ঢাকা ১০:০৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
ইরানে টানা মার্কিন হামলার দশম দিন, পাল্টা হামলা কুয়েতে দাবি ইরানের ১৯ জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত ‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশলের ভুলে শিরোপা হারাল আর্জেন্টিনা; বিবিসির বিশ্লেষণ দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষ, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ

শ্রমিক-মালিকের ঐক্যই নতুন বাংলাদেশ গড়ার চাবিকাঠি: প্রধান উপদেষ্টা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:০৪:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ মে ২০২৫
  • / 505

ছবি: সংগৃহীত

 

ছাত্র-শ্রমিক-জনতার ঐক্যবদ্ধ গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্য ও সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

বৃহস্পতিবার (১ মে) ‘মহান মে দিবস’ ও ‘জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেইফটি দিবস-২০২৫’ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ আহ্বান জানান।

আরও পড়ুন  যুক্তরাজ্যের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক

বাণীতে ড. ইউনূস বলেন, “বিশ্বের শ্রমজীবী মানুষের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করতে দেশজুড়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান মে দিবস পালিত হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত। ১৮৮৬ সালের ১ মে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগোর হে মার্কেটের রক্তক্ষয়ী আন্দোলনের মধ্য দিয়ে দৈনিক ৮ ঘণ্টা শ্রম, ন্যায্য মজুরি ও শ্রমের মর্যাদার যে দাবি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, তা আজও শ্রমিক আন্দোলনের অনুপ্রেরণা হয়ে রয়েছে।”

তিনি আত্মত্যাগকারী শ্রমিকদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা জানান এবং বলেন, “এই দিনটি শুধু স্মরণ করার নয়, বরং শ্রমজীবী মানুষের অধিকার রক্ষায় প্রতিজ্ঞা পুনর্বার করার সময়।”

ড. ইউনূস আরও বলেন, “শ্রমিক-মালিক সুসম্পর্কের ভিত্তিতে দেশের অর্থনীতি এগিয়ে নিতে মে দিবস অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এ বছরের প্রতিপাদ্য ‘শ্রমিক-মালিক এক হয়ে, গড়বো এদেশ নতুন করে’ — এই আহ্বানই আমাদের টেকসই উন্নয়নের পথে চালিত করবে। আমি বিশ্বাস করি, শ্রমিক ও মালিক পরস্পরের পরিপূরক এবং তাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টাই একটি আত্মনির্ভর ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারে।”

তিনি আরও বলেন, “পোশাক খাত থেকে শুরু করে কৃষি, শিল্প, নির্মাণ, পরিবহন ও প্রযুক্তি খাত—সব ক্ষেত্রেই শ্রমিক ও মালিকের মেধা ও পরিশ্রমের ছাপ রয়েছে। আসন্ন জুলাই-আগস্টে অনুষ্ঠিতব্য ছাত্র-শ্রমিক-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে বৈষম্যহীন সমাজ গঠনের যে স্বপ্ন আমরা দেখছি, তা সফল করতে হবে আমাদের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার মাধ্যমে।”

‘জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেইফটি দিবস’-এর গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, “শ্রমিকদের জন্য নিরাপদ ও স্বাস্থ্যকর কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা শুধু তাদের অধিকারই নয়, এটি দেশের শিল্প ও অর্থনৈতিক অগ্রগতির জন্য অপরিহার্য। শ্রমিকের জীবনমান উন্নয়ন মানেই দেশের সার্বিক উন্নয়ন।”

শেষে ড. ইউনূস আশাবাদ ব্যক্ত করেন, শ্রমিক ও মালিকের অংশীদারিত্বের মাধ্যমে দেশের উন্নয়ন-যাত্রা আরও গতিশীল ও সমৃদ্ধ হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

শ্রমিক-মালিকের ঐক্যই নতুন বাংলাদেশ গড়ার চাবিকাঠি: প্রধান উপদেষ্টা

আপডেট সময় ১২:০৪:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ মে ২০২৫

 

ছাত্র-শ্রমিক-জনতার ঐক্যবদ্ধ গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্য ও সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

বৃহস্পতিবার (১ মে) ‘মহান মে দিবস’ ও ‘জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেইফটি দিবস-২০২৫’ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ আহ্বান জানান।

আরও পড়ুন  বাংলাদেশসহ বিশ্বের ৩৪টি দেশ থেকে ৫ লাখ শ্রমিক নেবে ইতালি

বাণীতে ড. ইউনূস বলেন, “বিশ্বের শ্রমজীবী মানুষের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করতে দেশজুড়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান মে দিবস পালিত হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত। ১৮৮৬ সালের ১ মে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগোর হে মার্কেটের রক্তক্ষয়ী আন্দোলনের মধ্য দিয়ে দৈনিক ৮ ঘণ্টা শ্রম, ন্যায্য মজুরি ও শ্রমের মর্যাদার যে দাবি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, তা আজও শ্রমিক আন্দোলনের অনুপ্রেরণা হয়ে রয়েছে।”

তিনি আত্মত্যাগকারী শ্রমিকদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা জানান এবং বলেন, “এই দিনটি শুধু স্মরণ করার নয়, বরং শ্রমজীবী মানুষের অধিকার রক্ষায় প্রতিজ্ঞা পুনর্বার করার সময়।”

ড. ইউনূস আরও বলেন, “শ্রমিক-মালিক সুসম্পর্কের ভিত্তিতে দেশের অর্থনীতি এগিয়ে নিতে মে দিবস অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এ বছরের প্রতিপাদ্য ‘শ্রমিক-মালিক এক হয়ে, গড়বো এদেশ নতুন করে’ — এই আহ্বানই আমাদের টেকসই উন্নয়নের পথে চালিত করবে। আমি বিশ্বাস করি, শ্রমিক ও মালিক পরস্পরের পরিপূরক এবং তাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টাই একটি আত্মনির্ভর ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারে।”

তিনি আরও বলেন, “পোশাক খাত থেকে শুরু করে কৃষি, শিল্প, নির্মাণ, পরিবহন ও প্রযুক্তি খাত—সব ক্ষেত্রেই শ্রমিক ও মালিকের মেধা ও পরিশ্রমের ছাপ রয়েছে। আসন্ন জুলাই-আগস্টে অনুষ্ঠিতব্য ছাত্র-শ্রমিক-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে বৈষম্যহীন সমাজ গঠনের যে স্বপ্ন আমরা দেখছি, তা সফল করতে হবে আমাদের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার মাধ্যমে।”

‘জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেইফটি দিবস’-এর গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, “শ্রমিকদের জন্য নিরাপদ ও স্বাস্থ্যকর কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা শুধু তাদের অধিকারই নয়, এটি দেশের শিল্প ও অর্থনৈতিক অগ্রগতির জন্য অপরিহার্য। শ্রমিকের জীবনমান উন্নয়ন মানেই দেশের সার্বিক উন্নয়ন।”

শেষে ড. ইউনূস আশাবাদ ব্যক্ত করেন, শ্রমিক ও মালিকের অংশীদারিত্বের মাধ্যমে দেশের উন্নয়ন-যাত্রা আরও গতিশীল ও সমৃদ্ধ হবে।