ঢাকা ০৮:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

নারী সংস্কার কমিশনের প্রস্তাবনায় কুরআন-সুন্নাহবিরোধী উপাদান রয়েছে: দাবি ইসলামী ফ্রন্টের

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৮:১৭:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ মে ২০২৫
  • / 416

 

নারীবিষয়ক সংস্কার কমিশনের সাম্প্রতিক প্রস্তাবনায় কুরআন ও সুন্নাহবিরোধী বহু বিষয় রয়েছে দাবি করে কমিশনের প্রস্তাবনা বাতিলের আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট।

সোমবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে দলটির নেতৃবৃন্দ এই দাবি জানান।

আরও পড়ুন  সংরক্ষিত নারী এমপিদের রাষ্ট্রীয় সুবিধাদির আদ্যোপান্ত

বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মহাসচিব স.উ.ম. আবদুস সামাদ লিখিত বক্তব্যে বলেন, “গত ১৯ এপ্রিল নারীবিষয়ক সংস্কার কমিশনের প্রকাশিত প্রতিবেদনটি পড়ে আমরা গভীরভাবে হতাশ হয়েছি। এই প্রতিবেদনে একপেশে ও পক্ষপাতদুষ্ট দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ পেয়েছে। নারী স্বাধীনতার নামে এতে ঈমানবিরোধী এবং ধর্মীয় অনুশাসনবিরোধী একাধিক প্রস্তাব অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ বাংলাদেশের সমাজব্যবস্থায় কুরআন ও রাসুলের (স.) সুন্নাহ অনুযায়ী জীবন পরিচালনা করা আবশ্যক। কিন্তু উক্ত প্রতিবেদনে ইসলামী মূল্যবোধের কোনো প্রতিফলন নেই বরং তা উপেক্ষা করা হয়েছে। আমরা লক্ষ্য করেছি, প্রায় ডজন খানেক বিষয়ে এমন প্রস্তাব করা হয়েছে, যা স্পষ্টতই ইসলামবিরোধী।”

আলোচনায় উল্লেখ করা হয়, “শরীর আমার, সিদ্ধান্ত আমার”, “আমরা সবাই বেশ্যা, বুঝে নেব হিস্যা” এ ধরনের স্লোগান স্রেফ উগ্রবাদী ও হিংসাত্মক মনোভাবের প্রতিফলন, যা সমাজে বিশৃঙ্খলা ও বিভ্রান্তি ছড়ায়।

তিনি বলেন, বিবাহ ও বিচ্ছেদে ধর্মীয় আইন বাধ্যতামূলক হওয়ায় নারীরা বৈষম্যের শিকার এমন মন্তব্য গ্রহণযোগ্য নয়। এ ধরনের গর্হিত ও অপ্রাসঙ্গিক বক্তব্য জাতির ঐতিহ্য ও ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানে।

বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট মনে করে, এসব প্রস্তাবনা বাতিল না করা হলে বিষয়টি জাতীয় বিতর্কে রূপ নিতে পারে।

গোলটেবিল আলোচনায় আরো উপস্থিত ছিলেন ইসলামী ফ্রন্টের চেয়ারম্যান আল্লামা এম.এ. মতিন, জাতীয় কবিতা পরিষদের সভাপতি ও দৈনিক ডেসটিনির ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক কবি মাহমুদুল হাসান নিজামী, ফ্রন্টের ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ এম. ইব্রাহিম আখতারী এবং দপ্তর সচিব মুহাম্মদ আবদুল হাকিম।

বক্তারা নারীর অধিকার নিশ্চিত করার নামে ধর্মীয় মূল্যবোধ ধ্বংসের চেষ্টার বিরুদ্ধে সবাইকে সজাগ থাকার আহ্বান জানান।

নিউজটি শেয়ার করুন

নারী সংস্কার কমিশনের প্রস্তাবনায় কুরআন-সুন্নাহবিরোধী উপাদান রয়েছে: দাবি ইসলামী ফ্রন্টের

আপডেট সময় ০৮:১৭:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ মে ২০২৫

 

নারীবিষয়ক সংস্কার কমিশনের সাম্প্রতিক প্রস্তাবনায় কুরআন ও সুন্নাহবিরোধী বহু বিষয় রয়েছে দাবি করে কমিশনের প্রস্তাবনা বাতিলের আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট।

সোমবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে দলটির নেতৃবৃন্দ এই দাবি জানান।

আরও পড়ুন  শুধু জন্মগত নারীরাই প্রকৃত নারী, রূপান্তরিতরা নয়: যুক্তরাজ্যের সুপ্রিম কোর্টের রায়

বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মহাসচিব স.উ.ম. আবদুস সামাদ লিখিত বক্তব্যে বলেন, “গত ১৯ এপ্রিল নারীবিষয়ক সংস্কার কমিশনের প্রকাশিত প্রতিবেদনটি পড়ে আমরা গভীরভাবে হতাশ হয়েছি। এই প্রতিবেদনে একপেশে ও পক্ষপাতদুষ্ট দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ পেয়েছে। নারী স্বাধীনতার নামে এতে ঈমানবিরোধী এবং ধর্মীয় অনুশাসনবিরোধী একাধিক প্রস্তাব অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ বাংলাদেশের সমাজব্যবস্থায় কুরআন ও রাসুলের (স.) সুন্নাহ অনুযায়ী জীবন পরিচালনা করা আবশ্যক। কিন্তু উক্ত প্রতিবেদনে ইসলামী মূল্যবোধের কোনো প্রতিফলন নেই বরং তা উপেক্ষা করা হয়েছে। আমরা লক্ষ্য করেছি, প্রায় ডজন খানেক বিষয়ে এমন প্রস্তাব করা হয়েছে, যা স্পষ্টতই ইসলামবিরোধী।”

আলোচনায় উল্লেখ করা হয়, “শরীর আমার, সিদ্ধান্ত আমার”, “আমরা সবাই বেশ্যা, বুঝে নেব হিস্যা” এ ধরনের স্লোগান স্রেফ উগ্রবাদী ও হিংসাত্মক মনোভাবের প্রতিফলন, যা সমাজে বিশৃঙ্খলা ও বিভ্রান্তি ছড়ায়।

তিনি বলেন, বিবাহ ও বিচ্ছেদে ধর্মীয় আইন বাধ্যতামূলক হওয়ায় নারীরা বৈষম্যের শিকার এমন মন্তব্য গ্রহণযোগ্য নয়। এ ধরনের গর্হিত ও অপ্রাসঙ্গিক বক্তব্য জাতির ঐতিহ্য ও ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানে।

বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট মনে করে, এসব প্রস্তাবনা বাতিল না করা হলে বিষয়টি জাতীয় বিতর্কে রূপ নিতে পারে।

গোলটেবিল আলোচনায় আরো উপস্থিত ছিলেন ইসলামী ফ্রন্টের চেয়ারম্যান আল্লামা এম.এ. মতিন, জাতীয় কবিতা পরিষদের সভাপতি ও দৈনিক ডেসটিনির ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক কবি মাহমুদুল হাসান নিজামী, ফ্রন্টের ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ এম. ইব্রাহিম আখতারী এবং দপ্তর সচিব মুহাম্মদ আবদুল হাকিম।

বক্তারা নারীর অধিকার নিশ্চিত করার নামে ধর্মীয় মূল্যবোধ ধ্বংসের চেষ্টার বিরুদ্ধে সবাইকে সজাগ থাকার আহ্বান জানান।