ঢাকা ০১:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন তারেক রহমান মেসিকে ছাড়াই দেশে টিম আর্জেন্টিনা, লাল গালিচায় উষ্ণ অভ্যর্থনা সাতক্ষীরায় শিশুর মরদেহ আলমারি থেকে উদ্ধার, গণপিটুনিতে নিহত অভিযুক্ত নারী ইরানে টানা মার্কিন হামলার দশম দিন, পাল্টা হামলা কুয়েতে দাবি ইরানের ১৯ জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত ‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা

মালয়েশিয়ায় ১০৭ বাংলাদেশিসহ ১৬২ অবৈধ অভিবাসী গ্রেপ্তার

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:১০:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ মে ২০২৫
  • / 403

ছবি: সংগৃহীত

 

মালয়েশিয়ায় ‘টার্গেটেড স্ট্রাইক অপারেশন’ চালিয়ে দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ ১০৭ জন বাংলাদেশিসহ মোট ১৬২ জন অবৈধ অভিবাসীকে গ্রেপ্তার করেছে। বুধবার (৭ মে) কুয়ালালামপুর ও পেরাক রাজ্যের দুটি আলাদা এলাকায় এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।

কুয়ালালামপুর ইমিগ্রেশনের পরিচালক ওয়ান মোহাম্মদ সৌপি ওয়ান ইউসুফ জানান, শহরের জালান কুচিং এলাকায় একটি কনডোমিনিয়ামের নির্মাণ প্রকল্পে স্থানীয় সময় সকাল ১০টা ৩০ মিনিট থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত অভিযান চালানো হয়। সেখানে প্রায় ২০০ বিদেশি কর্মীর কাগজপত্র যাচাই করা হলে ৬০ জনের বৈধ কাগজপত্র না থাকায় তাদের আটক করা হয়।

আরও পড়ুন  মাই টিভির চেয়ারম্যান হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার

গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে ৪১ জন বাংলাদেশি, বাকিরা ইন্দোনেশিয়া, মিয়ানমার ও ভারতের নাগরিক। অভিযানের আগে এক সপ্তাহ ধরে গোয়েন্দা তদন্ত চালানো হয় বলে জানান ইমিগ্রেশন পরিচালক। তদন্তে উঠে আসে, প্রকল্পটির মালিকপক্ষ অবৈধ শ্রমিক নিয়োগ দিয়েছিল। গ্রেপ্তারকৃতদের বয়স ২৫ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে এবং তাদের বুকিত জলিল ইমিগ্রেশন ডিটেনশন সেন্টারে পাঠানো হয়েছে।

একই দিনে, পেরাক রাজ্যের ইপোহ এলাকার বার্চাম অঞ্চলে আরেকটি নির্মাণস্থলে অভিযান চালিয়ে আরও ৯২ জন অবৈধ অভিবাসীকে আটক করা হয়। এদের মধ্যে ৬৬ জন বাংলাদেশি, ১২ জন ইন্দোনেশিয়ান, ৯ জন নেপালি, ৪ জন মিয়ানমার ও ১ জন পাকিস্তানি নাগরিক। তাদের বয়স ২০ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে। এই অভিবাসীদের ইপোহ ইমিগ্রেশন ডিপোতে রাখা হয়েছে।

মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগ জানায়, বৈধ কাগজপত্র ও কর্মসংস্থানের অনুমতি ছাড়া অবস্থানকারী বিদেশিদের বিরুদ্ধে অভিযান আরও জোরদার করা হবে। নির্মাণ খাতে অবৈধ অভিবাসীদের ব্যবহার বাড়তে থাকায় সরকার এই খাতে নজরদারি বাড়িয়েছে।

দেশটির অভিবাসন আইন ১৯৫৯/৬৩ অনুযায়ী, বৈধ কাগজপত্র ছাড়া অবস্থান, অবৈধভাবে কাজ করা বা অবৈধ নিয়োগদাতার অধীনে কর্মরত থাকলে কঠোর শাস্তির বিধান রয়েছে। বর্তমানে আটক অভিবাসীদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

মালয়েশিয়ায় ১০৭ বাংলাদেশিসহ ১৬২ অবৈধ অভিবাসী গ্রেপ্তার

আপডেট সময় ০১:১০:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ মে ২০২৫

 

মালয়েশিয়ায় ‘টার্গেটেড স্ট্রাইক অপারেশন’ চালিয়ে দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ ১০৭ জন বাংলাদেশিসহ মোট ১৬২ জন অবৈধ অভিবাসীকে গ্রেপ্তার করেছে। বুধবার (৭ মে) কুয়ালালামপুর ও পেরাক রাজ্যের দুটি আলাদা এলাকায় এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।

কুয়ালালামপুর ইমিগ্রেশনের পরিচালক ওয়ান মোহাম্মদ সৌপি ওয়ান ইউসুফ জানান, শহরের জালান কুচিং এলাকায় একটি কনডোমিনিয়ামের নির্মাণ প্রকল্পে স্থানীয় সময় সকাল ১০টা ৩০ মিনিট থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত অভিযান চালানো হয়। সেখানে প্রায় ২০০ বিদেশি কর্মীর কাগজপত্র যাচাই করা হলে ৬০ জনের বৈধ কাগজপত্র না থাকায় তাদের আটক করা হয়।

আরও পড়ুন  ফ্রান্স-মালয়েশিয়া সম্পর্কের নতুন মাইলফলক: ২০ বিলিয়ন ডলারের বিমান চুক্তি

গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে ৪১ জন বাংলাদেশি, বাকিরা ইন্দোনেশিয়া, মিয়ানমার ও ভারতের নাগরিক। অভিযানের আগে এক সপ্তাহ ধরে গোয়েন্দা তদন্ত চালানো হয় বলে জানান ইমিগ্রেশন পরিচালক। তদন্তে উঠে আসে, প্রকল্পটির মালিকপক্ষ অবৈধ শ্রমিক নিয়োগ দিয়েছিল। গ্রেপ্তারকৃতদের বয়স ২৫ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে এবং তাদের বুকিত জলিল ইমিগ্রেশন ডিটেনশন সেন্টারে পাঠানো হয়েছে।

একই দিনে, পেরাক রাজ্যের ইপোহ এলাকার বার্চাম অঞ্চলে আরেকটি নির্মাণস্থলে অভিযান চালিয়ে আরও ৯২ জন অবৈধ অভিবাসীকে আটক করা হয়। এদের মধ্যে ৬৬ জন বাংলাদেশি, ১২ জন ইন্দোনেশিয়ান, ৯ জন নেপালি, ৪ জন মিয়ানমার ও ১ জন পাকিস্তানি নাগরিক। তাদের বয়স ২০ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে। এই অভিবাসীদের ইপোহ ইমিগ্রেশন ডিপোতে রাখা হয়েছে।

মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগ জানায়, বৈধ কাগজপত্র ও কর্মসংস্থানের অনুমতি ছাড়া অবস্থানকারী বিদেশিদের বিরুদ্ধে অভিযান আরও জোরদার করা হবে। নির্মাণ খাতে অবৈধ অভিবাসীদের ব্যবহার বাড়তে থাকায় সরকার এই খাতে নজরদারি বাড়িয়েছে।

দেশটির অভিবাসন আইন ১৯৫৯/৬৩ অনুযায়ী, বৈধ কাগজপত্র ছাড়া অবস্থান, অবৈধভাবে কাজ করা বা অবৈধ নিয়োগদাতার অধীনে কর্মরত থাকলে কঠোর শাস্তির বিধান রয়েছে। বর্তমানে আটক অভিবাসীদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।