ঢাকা ১১:৪৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন তারেক রহমান মেসিকে ছাড়াই দেশে টিম আর্জেন্টিনা, লাল গালিচায় উষ্ণ অভ্যর্থনা সাতক্ষীরায় শিশুর মরদেহ আলমারি থেকে উদ্ধার, গণপিটুনিতে নিহত অভিযুক্ত নারী ইরানে টানা মার্কিন হামলার দশম দিন, পাল্টা হামলা কুয়েতে দাবি ইরানের ১৯ জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত ‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ

ইসরায়েলি হামলার শিকার: গাজার ২৭০০ পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:৩৫:৩০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 766

ছবি সংগৃহীত

 

 

গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বাহিনীর লাগাতার ভয়াবহ হামলায় এখন পর্যন্ত ২ হাজার ৭০০-এরও বেশি পরিবার সম্পূর্ণরূপে নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে—যাদের একজন সদস্যও জীবিত নেই। শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) গাজার সরকারি মিডিয়া অফিস এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানায় এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নীরবতার তীব্র সমালোচনা করে।

আরও পড়ুন  ইসরায়েলি বাহিনীর গাজা ডিভিশন কমান্ডার পদত্যাগ করলেন

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ইসরায়েলি হামলায় গাজায় অবকাঠামোগত ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬ হাজার ৮০০ কোটি ডলার। ধ্বংস হয়েছে ৩৮টি হাসপাতাল, ৮৩৩টি মসজিদ এবং দেড় শতাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

আল জাজিরার প্রতিবেদনে জানানো হয়, সর্বশেষ এক হামলায় অন্তত ৬৭ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে ৪৫ জন গাজা শহরের বাসিন্দা। শহরটি দখল করতে এবং বাসিন্দাদের দক্ষিণে সরিয়ে নিতে ইসরায়েলি সেনারা অভিযান চালাচ্ছে।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ৬৪ হাজার ৩৬৮ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ১ লাখ ৬২ হাজার ৩৬৭ জন। নিহতদের মধ্যে ২০ হাজারেরও বেশি শিশু রয়েছে।

এছাড়া গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইসরায়েলি অবরোধে সৃষ্ট দুর্ভিক্ষে গত দুই বছরে ৩৮২ জন প্রাণ হারিয়েছেন। তাদের মধ্যে ১৩৫ জনই শিশু।

এদিকে গাজা সিটিতে একের পর এক আবাসিক টাওয়ার ধ্বংস করছে ইসরায়েলি বাহিনী। মুশতাহা টাওয়ার ধ্বংসের পর শনিবার (৭ সেপ্টেম্বর) আল-সুসি আবাসিক টাওয়ারও উড়িয়ে দেওয়া হয়। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়াভ গালান্ট কাটজ সামাজিক মাধ্যমে ওই ধ্বংসযজ্ঞের ভিডিও প্রকাশ করে আরও হামলার হুঁশিয়ারি দেন। যদিও ইসরায়েল দাবি করছে এসব ভবন হামাসের নজরদারির কাজে ব্যবহার হতো, এর পক্ষে কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেনি।

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ওয়াশিংটন হামাসের সঙ্গে গঠনমূলক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে তিনি সতর্ক করেছেন, জিম্মিদের মুক্তি না দেওয়া হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ ও অস্থিতিশীল হয়ে উঠবে। ট্রাম্পের দাবি, হামাসের কাছে জীবিত জিম্মির সংখ্যা দ্রুতই কমে এসেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ইসরায়েলি হামলার শিকার: গাজার ২৭০০ পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত

আপডেট সময় ১০:৩৫:৩০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫

 

 

গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বাহিনীর লাগাতার ভয়াবহ হামলায় এখন পর্যন্ত ২ হাজার ৭০০-এরও বেশি পরিবার সম্পূর্ণরূপে নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে—যাদের একজন সদস্যও জীবিত নেই। শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) গাজার সরকারি মিডিয়া অফিস এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানায় এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নীরবতার তীব্র সমালোচনা করে।

আরও পড়ুন  যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইওতে ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনা, একই পরিবারের ৪ জনসহ নিহত ৬

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ইসরায়েলি হামলায় গাজায় অবকাঠামোগত ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬ হাজার ৮০০ কোটি ডলার। ধ্বংস হয়েছে ৩৮টি হাসপাতাল, ৮৩৩টি মসজিদ এবং দেড় শতাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

আল জাজিরার প্রতিবেদনে জানানো হয়, সর্বশেষ এক হামলায় অন্তত ৬৭ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে ৪৫ জন গাজা শহরের বাসিন্দা। শহরটি দখল করতে এবং বাসিন্দাদের দক্ষিণে সরিয়ে নিতে ইসরায়েলি সেনারা অভিযান চালাচ্ছে।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ৬৪ হাজার ৩৬৮ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ১ লাখ ৬২ হাজার ৩৬৭ জন। নিহতদের মধ্যে ২০ হাজারেরও বেশি শিশু রয়েছে।

এছাড়া গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইসরায়েলি অবরোধে সৃষ্ট দুর্ভিক্ষে গত দুই বছরে ৩৮২ জন প্রাণ হারিয়েছেন। তাদের মধ্যে ১৩৫ জনই শিশু।

এদিকে গাজা সিটিতে একের পর এক আবাসিক টাওয়ার ধ্বংস করছে ইসরায়েলি বাহিনী। মুশতাহা টাওয়ার ধ্বংসের পর শনিবার (৭ সেপ্টেম্বর) আল-সুসি আবাসিক টাওয়ারও উড়িয়ে দেওয়া হয়। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়াভ গালান্ট কাটজ সামাজিক মাধ্যমে ওই ধ্বংসযজ্ঞের ভিডিও প্রকাশ করে আরও হামলার হুঁশিয়ারি দেন। যদিও ইসরায়েল দাবি করছে এসব ভবন হামাসের নজরদারির কাজে ব্যবহার হতো, এর পক্ষে কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেনি।

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ওয়াশিংটন হামাসের সঙ্গে গঠনমূলক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে তিনি সতর্ক করেছেন, জিম্মিদের মুক্তি না দেওয়া হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ ও অস্থিতিশীল হয়ে উঠবে। ট্রাম্পের দাবি, হামাসের কাছে জীবিত জিম্মির সংখ্যা দ্রুতই কমে এসেছে।