ঢাকা ০১:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়া সিরিজে বাংলাদেশ দলে চমক দেশে এখনও অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলছে: মির্জা ফখরুল মাজারের দিঘির কুমিরকে সরিয়ে নেওয়া হলো খুলনায় নেত্রকোনায় পাওনা দুই হাজার টাকার দ্বন্দ্বে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা সান মারিনো—বিশ্বের প্রাচীনতম প্রজাতন্ত্রের এক অনন্য গল্প মুক্তিযুদ্ধকে অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: ইশরাক হোসেন বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি; কার্যকর জুন থেকেই বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন মার্কিন শুল্ক প্রত্যেকটি নাগরিককে মাথায় রেখে বাজেট দেওয়া হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী শিশু রামিসা হত্যা মামলা: আদালতে অপরাধ স্বীকার সোহেল রানার, যুক্তিতর্ক বৃহস্পতিবার

টি-২০ সিরিজ হাতছাড়া: লাহোরে আবারো ব্যাটিং ব্যর্থ বাংলাদেশ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:২৪:৫০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ মে ২০২৫
  • / 481

ছবি সংগৃহীত

 

লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে পাকিস্তানের বিপক্ষে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচেও ব্যাটিং ব্যর্থতায় বড় ব্যবধানে হার মেনেছে বাংলাদেশ। ২০১ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ১৪৪ রানে থেমে যায় সফরকারীদের ইনিংস। ফলে ৫৭ রানে হেরে এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ খোয়ায় ফিল সিমন্সের দল।

টস হেরে প্রথমে ফিল্ডিংয়ে নামে বাংলাদেশ। প্রথম ম্যাচের মতোই এই ম্যাচেও স্বাগতিকরা ২০১ রানের বিশাল স্কোর দাঁড় করায়, ৬ উইকেট হারিয়ে। যদিও শুরুটা ভালোই করেছিল টাইগাররা। দলীয় ১২ রানে রানআউটের ফাঁদে পড়ে ফেরেন সাইম আইয়ুব। ব্যক্তিগত ৪ রানে সতীর্থ শাহিবজাদা ফারহানের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝিতে কাটা পড়েন তিনি।

আরও পড়ুন  দীর্ঘ ১৭ বছর পর আজ দেশে ফিরছেন ডা. জোবাইদা রহমান

তবে দ্বিতীয় উইকেটে দুর্দান্ত এক ১০৩ রানের জুটি গড়ে পাকিস্তানকে জয়ের ভিত গড়ে দেন শাহিবজাদা ও মোহাম্মদ হারিস। হারিস আউট হন ৪১ রানে, তবে শাহিবজাদা খেলেন ক্যারিয়ারের প্রথম টি-টোয়েন্টি ফিফটির ইনিংস। প্রায় ছয় মাস পর জাতীয় দলে ফিরেই পিএসএলের ছন্দে ৪ চার ও ৬ ছক্কায় ৪১ বলে ৭৪ রানের ঝোড়ো ইনিংস উপহার দেন তিনি। তিনবার জীবন পেয়ে ইনিংসটি খেলেন ১৮০.৪৮ স্ট্রাইকরেটে।

শেষদিকে হাসান নওয়াজের ২৬ বলে ৫১ রানের ইনিংসে দুইশ পেরোয় পাকিস্তান। আগের ম্যাচে ৪৪ রানে থেমে যাওয়া এই তরুণ এবার ২টি চার ও ৩টি ছক্কায় ফিফটি পূর্ণ করেন। বাংলাদেশের হয়ে হাসান মাহমুদ ও তানজিম হাসান সাকিব নেন দুটি করে উইকেট।

জবাবে ব্যাটিংয়ে নেমে ভালো শুরু এনে দেন তানজিদ তামিম। ১৯ বলে ৩৩ রানে পাঁচটি চার ও একটি ছক্কায় ঝড় তোলেন তিনি। তবে তার আউটের পর থেকেই ভেঙে পড়ে বাংলাদেশ। ৫৬ রানের মধ্যে ৫ উইকেট হারায় সফরকারীরা। লিটন দাস (৬), হৃদয় (৫), জাকের আলী (০), শামীম পাটোয়ারি (৭) ও রিশাদ হোসেন (১) দ্রুত সাজঘরে ফিরে যান।

লিটন ও হৃদয়ের মাঝে রান নেওয়া নিয়ে ভুল বোঝাবুঝির পর অধিনায়কের অস্থিরতা আরও স্পষ্ট হয়, পরের বলেই বাজে শট খেলেন তিনি। এরপর দ্রুত উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় বাংলাদেশ।

শেষদিকে কিছুটা লড়াই করেন মেহেদী হাসান মিরাজ ও তানজিম সাকিব। ইনজুরির কারণে শেখ মাহেদীর পরিবর্তে দলে আসা মিরাজ করেন ১৭ বলে ২৩ রান। আর তানজিম খেলেন দারুণ এক ইনিংস—৩১ বলে ৫০ রান, যাতে ছিল ৫টি ছক্কা ও একটি চার।

