ঢাকা ১১:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

জাতীয় সনদে সর্বসম্মতি প্রস্তাবই অন্তর্ভুক্ত হবে: অধ্যাপক আলী রিয়াজ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:৪২:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ জুন ২০২৫
  • / 407

ছবি সংগৃহীত

 

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক আলী রিয়াজ জানিয়েছেন, জাতীয় সনদ প্রণয়নের সময় শুধুমাত্র সেই প্রস্তাবনাগুলোকেই অন্তর্ভুক্ত করা হবে, যেগুলোতে রাজনৈতিক দলগুলোর সম্মতি থাকবে। যদিও প্রতিটি বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছানো সম্ভব নাও হতে পারে, তবে সময়ের সীমাবদ্ধতার কারণে কিছু সিদ্ধান্ত গ্রহণ অপরিহার্য।

মঙ্গলবার রাজধানীর ফরেস্ট সার্ভিস একাডেমিতে কমিশনের আয়োজিত রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপে সূচনা বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি। এই সংলাপে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, এনসিপি, এবি পার্টি ও গণসংহতি আন্দোলনসহ মোট ৩০টি রাজনৈতিক দল ও জোট অংশ নেয়।

আরও পড়ুন  জুলাই মাসের মধ্যে ‘জাতীয় সনদ’ তৈরি করতে পারবো: আলী রীয়াজ

অধ্যাপক রিয়াজ বলেন, “আমরা আলাদাভাবে আলোচনা না করে সম্মিলিত সংলাপের পথ বেছে নিয়েছি। এতে পারস্পরিক যুক্তি-বিশ্লেষণের মাধ্যমে দলগুলোর অবস্থানে পরিবর্তন আসতে পারে, যা আমাদের কাঙ্ক্ষিত ঐকমত্য অর্জনে সহায়ক হবে।”

তিনি আরও জানান, জাতীয় সনদে অন্তর্ভুক্ত বিষয়গুলোর পাশাপাশি যেসব প্রস্তাবে একমত হওয়া সম্ভব হয়নি, সেগুলোও আলাদাভাবে উল্লেখ থাকবে ‘আলোচিত হলেও ঐকমত্যে পৌঁছানো যায়নি’ এই মর্মে।

কমিশনের উদ্দেশ্য সম্পর্কে তিনি বলেন, “আমরা এমন কিছু ক্ষেত্র চিহ্নিত করতে চাই, যেখানে সব রাজনৈতিক দল অন্তত ন্যূনতম পর্যায়ের ঐকমত্যে পৌঁছাতে সক্ষম হয় এবং সেগুলোকে সংরক্ষণ করা যায়। দলগুলো তাদের নিজস্ব অবস্থান, রাজনৈতিক ইশতেহার ও অভিপ্রায় ধরে রাখবে, তবে অতিরিক্ত প্রস্তাবনা থাকলে সেটিও উপস্থাপনের সুযোগ থাকবে।”

অধ্যাপক রিয়াজ আশা প্রকাশ করে বলেন, “দ্বিতীয় ধাপের সংলাপের মূল লক্ষ্যই হচ্ছে যতটুকু সম্ভব ঐকমত্য গড়ে তোলা এবং একটি গ্রহণযোগ্য জাতীয় সনদ চূড়ান্ত করা। আমরা চেষ্টা করছি জুলাই মাসের মধ্যেই এ কাজ সম্পন্ন করতে।”

সংলাপের সঞ্চালনায় ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার। বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন কমিশনের সদস্য সফর রাজ হোসেন, বিচারপতি এমদাদুল হক, ড. বদিউল আলম মজুমদার, ড. ইফতেখারুজ্জামান এবং ড. মোহাম্মদ আইয়ুব মিয়া।

জাতীয় ঐকমত্য গঠনের এই প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক দলগুলোর সক্রিয় অংশগ্রহণকে ইতিবাচক দৃষ্টিতে দেখছেন কমিশনের সংশ্লিষ্টরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

