১২:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
শিরোনাম :
ফিজি: প্রশান্ত মহাসাগরের হারানো রত্ন ‘বাংলাদেশের পাশে আছে পাকিস্তান, বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে খেলবে না দল: পাকিস্তান স্পিকার না থাকায় এমপিদের শপথ পড়াবেন কে, জেনে নিন বিশ্বে ৭২ শতাংশ মানুষ স্বৈরাচারী শাসনের অধীনে আশুলিয়ায় ৬ মরদেহ পোড়ানো মামলার রায় আজ দ্বিতীয়বারের মতো বাবা হলেন জিয়াউল হক পলাশ ভোট কারচুপির ছক? জামায়াত নেতার নির্দেশে সিল তৈরি—মামলা ও বহিষ্কারে উত্তাল রাজনীতি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনার মধ্যে ভূগর্ভস্থ নতুন ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি প্রকাশ করল ইরান সৌদি লিগের ভেতরের টানাপোড়েন, ম্যাচ বয়কট করলেন রোনালদো জামায়াত আমিরের এক্স ‘হ্যাকড’: গ্রেপ্তার নিয়ে পুলিশের ভেতরে দ্বিমত

নির্বাচনের নির্দিষ্ট তারিখ নেই, প্রস্তুতি চলছে এপ্রিল ও ফেব্রুয়ারি মাথায় রেখে: সিইসি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:২৫:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ জুলাই ২০২৫
  • / 111

ছবি সংগৃহীত

 

 

বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচন ঠিক কবে হবে, সেই প্রশ্ন এখনও অনিশ্চিত। নির্বাচন ঘিরে রাজনীতিতে তৈরি হয়েছে সন্দেহ ও সংশয়। এমন প্রেক্ষাপটে নির্বাচন কমিশনের প্রস্তুতি ও নিরপেক্ষতা নিয়ে মুখ খুলেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।

বিবিসি বাংলার সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকারে সিইসি বলেন, “ইটস ভেরি ডিফিকাল্ট ফর মি টু রেসপন্ড, বিকজ আই মাইসেলফ ওন্ট নো এক্স্যাক্ট ডেট।” তিনি জানান, সরকার নির্বাচন কমিশনকে এখনো কোনো নির্দিষ্ট ভোটের তারিখ জানায়নি। তবে তাদের ধারণা, নির্বাচন হতে পারে ফেব্রুয়ারির শুরুতে বা এপ্রিলের প্রথমার্ধে।

সিইসি জানান, প্রথম থেকেই ডিসেম্বরকে লক্ষ্য করে প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছিল। “গত বছরের ১৬ ডিসেম্বর প্রধান উপদেষ্টা জাতির উদ্দেশে ভাষণে বলেছিলেন ডিসেম্বর অথবা জুনে নির্বাচন হতে পারে—সেই বক্তব্যের ভিত্তিতে আমরা ব্যাক ক্যালকুলেশন করে প্রস্তুতি শুরু করি,” বলেন তিনি।

তিনি স্পষ্ট করেন, “আমাদের প্রস্তুতি নিয়ে সরকারের কাছ থেকে কোনো গাইডেন্স, পরামর্শ, আদেশ বা নির্দেশ কিছুই নেই। আমরা একদম স্বাধীনভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছি।”

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “এটা ছিল সৌজন্য সাক্ষাৎ। তবে উনি জানতে চেয়েছেন, আমাদের প্রস্তুতির অবস্থা কী। আমি বিস্তারিত জানিয়েছি—কী করেছি, কী করছি, কতদূর এগিয়েছি, আর কত বাকি আছে।”

রাজনৈতিক দলগুলোর বক্তব্য অনুযায়ী বর্তমানে নির্বাচন উপযোগী পরিবেশ নেই এমন প্রশ্নে সিইসি বলেন, “রাজনৈতিক নেতাদের বক্তব্য নিয়ে আমরা গাইডেড না। তারা বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন কথা বলেন।”
মব ভায়োলেন্স বা দলবদ্ধ সহিংসতা পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্নে তিনি বলেন, “চ্যালেঞ্জিং হবে, কিন্তু সম্ভব। কারণ, গত আগস্টের তুলনায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অনেক উন্নত হয়েছে।”

তিনি আশা প্রকাশ করেন, “নির্বাচনের সময় সবকিছু নিয়ন্ত্রণে থাকবে। প্রতিটি রাজনৈতিক দল সুষ্ঠু নির্বাচনের কথা বলে এসেছে। জনগণ যদি পাশে থাকে, তাহলে মব বা সহিংসতা কোনো বাধা হয়ে দাঁড়াবে না।”

