ঢাকা ১০:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশলের ভুলে শিরোপা হারাল আর্জেন্টিনা; বিবিসির বিশ্লেষণ দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষ, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ রিজেন্টের সেই সাহেদ ফের গ্রেপ্তার সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন

ইতিহাস গড়ে প্রথমবারের মতো এশিয়া কাপের মূল পর্বে বাংলাদেশ নারী দল

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:৫৮:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ জুলাই ২০২৫
  • / 530

ছবি সংগৃহীত

 

 

তুর্কমেনিস্তান ও বাহরাইনের ম্যাচ ২-২ গোলে ড্র হওয়ার পর নিশ্চিত হয়ে গেছে বাংলাদেশের নারী দলের এএফসি এশিয়ান কাপে খেলা। এর মধ্য দিয়ে ইতিহাসের নতুন অধ্যায় রচনা করল বাংলাদেশের মেয়েরা। প্রথমবারের মতো নারী এশিয়া কাপের মূল পর্বে অংশ নিতে যাচ্ছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।

আরও পড়ুন  ঈদযাত্রায় নৌপথে কোনো বাড়তি ভাড়া আদায় করা যাবে না: নৌপরিবহন মন্ত্রী

এর আগে স্বাগতিক মিয়ানমারকে হারিয়ে এশিয়ান কাপের চূড়ান্ত পর্বে খেলার পথে এক পা দিয়ে রেখেছিল বাংলাদেশ। শেষ পর্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বী দুই দলের পয়েন্ট ভাগাভাগি হওয়ায় নিশ্চিত হয়ে গেছে বাংলাদেশের টিকিট।

২০২৬ সালে অস্ট্রেলিয়ায় বসবে এই নারী এশিয়া কাপের আসর। এর মধ্য দিয়ে ১৯৮০ সালে কুয়েতে পুরুষ দলের প্রথম এশিয়া কাপ খেলার পর বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলও এই গৌরবময় মঞ্চে অভিষেক ঘটাবে।

দুই ম্যাচ শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ছয় পয়েন্ট। স্বাগতিক মিয়ানমারের আছে তিন পয়েন্ট, আর বাহরাইন ও তুর্কমেনিস্তানের ঝুলিতে রয়েছে মাত্র এক পয়েন্ট করে।

পাঁচ জুলাই বাংলাদেশের শেষ ম্যাচ তুর্কমেনিস্তানের বিপক্ষে এখন কেবল আনুষ্ঠানিকতার জন্যই হবে। সেই ম্যাচে হারলেও বাংলাদেশের মূল পর্বে যাওয়ার পথে আর কোনো বাধা থাকবে না।

তবে হিসাবের খাতায় সম্ভাবনার জটিলতা কিছুটা রয়েছে। যদি বাংলাদেশ তুর্কমেনিস্তানের কাছে হারে এবং মিয়ানমার বাহরাইনকে হারিয়ে দেয়, তাহলে দুই দলেরই সমান ছয় পয়েন্ট হবে। কিন্তু টুর্নামেন্টের নিয়ম অনুযায়ী প্রথমে হেড-টু-হেড ফলাফল বিবেচনা করা হবে। যেহেতু বাংলাদেশ মিয়ানমারকে পরাজিত করেছে, তাই সমান পয়েন্ট হলেও বাংলাদেশই গ্রুপ সেরা হিসেবে চূড়ান্ত পর্বে উঠবে।

ফলে বলা যায়, আজই বাংলাদেশের মেয়েদের স্বপ্ন পূরণ হয়েছে। আসন্ন নারী এশিয়া কাপে প্রথমবারের মতো তাদের দেখা যাবে এশিয়ার সেরা দলগুলোর সঙ্গে লড়াইয়ে। নারী ফুটবলের এই সাফল্যে দেশের ক্রীড়াঙ্গনে নতুন উৎসাহের সঞ্চার হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ইতিহাস গড়ে প্রথমবারের মতো এশিয়া কাপের মূল পর্বে বাংলাদেশ নারী দল

আপডেট সময় ১০:৫৮:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ জুলাই ২০২৫

 

 

তুর্কমেনিস্তান ও বাহরাইনের ম্যাচ ২-২ গোলে ড্র হওয়ার পর নিশ্চিত হয়ে গেছে বাংলাদেশের নারী দলের এএফসি এশিয়ান কাপে খেলা। এর মধ্য দিয়ে ইতিহাসের নতুন অধ্যায় রচনা করল বাংলাদেশের মেয়েরা। প্রথমবারের মতো নারী এশিয়া কাপের মূল পর্বে অংশ নিতে যাচ্ছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।

আরও পড়ুন  ঢাকার ইতিহাসে প্রথম নারী ডিসি ফরিদা খানম

এর আগে স্বাগতিক মিয়ানমারকে হারিয়ে এশিয়ান কাপের চূড়ান্ত পর্বে খেলার পথে এক পা দিয়ে রেখেছিল বাংলাদেশ। শেষ পর্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বী দুই দলের পয়েন্ট ভাগাভাগি হওয়ায় নিশ্চিত হয়ে গেছে বাংলাদেশের টিকিট।

২০২৬ সালে অস্ট্রেলিয়ায় বসবে এই নারী এশিয়া কাপের আসর। এর মধ্য দিয়ে ১৯৮০ সালে কুয়েতে পুরুষ দলের প্রথম এশিয়া কাপ খেলার পর বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলও এই গৌরবময় মঞ্চে অভিষেক ঘটাবে।

দুই ম্যাচ শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ছয় পয়েন্ট। স্বাগতিক মিয়ানমারের আছে তিন পয়েন্ট, আর বাহরাইন ও তুর্কমেনিস্তানের ঝুলিতে রয়েছে মাত্র এক পয়েন্ট করে।

পাঁচ জুলাই বাংলাদেশের শেষ ম্যাচ তুর্কমেনিস্তানের বিপক্ষে এখন কেবল আনুষ্ঠানিকতার জন্যই হবে। সেই ম্যাচে হারলেও বাংলাদেশের মূল পর্বে যাওয়ার পথে আর কোনো বাধা থাকবে না।

তবে হিসাবের খাতায় সম্ভাবনার জটিলতা কিছুটা রয়েছে। যদি বাংলাদেশ তুর্কমেনিস্তানের কাছে হারে এবং মিয়ানমার বাহরাইনকে হারিয়ে দেয়, তাহলে দুই দলেরই সমান ছয় পয়েন্ট হবে। কিন্তু টুর্নামেন্টের নিয়ম অনুযায়ী প্রথমে হেড-টু-হেড ফলাফল বিবেচনা করা হবে। যেহেতু বাংলাদেশ মিয়ানমারকে পরাজিত করেছে, তাই সমান পয়েন্ট হলেও বাংলাদেশই গ্রুপ সেরা হিসেবে চূড়ান্ত পর্বে উঠবে।

ফলে বলা যায়, আজই বাংলাদেশের মেয়েদের স্বপ্ন পূরণ হয়েছে। আসন্ন নারী এশিয়া কাপে প্রথমবারের মতো তাদের দেখা যাবে এশিয়ার সেরা দলগুলোর সঙ্গে লড়াইয়ে। নারী ফুটবলের এই সাফল্যে দেশের ক্রীড়াঙ্গনে নতুন উৎসাহের সঞ্চার হয়েছে।