ঢাকা ০৪:১৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়া সিরিজে বাংলাদেশ দলে চমক দেশে এখনও অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলছে: মির্জা ফখরুল মাজারের দিঘির কুমিরকে সরিয়ে নেওয়া হলো খুলনায় নেত্রকোনায় পাওনা দুই হাজার টাকার দ্বন্দ্বে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা সান মারিনো—বিশ্বের প্রাচীনতম প্রজাতন্ত্রের এক অনন্য গল্প মুক্তিযুদ্ধকে অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: ইশরাক হোসেন বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি; কার্যকর জুন থেকেই বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন মার্কিন শুল্ক প্রত্যেকটি নাগরিককে মাথায় রেখে বাজেট দেওয়া হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী শিশু রামিসা হত্যা মামলা: আদালতে অপরাধ স্বীকার সোহেল রানার, যুক্তিতর্ক বৃহস্পতিবার

পক্ষপাতিত্বে শূন্য সহনশীলতা, প্রমাণ মিললে কঠোর ব্যবস্থা: ইসি সানাউল্লাহ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:৪৫:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 568

ছবি: সংগৃহীত

 

নির্বাচনী কাজে যুক্ত কারও বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ প্রমাণিত হলে তার পরিণতি হবে অত্যন্ত কঠোর—এমন হুঁশিয়ারি দিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তিনি বলেন, নিরপেক্ষতার প্রশ্নে নির্বাচন কমিশন একচুলও ছাড় দেবে না।

মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুরে ফেনী জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, ভিজিলেন্স ও অবজারভেশন টিমের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

আরও পড়ুন  বিএনপি প্রার্থীকে সমর্থন দিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন নুর

ইসি সানাউল্লাহ বলেন, অতীতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ভাবমূর্তি সংকটে পড়েছে মূলত নিরপেক্ষতা ও স্বচ্ছতার অভাবে। সে অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে এবার নির্বাচন কমিশন সামান্যতম পক্ষপাতিত্বও মেনে নেবে না। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, নির্বাচন কমিশন বা সরকারের পক্ষ থেকে কোনো পক্ষপাতদুষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হবে না। এরপরও কেউ ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দের কারণে নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে ব্যর্থ হলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নির্বাচনের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, এবারের নির্বাচন শুধু একটি রাজনৈতিক প্রক্রিয়া নয়; এর সঙ্গে দেশের অভ্যন্তরীণ ভাবমূর্তির পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও বাংলাদেশের গ্রহণযোগ্যতা জড়িত। দীর্ঘ সময় পর এটি একটি অর্থবহ ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন হতে যাচ্ছে।

ইসি জানান, এবার প্রথমবারের মতো পোস্টাল ব্যালট কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের চেষ্টা করা হচ্ছে। তথ্যপ্রযুক্তির ব্যাপক ব্যবহার নিয়েও এটি একটি নতুন অভিজ্ঞতা। ২০০৮ সালের নির্বাচনেও প্রযুক্তির এমন বিস্তৃত প্রয়োগ ছিল না বলে তিনি উল্লেখ করেন।
ফেনী জেলার সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, মাঠ পর্যায়ে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মধ্যে সমন্বয় এখন পর্যন্ত ভালো রয়েছে। অতীতের তুলনায় আচরণবিধি মানার প্রবণতা বেড়েছে, যা সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনকে সহজ করছে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উদ্দেশে তিনি বলেন, ভোটাররা যেন নির্বিঘ্ন ও ভয়মুক্ত পরিবেশে ভোট দিতে পারেন, সেটাই সবার মূল দায়িত্ব। একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের পূর্বশর্ত হলো শক্তিশালী আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থা। এজন্য সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

ফেনী জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মনিরা হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় পুলিশ সুপার মো. শফিকুল ইসলাম, ফেনী ব্যাটালিয়ন (৪ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন, সেনাবাহিনীর প্রতিনিধি, ছয় উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

পক্ষপাতিত্বে শূন্য সহনশীলতা, প্রমাণ মিললে কঠোর ব্যবস্থা: ইসি সানাউল্লাহ

আপডেট সময় ১১:৪৫:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬

 

নির্বাচনী কাজে যুক্ত কারও বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ প্রমাণিত হলে তার পরিণতি হবে অত্যন্ত কঠোর—এমন হুঁশিয়ারি দিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তিনি বলেন, নিরপেক্ষতার প্রশ্নে নির্বাচন কমিশন একচুলও ছাড় দেবে না।

মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুরে ফেনী জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, ভিজিলেন্স ও অবজারভেশন টিমের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

আরও পড়ুন  বিএনপি প্রার্থীকে সমর্থন দিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন নুর

ইসি সানাউল্লাহ বলেন, অতীতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ভাবমূর্তি সংকটে পড়েছে মূলত নিরপেক্ষতা ও স্বচ্ছতার অভাবে। সে অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে এবার নির্বাচন কমিশন সামান্যতম পক্ষপাতিত্বও মেনে নেবে না। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, নির্বাচন কমিশন বা সরকারের পক্ষ থেকে কোনো পক্ষপাতদুষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হবে না। এরপরও কেউ ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দের কারণে নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে ব্যর্থ হলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নির্বাচনের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, এবারের নির্বাচন শুধু একটি রাজনৈতিক প্রক্রিয়া নয়; এর সঙ্গে দেশের অভ্যন্তরীণ ভাবমূর্তির পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও বাংলাদেশের গ্রহণযোগ্যতা জড়িত। দীর্ঘ সময় পর এটি একটি অর্থবহ ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন হতে যাচ্ছে।

ইসি জানান, এবার প্রথমবারের মতো পোস্টাল ব্যালট কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের চেষ্টা করা হচ্ছে। তথ্যপ্রযুক্তির ব্যাপক ব্যবহার নিয়েও এটি একটি নতুন অভিজ্ঞতা। ২০০৮ সালের নির্বাচনেও প্রযুক্তির এমন বিস্তৃত প্রয়োগ ছিল না বলে তিনি উল্লেখ করেন।
ফেনী জেলার সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, মাঠ পর্যায়ে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মধ্যে সমন্বয় এখন পর্যন্ত ভালো রয়েছে। অতীতের তুলনায় আচরণবিধি মানার প্রবণতা বেড়েছে, যা সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনকে সহজ করছে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উদ্দেশে তিনি বলেন, ভোটাররা যেন নির্বিঘ্ন ও ভয়মুক্ত পরিবেশে ভোট দিতে পারেন, সেটাই সবার মূল দায়িত্ব। একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের পূর্বশর্ত হলো শক্তিশালী আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থা। এজন্য সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

ফেনী জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মনিরা হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় পুলিশ সুপার মো. শফিকুল ইসলাম, ফেনী ব্যাটালিয়ন (৪ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন, সেনাবাহিনীর প্রতিনিধি, ছয় উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।