ঢাকা ০৮:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
হাসপাতাল বন্ধ না করে দোষীদের শাস্তি চাইলেন আদ্-দ্বীনে নিহতের বাবা শিশু সুরক্ষায় টাস্কফোর্স গঠনের আহ্বান ডেপুটি স্পিকারের স্লোভাকিয়া—মধ্য ইউরোপের পাহাড়, ইতিহাস ও আধুনিক অগ্রগতির দেশ মালয়েশিয়া পাচারের সময় টেকনাফে উদ্ধার ৫০ আটক ৯ ‘পাচারকারী’ সাভারে তিন পোশাক কারখানায় ছাঁটাই, কর্মহীন প্রায় ১৯’শ শ্রমিক উত্তরখানে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ: একই পরিবারের ৩ সদস্য আইসিইউতে চারদিকে মেঘ, তবুও কমছে না গরম; অস্বস্তিতে ঢাকাবাসী রোববার থেকে বাড়ছে মেট্রোরেলের চলাচলের সময় জেলেনস্কির সরাসরি বৈঠকের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন পুতিন ১৫ বছর বয়সেই ভারত দলে সূর্যবংশী, টি-টোয়েন্টির নতুন অধিনায়ক আইয়ার

কক্সবাজার-টেকনাফ মহাসড়কে বিক্ষোভ, যানজটে হাজারো মানুষ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:৩১:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৫
  • / 555

ছবি: সংগৃহীত

 

কক্সবাজার-টেকনাফ শহিদ এটিএম জাফর আলম মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেছেন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে চাকরিচ্যুত স্থানীয় শিক্ষকরা।

সোমবার (১৮ আগস্ট) সকাল ৭টা থেকে তাদের সড়ক অবরোধের কারণে ক্যাম্পে দেশি-বিদেশি এনজিও সংস্থার কর্মরতরা যেতে পারছেন না। এতে সকাল থেকে প্রায় চার ঘণ্টা ধরে যান চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে। সড়কের দুপাশে আটকা পড়ে শত শত যানবাহন। প্রায় তিন কিলোমিটারজুড়ে সৃষ্টি হয় তীব্র যানজট।

আরও পড়ুন  টেকনাফ উপকূলে আরাকান আর্মির দাপট: ট্রলারসহ ১১ জেলে অপহৃত

বিক্ষোভকারী শিক্ষকরা জানিয়েছেন, অর্থ সংকটের কারণে দাতাসংস্থা ইউনিসেফ ও অন্যান্য এনজিও সংস্থা তাদের চাকরি টালবাহানা করছে। বিষয়টি নিয়ে তারা দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করছে। পরে প্রশাসনের আশ্বাস পাওয়ার পরও কোনো সমাধান হয়নি। এজন্য তারা দাবি আদায়ের জন্য আবারও আন্দোলনে নেমেছেন।

স্থানীয় শিক্ষকদের প্রতিনিধি সাইদুল ইসলাম শামীম বলেন, আমরা দাবি করছি, চাকরিচ্যুত শিক্ষকদের পুনর্বহাল করা হোক এবং ক্যাম্পে শিক্ষা কার্যক্রম পুনরায় চালু করা হোক।

ক্যাভার্ডভ্যান চালক ইদ্রিস বলেন, দেড় ঘণ্টা ধরে যানজটে আটকা। দুর্ভোগের শেষ নেই।

স্থানীয় বাসিন্দা আবু তালেব বলেন, দীর্ঘ ৩ কিলোমিটার পায়ে হেঁটে গন্তব্যে যাচ্ছি, খুবই কষ্ট হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতায় কিছু এনজিও কর্মী ক্যাম্পে যাওয়ার চেষ্টা করলেও আন্দোলনকারীদের বাধার কারণে যেতে পারেননি।

কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ইমরান হোসাইন সজিব গণমাধ্যমকে বলেন, ‌আমরা সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে কথা বলে দ্রুত এটা সমাধানের চেষ্টা করছি।

উল্লেখ্য, অর্থ সংকটের কারণে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে প্রায় ১২০০ স্থানীয় বাংলাদেশি শিক্ষককে চাকরিচ্যুত করা হয়। বিক্ষোভকারীরা বলছেন, মূলত বেতন বৃদ্ধির দাবি জানানো হলে তাদের চাকরি থেকে ছাটাই দেওয়া হয়েছে। তবে রোহিঙ্গা শিক্ষকরা এখনও দায়িত্বে বহাল আছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

কক্সবাজার-টেকনাফ মহাসড়কে বিক্ষোভ, যানজটে হাজারো মানুষ

আপডেট সময় ০১:৩১:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৫

 

কক্সবাজার-টেকনাফ শহিদ এটিএম জাফর আলম মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেছেন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে চাকরিচ্যুত স্থানীয় শিক্ষকরা।

সোমবার (১৮ আগস্ট) সকাল ৭টা থেকে তাদের সড়ক অবরোধের কারণে ক্যাম্পে দেশি-বিদেশি এনজিও সংস্থার কর্মরতরা যেতে পারছেন না। এতে সকাল থেকে প্রায় চার ঘণ্টা ধরে যান চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে। সড়কের দুপাশে আটকা পড়ে শত শত যানবাহন। প্রায় তিন কিলোমিটারজুড়ে সৃষ্টি হয় তীব্র যানজট।

আরও পড়ুন  টেকনাফ উপকূলে আরাকান আর্মির দাপট: ট্রলারসহ ১১ জেলে অপহৃত

বিক্ষোভকারী শিক্ষকরা জানিয়েছেন, অর্থ সংকটের কারণে দাতাসংস্থা ইউনিসেফ ও অন্যান্য এনজিও সংস্থা তাদের চাকরি টালবাহানা করছে। বিষয়টি নিয়ে তারা দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করছে। পরে প্রশাসনের আশ্বাস পাওয়ার পরও কোনো সমাধান হয়নি। এজন্য তারা দাবি আদায়ের জন্য আবারও আন্দোলনে নেমেছেন।

স্থানীয় শিক্ষকদের প্রতিনিধি সাইদুল ইসলাম শামীম বলেন, আমরা দাবি করছি, চাকরিচ্যুত শিক্ষকদের পুনর্বহাল করা হোক এবং ক্যাম্পে শিক্ষা কার্যক্রম পুনরায় চালু করা হোক।

ক্যাভার্ডভ্যান চালক ইদ্রিস বলেন, দেড় ঘণ্টা ধরে যানজটে আটকা। দুর্ভোগের শেষ নেই।

স্থানীয় বাসিন্দা আবু তালেব বলেন, দীর্ঘ ৩ কিলোমিটার পায়ে হেঁটে গন্তব্যে যাচ্ছি, খুবই কষ্ট হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতায় কিছু এনজিও কর্মী ক্যাম্পে যাওয়ার চেষ্টা করলেও আন্দোলনকারীদের বাধার কারণে যেতে পারেননি।

কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ইমরান হোসাইন সজিব গণমাধ্যমকে বলেন, ‌আমরা সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে কথা বলে দ্রুত এটা সমাধানের চেষ্টা করছি।

উল্লেখ্য, অর্থ সংকটের কারণে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে প্রায় ১২০০ স্থানীয় বাংলাদেশি শিক্ষককে চাকরিচ্যুত করা হয়। বিক্ষোভকারীরা বলছেন, মূলত বেতন বৃদ্ধির দাবি জানানো হলে তাদের চাকরি থেকে ছাটাই দেওয়া হয়েছে। তবে রোহিঙ্গা শিক্ষকরা এখনও দায়িত্বে বহাল আছেন।