জাতীয় সনদে সর্বসম্মতি প্রস্তাবই অন্তর্ভুক্ত হবে: অধ্যাপক আলী রিয়াজ

আপডেট সময় ০২:৪২:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ জুন ২০২৫

 

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক আলী রিয়াজ জানিয়েছেন, জাতীয় সনদ প্রণয়নের সময় শুধুমাত্র সেই প্রস্তাবনাগুলোকেই অন্তর্ভুক্ত করা হবে, যেগুলোতে রাজনৈতিক দলগুলোর সম্মতি থাকবে। যদিও প্রতিটি বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছানো সম্ভব নাও হতে পারে, তবে সময়ের সীমাবদ্ধতার কারণে কিছু সিদ্ধান্ত গ্রহণ অপরিহার্য।

মঙ্গলবার রাজধানীর ফরেস্ট সার্ভিস একাডেমিতে কমিশনের আয়োজিত রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপে সূচনা বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি। এই সংলাপে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, এনসিপি, এবি পার্টি ও গণসংহতি আন্দোলনসহ মোট ৩০টি রাজনৈতিক দল ও জোট অংশ নেয়।

আরও পড়ুন  সবার সম্মিলিত মতের ভিত্তিতে চলতি মাসে জাতীয় সনদ প্রণয়ন সম্ভব: আলী রীয়াজ

অধ্যাপক রিয়াজ বলেন, “আমরা আলাদাভাবে আলোচনা না করে সম্মিলিত সংলাপের পথ বেছে নিয়েছি। এতে পারস্পরিক যুক্তি-বিশ্লেষণের মাধ্যমে দলগুলোর অবস্থানে পরিবর্তন আসতে পারে, যা আমাদের কাঙ্ক্ষিত ঐকমত্য অর্জনে সহায়ক হবে।”

তিনি আরও জানান, জাতীয় সনদে অন্তর্ভুক্ত বিষয়গুলোর পাশাপাশি যেসব প্রস্তাবে একমত হওয়া সম্ভব হয়নি, সেগুলোও আলাদাভাবে উল্লেখ থাকবে ‘আলোচিত হলেও ঐকমত্যে পৌঁছানো যায়নি’ এই মর্মে।

কমিশনের উদ্দেশ্য সম্পর্কে তিনি বলেন, “আমরা এমন কিছু ক্ষেত্র চিহ্নিত করতে চাই, যেখানে সব রাজনৈতিক দল অন্তত ন্যূনতম পর্যায়ের ঐকমত্যে পৌঁছাতে সক্ষম হয় এবং সেগুলোকে সংরক্ষণ করা যায়। দলগুলো তাদের নিজস্ব অবস্থান, রাজনৈতিক ইশতেহার ও অভিপ্রায় ধরে রাখবে, তবে অতিরিক্ত প্রস্তাবনা থাকলে সেটিও উপস্থাপনের সুযোগ থাকবে।”

অধ্যাপক রিয়াজ আশা প্রকাশ করে বলেন, “দ্বিতীয় ধাপের সংলাপের মূল লক্ষ্যই হচ্ছে যতটুকু সম্ভব ঐকমত্য গড়ে তোলা এবং একটি গ্রহণযোগ্য জাতীয় সনদ চূড়ান্ত করা। আমরা চেষ্টা করছি জুলাই মাসের মধ্যেই এ কাজ সম্পন্ন করতে।”

সংলাপের সঞ্চালনায় ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার। বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন কমিশনের সদস্য সফর রাজ হোসেন, বিচারপতি এমদাদুল হক, ড. বদিউল আলম মজুমদার, ড. ইফতেখারুজ্জামান এবং ড. মোহাম্মদ আইয়ুব মিয়া।

জাতীয় ঐকমত্য গঠনের এই প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক দলগুলোর সক্রিয় অংশগ্রহণকে ইতিবাচক দৃষ্টিতে দেখছেন কমিশনের সংশ্লিষ্টরা।