ঢাকা ০১:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ২৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ঐতিহাসিক বদর দিবস আজ দুই ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর স্বাভাবিক পাটুরিয়া–দৌলতদিয়া ফেরি চলাচল ফোনে পরিচয়, দেখা করতে গিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার চার সন্তানের জননী, গ্রেপ্তার ১ রাজধানীর সায়েন্স ল্যাবে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা, ট্রাকের চাপায় বাবা-মেয়ের মৃত্যু হরমুজ প্রণালি বন্ধ নয়, শুধু টার্গেটে পরিণত হবে মার্কিন-ইসরায়েলি জাহাজ ইরান যুদ্ধ নিয়ে বিবৃতি দিলেন পুতিন আজ তারেক রহমানের ২০তম কারাবন্দী দিবস। কূটনীতিকদের সম্মানে ইফতার, বৈশ্বিক সহযোগিতার ওপর জোর প্রধানমন্ত্রীর টাকা ছাড়াও যা লাগবে তেল কিনতে: অপচয় ও মজুত ঠেকাতে বিপিসির নতুন নির্দেশনা আন্তর্জাতিক চুক্তি নিয়ে জামায়েতের সঙ্গে কোনো আলোচনা করেনি অন্তর্বর্তী সরকার: জামায়াত আমীর

টাকা ছাড়াও যা লাগবে তেল কিনতে: অপচয় ও মজুত ঠেকাতে বিপিসির নতুন নির্দেশনা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:২১:৪৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬
  • / 32

ছবি: সংগৃহীত

 

মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত ও বৈশ্বিক অস্থিরতার প্রভাব পড়েছে দেশের জ্বালানি তেলের বাজারে। এই পরিস্থিতিতে তেলের অপচয় ও অবৈধ মজুত ঠেকাতে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি)। এখন থেকে ফিলিং স্টেশন থেকে জ্বালানি তেল কিনতে হলে টাকা দেওয়ার পাশাপাশি আগের ক্রয়ের রসিদ দেখাতে হবে।

শুক্রবার দেওয়া নির্দেশনায় বিপিসি জানায়, গ্রাহক আগেরবার কতটুকু তেল কিনেছেন এবং কতদিন পর আবার তেল নিতে এসেছেন—তার প্রমাণ হিসেবে আগের রসিদ দেখাতে হবে। রসিদ ছাড়া নতুন করে তেল দেওয়া হবে না।

আরও পড়ুন  কানাডার তেলের দিকে ঝুঁকছে চীন

নতুন নিয়ম অনুযায়ী যানবাহনভেদে দৈনিক তেল নেওয়ার নির্দিষ্ট সীমাও নির্ধারণ করা হয়েছে। ব্যক্তিগত মোটরসাইকেলে দিনে সর্বোচ্চ ২ লিটার পেট্রল বা অকটেন এবং ব্যক্তিগত গাড়িতে দিনে ১০ লিটার পর্যন্ত তেল নেওয়া যাবে।

এ ছাড়া স্পোর্টস ইউটিলিটি ভেহিকেল (এসইউভি) ও মাইক্রোবাস প্রতিদিন সর্বোচ্চ ২০ থেকে ২৫ লিটার তেল পাবে। পিকআপ বা স্থানীয় বাস দৈনিক ৭০ থেকে ৮০ লিটার ডিজেল নিতে পারবে। দূরপাল্লার বাস, ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান বা কনটেইনার ট্রাকের ক্ষেত্রে দৈনিক সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ২০০ থেকে ২২০ লিটার।

বিপিসি জানিয়েছে, দেশের মোট জ্বালানি তেলের প্রায় ৯৫ শতাংশই বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। বৈশ্বিক সংঘাতের কারণে সরবরাহে বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তেলের সংকট নিয়ে নানা নেতিবাচক খবর ছড়িয়ে পড়ায় কিছু মানুষ প্রয়োজনের অতিরিক্ত তেল কিনে মজুত করার চেষ্টা করছেন।

এই আতঙ্কিত কেনাকাটা বা ‘প্যানিক বায়িং’ ঠেকাতেই রসিদ দেখানো বাধ্যতামূলক করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

বিপিসি আরও জানিয়েছে, ফিলিং স্টেশনগুলোকে তেলের ধরন, পরিমাণ ও দাম উল্লেখ করে গ্রাহকদের রসিদ দিতে হবে। একই সঙ্গে ডিলারদের ডিপো থেকে তেল সংগ্রহের সময় আগের দিনের বিক্রয় ও মজুতের তথ্য জমা দিতে হবে। তথ্যের গরমিল থাকলে বা বরাদ্দের অতিরিক্ত তেল কোনোভাবেই দেওয়া হবে না।

