ঢাকা ০৬:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
যাত্রাবাড়ীতে তরুণীর অভিযোগে ধরা পড়ল সিরিয়াল প্রতারক আলবেনিয়া—ইউরোপের লুকানো সৌন্দর্য ও ইতিহাসের দেশ বর্তমানে মুক্তিযোদ্ধা পৌনে ২ লাখের বেশি, বাড়ানো হচ্ছে না ভাতা ৫ লাখ পদে নিয়োগ ও পেপাল চালুর উদ্যোগ: সংসদে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রান্নাঘরে জমে থাকা গ্যাস বিস্ফোরণে বাবা-ছেলে দগ্ধ নারীদের সুরক্ষায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বিশেষ সেল গঠন ও আইন সংশোধনের ঘোষণা ময়মনসিংহে মাত্র ১০ টাকার বিরোধে চাচিকে ছুরিকাঘাতে হত্যা: ঘাতক ভাতিজা গ্রেপ্তার আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য জাপানের সেরা বিভিন্ন স্কলারশিপ নীলফামারীতে ট্রাকচাপায় দুই ভাই নিহত: আহত মা-সহ ৩ জন রাজধানীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস দুর্ঘটনা

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আর নেই, ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৯:২৮:৩৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬
  • / 89

ছবি: সংগৃহীত

 

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ অভিযানে সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে ফার্স নিউজ এজেন্সি। রোববার (১ মার্চ) স্থানীয় সময় সকালে ইরানের রাষ্ট্র্রীয় সংবাদমাধ্যমে এ খবর প্রচার করা হয়।

সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যুতে ইরানে রোববার (১ মার্চ) থেকে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইরান ইন্টারন্যাশনাল।

আরও পড়ুন  ইরানের হামলায় ইসরায়েলের অহংকার চূর্ণ: হামাস নেতা রিশেক

এর আগে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প লিখেছেন, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি, ইতিহাসের অন্যতম নিকৃষ্ট একজন ব্যক্তি, ‘মারা গেছেন’।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প পোস্টে আরও লিখেছেন, ‘ইতিহাসের অন্যতম নিকৃষ্ট ব্যক্তি খামেনি মারা গেছেন। খামেনি ও তার রক্তপিপাসু বাহিনীর হাতে নিহত বা ‘মিউটিলেটেড’ অসংখ্য আমেরিকান এবং বিশ্ববাসীর জন্য আজ সুবিচার প্রতিষ্ঠিত হলো।’

 

পোস্টে তিনি আরও বলেন, মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা এবং অত্যাধুনিক ট্র্যাকিং সিস্টেমের নজর এড়াতে পারেননি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সমন্বয়ে পরিচালিত এই অভিযানে খামেনি এবং তার সঙ্গে থাকা অন্যান্য শীর্ষ নেতারা পালানোর কোনো সুযোগ পাননি। ইরানি জনগণের জন্য এখন তাদের দেশ ফিরে পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

এছাড়াও পোস্টে ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের রেভোল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি), সেনাবাহিনী এবং পুলিশ বাহিনীর অনেক সদস্যই আর যুদ্ধ করতে চাচ্ছেন না। বরং তারা আমেরিকার কাছে দায়মুক্তির জন্য প্রার্থনা করছেন।

তিনি বলেন, ‘আমি গত রাতেই বলেছিলাম, এখন চাইলে তারা ইমিউনিটি পাবে, কিন্তু দেরি করলে কপালে নির্ঘাত মৃত্যু আছে’

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বরাত দিয়ে ব্রিটিশ সংবাদ সংস্থা রয়টার্স, সিএনএন এবং বিবিসি নিউজ একই সঙ্গে দাবি করছে যে মার্কিন-ইসরায়েলি যৌথ হামলায় নিহত হয়েছেন।

এদিকে, সংবাদমাধ্যম ইরান ইন্টারন্যাশনাল দাবি করছে, বেঁচে নেই খামেনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আর নেই, ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক

আপডেট সময় ০৯:২৮:৩৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬

 

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ অভিযানে সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে ফার্স নিউজ এজেন্সি। রোববার (১ মার্চ) স্থানীয় সময় সকালে ইরানের রাষ্ট্র্রীয় সংবাদমাধ্যমে এ খবর প্রচার করা হয়।

সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যুতে ইরানে রোববার (১ মার্চ) থেকে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইরান ইন্টারন্যাশনাল।

আরও পড়ুন  যুদ্ধের আশঙ্কায় রপ্তানি বাড়িয়ে তেলের মজুদ খালি করছে ইরান।

এর আগে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প লিখেছেন, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি, ইতিহাসের অন্যতম নিকৃষ্ট একজন ব্যক্তি, ‘মারা গেছেন’।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প পোস্টে আরও লিখেছেন, ‘ইতিহাসের অন্যতম নিকৃষ্ট ব্যক্তি খামেনি মারা গেছেন। খামেনি ও তার রক্তপিপাসু বাহিনীর হাতে নিহত বা ‘মিউটিলেটেড’ অসংখ্য আমেরিকান এবং বিশ্ববাসীর জন্য আজ সুবিচার প্রতিষ্ঠিত হলো।’

 

পোস্টে তিনি আরও বলেন, মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা এবং অত্যাধুনিক ট্র্যাকিং সিস্টেমের নজর এড়াতে পারেননি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সমন্বয়ে পরিচালিত এই অভিযানে খামেনি এবং তার সঙ্গে থাকা অন্যান্য শীর্ষ নেতারা পালানোর কোনো সুযোগ পাননি। ইরানি জনগণের জন্য এখন তাদের দেশ ফিরে পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

এছাড়াও পোস্টে ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের রেভোল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি), সেনাবাহিনী এবং পুলিশ বাহিনীর অনেক সদস্যই আর যুদ্ধ করতে চাচ্ছেন না। বরং তারা আমেরিকার কাছে দায়মুক্তির জন্য প্রার্থনা করছেন।

তিনি বলেন, ‘আমি গত রাতেই বলেছিলাম, এখন চাইলে তারা ইমিউনিটি পাবে, কিন্তু দেরি করলে কপালে নির্ঘাত মৃত্যু আছে’

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বরাত দিয়ে ব্রিটিশ সংবাদ সংস্থা রয়টার্স, সিএনএন এবং বিবিসি নিউজ একই সঙ্গে দাবি করছে যে মার্কিন-ইসরায়েলি যৌথ হামলায় নিহত হয়েছেন।

এদিকে, সংবাদমাধ্যম ইরান ইন্টারন্যাশনাল দাবি করছে, বেঁচে নেই খামেনি।