ঢাকা ০১:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যুক্তরাজ্যের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:৩২:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ জুন ২০২৫
  • / 215

ছবি: সংগৃহীত

 

যুক্তরাজ্য সফররত বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বুধবার সকালে যুক্তরাজ্যের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জোনাথন পাওয়েলের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেছেন। লন্ডন সময় সকাল ৯টায় অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে আঞ্চলিক নিরাপত্তা, বৈশ্বিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতি এবং জলবায়ু পরিবর্তনজনিত চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা হয়।

সফরের দ্বিতীয় দিনজুড়ে অধ্যাপক ইউনূসের ব্যস্ততা ছিল বিভিন্ন উচ্চপর্যায়ের বৈঠক ও নীতি সংলাপ নিয়ে।

আরও পড়ুন  স্থায়ী কমিটির বৈঠক ডেকেছে বিএনপি

বৈঠক শেষে সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে লন্ডনের খ্যাতনামা গবেষণা প্রতিষ্ঠান চ্যাথাম হাউসের এশিয়া-প্যাসিফিক প্রোগ্রামের পরিচালক বেন ব্ল্যান্ড ও দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক জ্যেষ্ঠ গবেষক ড. চিয়েটিজ বাজপাই অধ্যাপক ইউনূসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

সকাল ১১টায় চ্যাথাম হাউসের মূল সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এক নীতি সংলাপে অধ্যাপক ইউনূস মূল বক্তা হিসেবে অংশ নেন। সংলাপে ব্রিটেন ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনের কূটনীতিক, গবেষক ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। আলোচনায় গুরুত্ব পায় টেকসই উন্নয়ন, সামাজিক ব্যবসা, জলবায়ু সঙ্কট ও দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনৈতিক বাস্তবতা।

নীতি সংলাপ শেষে দুপুর ১২টা ৪০ মিনিটে চ্যাথাম হাউসের ‘ম্যালকম রুম’-এ অধ্যাপক ইউনূসের সম্মানে এক অভ্যর্থনার আয়োজন করা হয়।

দিনের শেষভাগে, সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত অধ্যাপক ইউনূস অংশ নেন সেন্ট জেমস প্যালেসে আয়োজিত এক রাজকীয় নৈশভোজে। রাজা তৃতীয় চার্লসের ‘দ্য কিংস ফাউন্ডেশন’-এর ৩৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে এই নৈশভোজের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে রাজা চার্লস নিজেও উপস্থিত ছিলেন এবং অধ্যাপক ইউনূসের সঙ্গে তার সাক্ষাৎ হওয়ার কথা রয়েছে।

উল্লেখ্য, অধ্যাপক ইউনূস ও রাজা চার্লস (তৎকালীন প্রিন্স চার্লস) দীর্ঘদিন ধরেই সামাজিক ব্যবসা, পরিবেশ সংরক্ষণ ও দারিদ্র্য বিমোচন বিষয়ে আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে একসঙ্গে কাজ করে আসছেন। তাদের যৌথ উদ্যোগ ও ভাবনার ফলে এসব খাতে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি সাধিত হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট মহল আশা করছে, অধ্যাপক ইউনূসের এই সফরের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে এবং দুই দেশের জনগণের মধ্যকার বন্ধন হবে আরও গভীর।

নিউজটি শেয়ার করুন

যুক্তরাজ্যের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক

আপডেট সময় ০৪:৩২:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ জুন ২০২৫

 

যুক্তরাজ্য সফররত বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বুধবার সকালে যুক্তরাজ্যের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জোনাথন পাওয়েলের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেছেন। লন্ডন সময় সকাল ৯টায় অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে আঞ্চলিক নিরাপত্তা, বৈশ্বিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতি এবং জলবায়ু পরিবর্তনজনিত চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা হয়।

সফরের দ্বিতীয় দিনজুড়ে অধ্যাপক ইউনূসের ব্যস্ততা ছিল বিভিন্ন উচ্চপর্যায়ের বৈঠক ও নীতি সংলাপ নিয়ে।

আরও পড়ুন  সরকার কখনও মব জাস্টিসকে বরদাশত করে না: পরিবেশ উপদেষ্টা

বৈঠক শেষে সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে লন্ডনের খ্যাতনামা গবেষণা প্রতিষ্ঠান চ্যাথাম হাউসের এশিয়া-প্যাসিফিক প্রোগ্রামের পরিচালক বেন ব্ল্যান্ড ও দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক জ্যেষ্ঠ গবেষক ড. চিয়েটিজ বাজপাই অধ্যাপক ইউনূসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

সকাল ১১টায় চ্যাথাম হাউসের মূল সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এক নীতি সংলাপে অধ্যাপক ইউনূস মূল বক্তা হিসেবে অংশ নেন। সংলাপে ব্রিটেন ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনের কূটনীতিক, গবেষক ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। আলোচনায় গুরুত্ব পায় টেকসই উন্নয়ন, সামাজিক ব্যবসা, জলবায়ু সঙ্কট ও দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনৈতিক বাস্তবতা।

নীতি সংলাপ শেষে দুপুর ১২টা ৪০ মিনিটে চ্যাথাম হাউসের ‘ম্যালকম রুম’-এ অধ্যাপক ইউনূসের সম্মানে এক অভ্যর্থনার আয়োজন করা হয়।

দিনের শেষভাগে, সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত অধ্যাপক ইউনূস অংশ নেন সেন্ট জেমস প্যালেসে আয়োজিত এক রাজকীয় নৈশভোজে। রাজা তৃতীয় চার্লসের ‘দ্য কিংস ফাউন্ডেশন’-এর ৩৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে এই নৈশভোজের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে রাজা চার্লস নিজেও উপস্থিত ছিলেন এবং অধ্যাপক ইউনূসের সঙ্গে তার সাক্ষাৎ হওয়ার কথা রয়েছে।

উল্লেখ্য, অধ্যাপক ইউনূস ও রাজা চার্লস (তৎকালীন প্রিন্স চার্লস) দীর্ঘদিন ধরেই সামাজিক ব্যবসা, পরিবেশ সংরক্ষণ ও দারিদ্র্য বিমোচন বিষয়ে আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে একসঙ্গে কাজ করে আসছেন। তাদের যৌথ উদ্যোগ ও ভাবনার ফলে এসব খাতে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি সাধিত হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট মহল আশা করছে, অধ্যাপক ইউনূসের এই সফরের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে এবং দুই দেশের জনগণের মধ্যকার বন্ধন হবে আরও গভীর।