বর্তমানে রেল ওয়াগন ও ট্যাংকারের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন ডিপোতে নিয়মিত তেল সরবরাহ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে বিপিসি। শিগগিরই পর্যাপ্ত ‘বাফার স্টক’ গড়ে উঠবে বলেও আশ্বাস দিয়েছে সংস্থাটি।

নতুন এই নির্দেশনা আগামী রোববার থেকে সারা দেশে কার্যকর হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

টাকা ছাড়াও যা লাগবে তেল কিনতে: অপচয় ও মজুত ঠেকাতে বিপিসির নতুন নির্দেশনা

আপডেট সময় ১০:২১:৪৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬

 

মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত ও বৈশ্বিক অস্থিরতার প্রভাব পড়েছে দেশের জ্বালানি তেলের বাজারে। এই পরিস্থিতিতে তেলের অপচয় ও অবৈধ মজুত ঠেকাতে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি)। এখন থেকে ফিলিং স্টেশন থেকে জ্বালানি তেল কিনতে হলে টাকা দেওয়ার পাশাপাশি আগের ক্রয়ের রসিদ দেখাতে হবে।

শুক্রবার দেওয়া নির্দেশনায় বিপিসি জানায়, গ্রাহক আগেরবার কতটুকু তেল কিনেছেন এবং কতদিন পর আবার তেল নিতে এসেছেন—তার প্রমাণ হিসেবে আগের রসিদ দেখাতে হবে। রসিদ ছাড়া নতুন করে তেল দেওয়া হবে না।

আরও পড়ুন  তেল বাজারে ধস: ব্যারেলপ্রতি ৬০ ডলারের নিচে নেমেছে যুক্তরাষ্ট্রের তেলের দাম

নতুন নিয়ম অনুযায়ী যানবাহনভেদে দৈনিক তেল নেওয়ার নির্দিষ্ট সীমাও নির্ধারণ করা হয়েছে। ব্যক্তিগত মোটরসাইকেলে দিনে সর্বোচ্চ ২ লিটার পেট্রল বা অকটেন এবং ব্যক্তিগত গাড়িতে দিনে ১০ লিটার পর্যন্ত তেল নেওয়া যাবে।

এ ছাড়া স্পোর্টস ইউটিলিটি ভেহিকেল (এসইউভি) ও মাইক্রোবাস প্রতিদিন সর্বোচ্চ ২০ থেকে ২৫ লিটার তেল পাবে। পিকআপ বা স্থানীয় বাস দৈনিক ৭০ থেকে ৮০ লিটার ডিজেল নিতে পারবে। দূরপাল্লার বাস, ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান বা কনটেইনার ট্রাকের ক্ষেত্রে দৈনিক সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ২০০ থেকে ২২০ লিটার।

বিপিসি জানিয়েছে, দেশের মোট জ্বালানি তেলের প্রায় ৯৫ শতাংশই বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। বৈশ্বিক সংঘাতের কারণে সরবরাহে বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তেলের সংকট নিয়ে নানা নেতিবাচক খবর ছড়িয়ে পড়ায় কিছু মানুষ প্রয়োজনের অতিরিক্ত তেল কিনে মজুত করার চেষ্টা করছেন।

এই আতঙ্কিত কেনাকাটা বা ‘প্যানিক বায়িং’ ঠেকাতেই রসিদ দেখানো বাধ্যতামূলক করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

বিপিসি আরও জানিয়েছে, ফিলিং স্টেশনগুলোকে তেলের ধরন, পরিমাণ ও দাম উল্লেখ করে গ্রাহকদের রসিদ দিতে হবে। একই সঙ্গে ডিলারদের ডিপো থেকে তেল সংগ্রহের সময় আগের দিনের বিক্রয় ও মজুতের তথ্য জমা দিতে হবে। তথ্যের গরমিল থাকলে বা বরাদ্দের অতিরিক্ত তেল কোনোভাবেই দেওয়া হবে না।

বর্তমানে রেল ওয়াগন ও ট্যাংকারের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন ডিপোতে নিয়মিত তেল সরবরাহ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে বিপিসি। শিগগিরই পর্যাপ্ত ‘বাফার স্টক’ গড়ে উঠবে বলেও আশ্বাস দিয়েছে সংস্থাটি।

নতুন এই নির্দেশনা আগামী রোববার থেকে সারা দেশে কার্যকর হবে।