচ্চ ২ লিটার পেট্রল বা অকটেন এবং ব্যক্তিগত গাড়িতে দিনে ১০ লিটার পর্যন্ত তেল নেওয়া যাবে।

এ ছাড়া স্পোর্টস ইউটিলিটি ভেহিকেল (এসইউভি) ও মাইক্রোবাস প্রতিদিন সর্বোচ্চ ২০ থেকে ২৫ লিটার তেল পাবে। পিকআপ বা স্থানীয় বাস দৈনিক ৭০ থেকে ৮০ লিটার ডিজেল নিতে পারবে। দূরপাল্লার বাস, ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান বা কনটেইনার ট্রাকের ক্ষেত্রে দৈনিক সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ২০০ থেকে ২২০ লিটার।

বিপিসি জানিয়েছে, দেশের মোট জ্বালানি তেলের প্রায় ৯৫ শতাংশই বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। বৈশ্বিক সংঘাতের কারণে সরবরাহে বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তেলের সংকট নিয়ে নানা নেতিবাচক খবর ছড়িয়ে পড়ায় কিছু মানুষ প্রয়োজনের অতিরিক্ত তেল কিনে মজুত করার চেষ্টা করছেন।

এই আতঙ্কিত কেনাকাটা বা ‘প্যানিক বায়িং’ ঠেকাতেই রসিদ দেখানো বাধ্যতামূলক করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

বিপিসি আরও জানিয়েছে, ফিলিং স্টেশনগুলোকে তেলের ধরন, পরিমাণ ও দাম উল্লেখ করে গ্রাহকদের রসিদ দিতে হবে। একই সঙ্গে ডিলারদের ডিপো থেকে তেল সংগ্রহের সময় আগের দিনের বিক্রয় ও মজুতের তথ্য জমা দিতে হবে। তথ্যের গরমিল থাকলে বা বরাদ্দের অতিরিক্ত তেল কোনোভাবেই দেওয়া হবে না।

বর্তমানে রেল ওয়াগন ও ট্যাংকারের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন ডিপোতে নিয়মিত তেল সরবরাহ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে বিপিসি। শিগগিরই পর্যাপ্ত ‘বাফার স্টক’ গড়ে উঠবে বলেও আশ্বাস দিয়েছে সংস্থাটি।

নতুন এই নির্দেশনা আগামী রোববার থেকে সারা দেশে কার্যকর হবে।