তবে শরিফুল ইনজুরির কারণে তিন বল করে মাঠ ছাড়লে শেষ ওভারে গড়ায়নি বাংলাদেশ। এক ওভার বাকি থাকতেই ১৪৪ রানে অলআউট হয়ে মাঠ ছাড়ে টাইগাররা।

এই হারে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই সিরিজ হেরে বসেছে বাংলাদেশ। তৃতীয় ও শেষ ম্যাচটি এখন কেবলই সম্মান রক্ষার লড়াই।

নিউজটি শেয়ার করুন

টি-২০ সিরিজ হাতছাড়া: লাহোরে আবারো ব্যাটিং ব্যর্থ বাংলাদেশ

আপডেট সময় ১১:২৪:৫০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ মে ২০২৫

 

লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে পাকিস্তানের বিপক্ষে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচেও ব্যাটিং ব্যর্থতায় বড় ব্যবধানে হার মেনেছে বাংলাদেশ। ২০১ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ১৪৪ রানে থেমে যায় সফরকারীদের ইনিংস। ফলে ৫৭ রানে হেরে এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ খোয়ায় ফিল সিমন্সের দল।

টস হেরে প্রথমে ফিল্ডিংয়ে নামে বাংলাদেশ। প্রথম ম্যাচের মতোই এই ম্যাচেও স্বাগতিকরা ২০১ রানের বিশাল স্কোর দাঁড় করায়, ৬ উইকেট হারিয়ে। যদিও শুরুটা ভালোই করেছিল টাইগাররা। দলীয় ১২ রানে রানআউটের ফাঁদে পড়ে ফেরেন সাইম আইয়ুব। ব্যক্তিগত ৪ রানে সতীর্থ শাহিবজাদা ফারহানের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝিতে কাটা পড়েন তিনি।

আরও পড়ুন  বিনিয়োগ আকর্ষণে বাংলাদেশে দক্ষিণ কোরিয়ান প্রতিনিধি, প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক

তবে দ্বিতীয় উইকেটে দুর্দান্ত এক ১০৩ রানের জুটি গড়ে পাকিস্তানকে জয়ের ভিত গড়ে দেন শাহিবজাদা ও মোহাম্মদ হারিস। হারিস আউট হন ৪১ রানে, তবে শাহিবজাদা খেলেন ক্যারিয়ারের প্রথম টি-টোয়েন্টি ফিফটির ইনিংস। প্রায় ছয় মাস পর জাতীয় দলে ফিরেই পিএসএলের ছন্দে ৪ চার ও ৬ ছক্কায় ৪১ বলে ৭৪ রানের ঝোড়ো ইনিংস উপহার দেন তিনি। তিনবার জীবন পেয়ে ইনিংসটি খেলেন ১৮০.৪৮ স্ট্রাইকরেটে।

শেষদিকে হাসান নওয়াজের ২৬ বলে ৫১ রানের ইনিংসে দুইশ পেরোয় পাকিস্তান। আগের ম্যাচে ৪৪ রানে থেমে যাওয়া এই তরুণ এবার ২টি চার ও ৩টি ছক্কায় ফিফটি পূর্ণ করেন। বাংলাদেশের হয়ে হাসান মাহমুদ ও তানজিম হাসান সাকিব নেন দুটি করে উইকেট।

জবাবে ব্যাটিংয়ে নেমে ভালো শুরু এনে দেন তানজিদ তামিম। ১৯ বলে ৩৩ রানে পাঁচটি চার ও একটি ছক্কায় ঝড় তোলেন তিনি। তবে তার আউটের পর থেকেই ভেঙে পড়ে বাংলাদেশ। ৫৬ রানের মধ্যে ৫ উইকেট হারায় সফরকারীরা। লিটন দাস (৬), হৃদয় (৫), জাকের আলী (০), শামীম পাটোয়ারি (৭) ও রিশাদ হোসেন (১) দ্রুত সাজঘরে ফিরে যান।

লিটন ও হৃদয়ের মাঝে রান নেওয়া নিয়ে ভুল বোঝাবুঝির পর অধিনায়কের অস্থিরতা আরও স্পষ্ট হয়, পরের বলেই বাজে শট খেলেন তিনি। এরপর দ্রুত উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় বাংলাদেশ।

শেষদিকে কিছুটা লড়াই করেন মেহেদী হাসান মিরাজ ও তানজিম সাকিব। ইনজুরির কারণে শেখ মাহেদীর পরিবর্তে দলে আসা মিরাজ করেন ১৭ বলে ২৩ রান। আর তানজিম খেলেন দারুণ এক ইনিংস—৩১ বলে ৫০ রান, যাতে ছিল ৫টি ছক্কা ও একটি চার।

তবে শরিফুল ইনজুরির কারণে তিন বল করে মাঠ ছাড়লে শেষ ওভারে গড়ায়নি বাংলাদেশ। এক ওভার বাকি থাকতেই ১৪৪ রানে অলআউট হয়ে মাঠ ছাড়ে টাইগাররা।

এই হারে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই সিরিজ হেরে বসেছে বাংলাদেশ। তৃতীয় ও শেষ ম্যাচটি এখন কেবলই সম্মান রক্ষার লড়াই।