সিইসি জানান, “প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব জানিয়েছেন, শুধু পুলিশ নয় আর্মি, বিজিবি সব আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে নিয়েই প্রস্তুতি চলছে। একইভাবে আমরাও নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে প্রস্তুতি নিচ্ছি।”

তিনি শেষ পর্যন্ত আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, “আমরা একটি ফ্রি, ফেয়ার এবং ক্রেডিবল নির্বাচন আয়োজনের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি তাতে বাধা হবে বলে আমি মনে করি না।”

নিউজটি শেয়ার করুন

নির্বাচনের নির্দিষ্ট তারিখ নেই, প্রস্তুতি চলছে এপ্রিল ও ফেব্রুয়ারি মাথায় রেখে: সিইসি

আপডেট সময় ০১:২৫:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ জুলাই ২০২৫

 

 

বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচন ঠিক কবে হবে, সেই প্রশ্ন এখনও অনিশ্চিত। নির্বাচন ঘিরে রাজনীতিতে তৈরি হয়েছে সন্দেহ ও সংশয়। এমন প্রেক্ষাপটে নির্বাচন কমিশনের প্রস্তুতি ও নিরপেক্ষতা নিয়ে মুখ খুলেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।

বিবিসি বাংলার সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকারে সিইসি বলেন, “ইটস ভেরি ডিফিকাল্ট ফর মি টু রেসপন্ড, বিকজ আই মাইসেলফ ওন্ট নো এক্স্যাক্ট ডেট।” তিনি জানান, সরকার নির্বাচন কমিশনকে এখনো কোনো নির্দিষ্ট ভোটের তারিখ জানায়নি। তবে তাদের ধারণা, নির্বাচন হতে পারে ফেব্রুয়ারির শুরুতে বা এপ্রিলের প্রথমার্ধে।

সিইসি জানান, প্রথম থেকেই ডিসেম্বরকে লক্ষ্য করে প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছিল। “গত বছরের ১৬ ডিসেম্বর প্রধান উপদেষ্টা জাতির উদ্দেশে ভাষণে বলেছিলেন ডিসেম্বর অথবা জুনে নির্বাচন হতে পারে—সেই বক্তব্যের ভিত্তিতে আমরা ব্যাক ক্যালকুলেশন করে প্রস্তুতি শুরু করি,” বলেন তিনি।

তিনি স্পষ্ট করেন, “আমাদের প্রস্তুতি নিয়ে সরকারের কাছ থেকে কোনো গাইডেন্স, পরামর্শ, আদেশ বা নির্দেশ কিছুই নেই। আমরা একদম স্বাধীনভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছি।”

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “এটা ছিল সৌজন্য সাক্ষাৎ। তবে উনি জানতে চেয়েছেন, আমাদের প্রস্তুতির অবস্থা কী। আমি বিস্তারিত জানিয়েছি—কী করেছি, কী করছি, কতদূর এগিয়েছি, আর কত বাকি আছে।”

রাজনৈতিক দলগুলোর বক্তব্য অনুযায়ী বর্তমানে নির্বাচন উপযোগী পরিবেশ নেই এমন প্রশ্নে সিইসি বলেন, “রাজনৈতিক নেতাদের বক্তব্য নিয়ে আমরা গাইডেড না। তারা বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন কথা বলেন।”
মব ভায়োলেন্স বা দলবদ্ধ সহিংসতা পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্নে তিনি বলেন, “চ্যালেঞ্জিং হবে, কিন্তু সম্ভব। কারণ, গত আগস্টের তুলনায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অনেক উন্নত হয়েছে।”

তিনি আশা প্রকাশ করেন, “নির্বাচনের সময় সবকিছু নিয়ন্ত্রণে থাকবে। প্রতিটি রাজনৈতিক দল সুষ্ঠু নির্বাচনের কথা বলে এসেছে। জনগণ যদি পাশে থাকে, তাহলে মব বা সহিংসতা কোনো বাধা হয়ে দাঁড়াবে না।”

সিইসি জানান, “প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব জানিয়েছেন, শুধু পুলিশ নয় আর্মি, বিজিবি সব আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে নিয়েই প্রস্তুতি চলছে। একইভাবে আমরাও নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে প্রস্তুতি নিচ্ছি।”

তিনি শেষ পর্যন্ত আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, “আমরা একটি ফ্রি, ফেয়ার এবং ক্রেডিবল নির্বাচন আয়োজনের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি তাতে বাধা হবে বলে আমি মনে করি না।”