ঢাকা ০৮:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

চুয়াডাঙ্গায় জমি বিরোধ নিয়ে পৃথক দুই হত্যা মামলায় তিনজনের মৃত্যুদণ্ড

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:৩৪:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ জুলাই ২০২৫
  • / 628

ছবি সংগৃহীত

 

চুয়াডাঙ্গায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে সংঘটিত দুটি আলোচিত হত্যা মামলায় তিনজন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়েছে। বুধবার (১৬ জুলাই) দুপুরে চুয়াডাঙ্গা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. আকবর আলী শেখ আসামিদের উপস্থিতিতে এই রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন আলমডাঙ্গা উপজেলার হারদী ইউনিয়নের বামানগর গ্রামের কাশেম আলীর ছেলে স্বাধীন আলী (৩৭), যিনি বর্তমানে জেহালা ইউনিয়নের ক্লিনিক পাড়ায় শ্বশুরবাড়িতে বসবাস করেন; একই মামলার অপর আসামি আশিকুর রহমান আশিক ওরফে বাদশা (২৭), চুয়াডাঙ্গা পৌর শহরের ফার্মপাড়ার মৃত বিপ্লব হোসেনের ছেলে। অপর মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হচ্ছেন জীবননগর উপজেলার গঙ্গাদাশপুর গ্রামের মৃত ইব্রাহিম মন্ডলের ছেলে জমির উদ্দিন (৪৮)।

আরও পড়ুন  চব্বিশের মানবতাবিরোধী অপরাধ: চানখাঁরপুলে ছয় হত্যার রায় মঙ্গলবার

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২২ সালের ৯ মে রাতে জমি নিয়ে পূর্ববিরোধের জেরে একদল দুর্বৃত্ত আলমডাঙ্গা উপজেলার কামাল হোসেনকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে পিটিয়ে হত্যা করে। গুরুতর আহত অবস্থায় রাস্তায় পড়ে থাকা কামালকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরবর্তীতে নিহতের স্ত্রী সেলিনা আক্তার ১১ মে আলমডাঙ্গা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

তদন্ত ও সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত স্বাধীন আলী ও আশিকুর রহমানকে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন। এছাড়া মামলার অপর পাঁচজন আসামিকে খালাস দেওয়া হয়।

অন্যদিকে, ২০২২ সালের ১৬ জুন দুপুরে জীবননগরে পূর্বশত্রুতার জেরে কোদাল দিয়ে মাথায় আঘাত করে বাবলু রহমানকে হত্যা করা হয়। ওইদিনই নিহতের স্ত্রী চায়না খাতুন বাদী হয়ে জীবননগর থানায় মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে উপপরিদর্শক সৈকত পাড়ে ৩০ সেপ্টেম্বর একমাত্র অভিযুক্ত হিসেবে জমির উদ্দিনের নামে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

মামলায় ১৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত জমির উদ্দিনকে মৃত্যুদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করেন।

চুয়াডাঙ্গা জেলা জজ কোর্টের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট মারুফ সারোয়ার বাবু জানান, রায়ে রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্ট। এই রায় সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় এক গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

চুয়াডাঙ্গায় জমি বিরোধ নিয়ে পৃথক দুই হত্যা মামলায় তিনজনের মৃত্যুদণ্ড

আপডেট সময় ০৪:৩৪:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ জুলাই ২০২৫

 

চুয়াডাঙ্গায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে সংঘটিত দুটি আলোচিত হত্যা মামলায় তিনজন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়েছে। বুধবার (১৬ জুলাই) দুপুরে চুয়াডাঙ্গা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. আকবর আলী শেখ আসামিদের উপস্থিতিতে এই রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন আলমডাঙ্গা উপজেলার হারদী ইউনিয়নের বামানগর গ্রামের কাশেম আলীর ছেলে স্বাধীন আলী (৩৭), যিনি বর্তমানে জেহালা ইউনিয়নের ক্লিনিক পাড়ায় শ্বশুরবাড়িতে বসবাস করেন; একই মামলার অপর আসামি আশিকুর রহমান আশিক ওরফে বাদশা (২৭), চুয়াডাঙ্গা পৌর শহরের ফার্মপাড়ার মৃত বিপ্লব হোসেনের ছেলে। অপর মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হচ্ছেন জীবননগর উপজেলার গঙ্গাদাশপুর গ্রামের মৃত ইব্রাহিম মন্ডলের ছেলে জমির উদ্দিন (৪৮)।

আরও পড়ুন  ১৯ দিনেই বিচারকাজ শেষ, রামিসা হত্যা মামলার রায় আজ

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২২ সালের ৯ মে রাতে জমি নিয়ে পূর্ববিরোধের জেরে একদল দুর্বৃত্ত আলমডাঙ্গা উপজেলার কামাল হোসেনকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে পিটিয়ে হত্যা করে। গুরুতর আহত অবস্থায় রাস্তায় পড়ে থাকা কামালকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরবর্তীতে নিহতের স্ত্রী সেলিনা আক্তার ১১ মে আলমডাঙ্গা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

তদন্ত ও সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত স্বাধীন আলী ও আশিকুর রহমানকে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন। এছাড়া মামলার অপর পাঁচজন আসামিকে খালাস দেওয়া হয়।

অন্যদিকে, ২০২২ সালের ১৬ জুন দুপুরে জীবননগরে পূর্বশত্রুতার জেরে কোদাল দিয়ে মাথায় আঘাত করে বাবলু রহমানকে হত্যা করা হয়। ওইদিনই নিহতের স্ত্রী চায়না খাতুন বাদী হয়ে জীবননগর থানায় মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে উপপরিদর্শক সৈকত পাড়ে ৩০ সেপ্টেম্বর একমাত্র অভিযুক্ত হিসেবে জমির উদ্দিনের নামে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

মামলায় ১৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত জমির উদ্দিনকে মৃত্যুদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করেন।

চুয়াডাঙ্গা জেলা জজ কোর্টের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট মারুফ সারোয়ার বাবু জানান, রায়ে রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্ট। এই রায় সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় এক গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।