ঢাকা ১২:৫৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
হরমুজ প্রণালি থেকে দুটি জাহাজ জব্দ করল ইরান হাম ও উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৫ শিশুর মৃত্যু ক্রোয়েশিয়া সমুদ্র, ইতিহাস আর ইউরোপীয় সