ঢাকা ০২:৫২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
টকশো ও সোশ্যাল মিডিয়ার বিভ্রান্তি থেকে সতর্ক থাকতে হবে: মির্জা ফখরুল রুশ তেল আমদানিতে ৬০ দিনের ‘বিশেষ ছাড়’ পেল বাংলাদেশ ইন্দোনেশিয়ায় হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে ৮ আরোহীর সবার মৃত্যু শেখ হাসিনাকে ফেরানোর অনুরোধ খতিয়ে দেখছে ভারত: নয়াদিল্লির আনুষ্ঠানিক বার্তা অস্ট্রিয়া—সংগীত, ইতিহাস ও পাহাড়ের দেশ চাঁদ জয়ের রেকর্ড গড়া নভোচারীদের, রাজকীয় সংবর্ধনা সিনেমার বাইরে বাস্তব নাটক—রোহিত শেঠির বাড়িতে গুলির ঘটনায় গ্রেপ্তার কুষ্টিয়ায় অনির্দিষ্টকালের বাস ধর্মঘট, ভোগান্তিতে যাত্রীরা ‘ক্লান্ত’ মির্জা ফখরুল কি তবে পরবর্তী রাষ্ট্রপতি? গুঞ্জন ও আগামীর সমীকরণ খাবার শেষে পানি পান: উপকার নাকি ক্ষতি—চিকিৎসকরা কী বলছেন

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পদত্যাগ দাবি জানালো গণ অধিকার পরিষদ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৮:৩০:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ মে ২০২৫
  • / 239

ছবি সংগৃহীত

 

সাবেক রাষ্ট্রপতি ও হত্যা মামলার আসামি আবদুল হামিদের দেশত্যাগে সহযোগিতার অভিযোগে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পদত্যাগ দাবি করেছে গণ অধিকার পরিষদ। তারা দাবি করেছে, আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাকে পদত্যাগ করতে হবে, অন্যথায় দেশব্যাপী আন্দোলনের ঘোষণা দিয়েছে সংগঠনটি।

বৃহস্পতিবার (৮ মে) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ঘেরাও ও স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পদত্যাগের দাবিতে স্মারকলিপি পেশ করে গণ অধিকার পরিষদ। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মো. রাশেদ খান। ১২ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. আতাউর রহমান খানের কাছে স্মারকলিপি হস্তান্তর করে।

আরও পড়ুন  শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীই অভিযানের অধিকারী: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

স্মারকলিপিতে বলা হয়, “গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সহায়তায় ‘ডামি রাষ্ট্রপতি’ ও হত্যা মামলার আসামি আবদুল হামিদ বৃহস্পতিবার (৮ মে) রাত ৩টা ৫ মিনিটে তার ছেলে ও শ্যালকসহ দেশত্যাগ করেছেন। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা কীভাবে এমন একজন ব্যক্তিকে দেশত্যাগে সহায়তা করলেন? এই ঘটনার দায়ভার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে নিতে হবে।”

গণ অধিকার পরিষদের পক্ষ থেকে বলা হয়, সরকারকে ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম দেওয়া হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে দেশত্যাগে সহযোগিতার যথাযথ ব্যাখ্যা, দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা এবং আবদুল হামিদকে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া না হলে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাকে পদত্যাগ করতে হবে। তা না হলে দেশজুড়ে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেয়া হয়েছে।

স্মারকলিপিতে আরো বলা হয়, “এই সরকার ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের ফসল। জুলাই গণহত্যার বিচার, আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ ঘোষণা, রাষ্ট্র সংস্কার, আহতদের পুনর্বাসন এবং শহীদদের মর্যাদা দেওয়ার দায়িত্ব আপনাদের কাঁধে। কিন্তু বর্তমানে দেখা যাচ্ছে, সেই দায়িত্ব পালন না করে আপনারা ধীরে ধীরে আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসন করছেন। এটা জনগণের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা।”

সংগঠনের পক্ষ থেকে সরকারের বর্তমান অবস্থান নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলা হয়, “গণ-অভ্যুত্থানের অংশীজনদের পক্ষ থেকে আমরা আপনাদের প্রতি ধিক্কার ও ঘৃণা জানাচ্ছি।

নিউজটি শেয়ার করুন

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পদত্যাগ দাবি জানালো গণ অধিকার পরিষদ

আপডেট সময় ০৮:৩০:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ মে ২০২৫

 

সাবেক রাষ্ট্রপতি ও হত্যা মামলার আসামি আবদুল হামিদের দেশত্যাগে সহযোগিতার অভিযোগে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পদত্যাগ দাবি করেছে গণ অধিকার পরিষদ। তারা দাবি করেছে, আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাকে পদত্যাগ করতে হবে, অন্যথায় দেশব্যাপী আন্দোলনের ঘোষণা দিয়েছে সংগঠনটি।

বৃহস্পতিবার (৮ মে) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ঘেরাও ও স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পদত্যাগের দাবিতে স্মারকলিপি পেশ করে গণ অধিকার পরিষদ। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মো. রাশেদ খান। ১২ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. আতাউর রহমান খানের কাছে স্মারকলিপি হস্তান্তর করে।

আরও পড়ুন  দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

স্মারকলিপিতে বলা হয়, “গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সহায়তায় ‘ডামি রাষ্ট্রপতি’ ও হত্যা মামলার আসামি আবদুল হামিদ বৃহস্পতিবার (৮ মে) রাত ৩টা ৫ মিনিটে তার ছেলে ও শ্যালকসহ দেশত্যাগ করেছেন। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা কীভাবে এমন একজন ব্যক্তিকে দেশত্যাগে সহায়তা করলেন? এই ঘটনার দায়ভার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে নিতে হবে।”

গণ অধিকার পরিষদের পক্ষ থেকে বলা হয়, সরকারকে ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম দেওয়া হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে দেশত্যাগে সহযোগিতার যথাযথ ব্যাখ্যা, দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা এবং আবদুল হামিদকে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া না হলে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাকে পদত্যাগ করতে হবে। তা না হলে দেশজুড়ে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেয়া হয়েছে।

স্মারকলিপিতে আরো বলা হয়, “এই সরকার ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের ফসল। জুলাই গণহত্যার বিচার, আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ ঘোষণা, রাষ্ট্র সংস্কার, আহতদের পুনর্বাসন এবং শহীদদের মর্যাদা দেওয়ার দায়িত্ব আপনাদের কাঁধে। কিন্তু বর্তমানে দেখা যাচ্ছে, সেই দায়িত্ব পালন না করে আপনারা ধীরে ধীরে আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসন করছেন। এটা জনগণের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা।”

সংগঠনের পক্ষ থেকে সরকারের বর্তমান অবস্থান নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলা হয়, “গণ-অভ্যুত্থানের অংশীজনদের পক্ষ থেকে আমরা আপনাদের প্রতি ধিক্কার ও ঘৃণা জানাচ্ছি।