ঢাকা ০৭:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

ট্রেন দুর্ঘটনা রোধে জনসচেতনতা ও সহযোগিতা চাইল রেলপথ মন্ত্রণালয়

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:২৮:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ অগাস্ট ২০২৫
  • / 718

ছবি: সংগৃহীত

 

সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন রুটে ট্রেন লাইনচ্যুতির ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে রেলপথ মন্ত্রণালয়। এসব দুর্ঘটনায় বড় ধরনের প্রাণহানি বা সম্পদের ক্ষতি না হওয়ায় তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণের সুফল হিসেবে দেখছে সংস্থাটি। একইসঙ্গে রেল নিরাপত্তা রক্ষায় জনগণের সতর্কতা ও সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।

সোমবার (৪ আগস্ট) রেলপথ মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা রেজাউল করিম সিদ্দিকীর পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

আরও পড়ুন  খামেনির দাফনের আগে ইরানে হামলা, ক্ষতিগ্রস্ত গুরুত্বপূর্ণ রেলপথ

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্রতিটি দুর্ঘটনার পেছনের কারণ অনুসন্ধানে পৃথক তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং তদন্তের ভিত্তিতে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রাথমিক তদন্তে ইঙ্গিত মিলেছে যে, এসব ঘটনার পেছনে রেলসংশ্লিষ্টদের বাইরের কিছু ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর নাশকতামূলক তৎপরতা থাকতে পারে।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, গত ৩ আগস্ট রাতে নাটোরের মাধনগর এলাকায় এক বিপজ্জনক চক্রান্তের ঘটনা সামনে এসেছে। সেখানে রেললাইনে শিকল পেঁচিয়ে তালা লাগানো হয়— যার উদ্দেশ্য ছিল ট্রেন লাইনচ্যুত করে ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটানো। তবে সৌভাগ্যবশত, রেলওয়ের এক স্থানীয় কি-ম্যান তা চোখে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে চিলাহাটি এক্সপ্রেস ট্রেনটি থামিয়ে দেন। পরে শিকল অপসারণ করে স্বাভাবিকভাবে ট্রেন চলাচল নিশ্চিত করা হয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলিকে বিষয়টি জানানো হয়েছে।

রেলপথ মন্ত্রণালয় মনে করে, এ ধরনের পরিকল্পিত অপতৎপরতা প্রতিরোধে সরকার বা রেলওয়ের একক প্রচেষ্টা যথেষ্ট নয়। এজন্য সাধারণ মানুষের সচেতন অংশগ্রহণ এবং সবার সম্মিলিত সহযোগিতা প্রয়োজন। রেললাইনের আশপাশে সন্দেহজনক কিছু লক্ষ্য করলে তা দ্রুত রেল কর্তৃপক্ষ বা স্থানীয় প্রশাসনকে জানানোর জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে।

জরুরি প্রয়োজনে রেলওয়ের হটলাইন নম্বর ১৩১ অথবা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ (টোল ফ্রি) ফোন করার অনুরোধ জানিয়েছে মন্ত্রণালয়। একইসঙ্গে আশ্বস্ত করা হয়েছে, তথ্যদাতার পরিচয় সর্বোচ্চ গোপনীয়তা বজায় রেখেই সংরক্ষিত থাকবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্রেন দুর্ঘটনা রোধে জনসচেতনতা ও সহযোগিতা চাইল রেলপথ মন্ত্রণালয়

আপডেট সময় ০৭:২৮:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ অগাস্ট ২০২৫

 

সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন রুটে ট্রেন লাইনচ্যুতির ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে রেলপথ মন্ত্রণালয়। এসব দুর্ঘটনায় বড় ধরনের প্রাণহানি বা সম্পদের ক্ষতি না হওয়ায় তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণের সুফল হিসেবে দেখছে সংস্থাটি। একইসঙ্গে রেল নিরাপত্তা রক্ষায় জনগণের সতর্কতা ও সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।

সোমবার (৪ আগস্ট) রেলপথ মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা রেজাউল করিম সিদ্দিকীর পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

আরও পড়ুন  গাজীপুরে ট্রেন লাইনচ্যুতির ১৩ ঘণ্টা পর স্বাভাবিক হলো চলাচল

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্রতিটি দুর্ঘটনার পেছনের কারণ অনুসন্ধানে পৃথক তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং তদন্তের ভিত্তিতে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রাথমিক তদন্তে ইঙ্গিত মিলেছে যে, এসব ঘটনার পেছনে রেলসংশ্লিষ্টদের বাইরের কিছু ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর নাশকতামূলক তৎপরতা থাকতে পারে।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, গত ৩ আগস্ট রাতে নাটোরের মাধনগর এলাকায় এক বিপজ্জনক চক্রান্তের ঘটনা সামনে এসেছে। সেখানে রেললাইনে শিকল পেঁচিয়ে তালা লাগানো হয়— যার উদ্দেশ্য ছিল ট্রেন লাইনচ্যুত করে ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটানো। তবে সৌভাগ্যবশত, রেলওয়ের এক স্থানীয় কি-ম্যান তা চোখে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে চিলাহাটি এক্সপ্রেস ট্রেনটি থামিয়ে দেন। পরে শিকল অপসারণ করে স্বাভাবিকভাবে ট্রেন চলাচল নিশ্চিত করা হয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলিকে বিষয়টি জানানো হয়েছে।

রেলপথ মন্ত্রণালয় মনে করে, এ ধরনের পরিকল্পিত অপতৎপরতা প্রতিরোধে সরকার বা রেলওয়ের একক প্রচেষ্টা যথেষ্ট নয়। এজন্য সাধারণ মানুষের সচেতন অংশগ্রহণ এবং সবার সম্মিলিত সহযোগিতা প্রয়োজন। রেললাইনের আশপাশে সন্দেহজনক কিছু লক্ষ্য করলে তা দ্রুত রেল কর্তৃপক্ষ বা স্থানীয় প্রশাসনকে জানানোর জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে।

জরুরি প্রয়োজনে রেলওয়ের হটলাইন নম্বর ১৩১ অথবা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ (টোল ফ্রি) ফোন করার অনুরোধ জানিয়েছে মন্ত্রণালয়। একইসঙ্গে আশ্বস্ত করা হয়েছে, তথ্যদাতার পরিচয় সর্বোচ্চ গোপনীয়তা বজায় রেখেই সংরক্ষিত থাকবে।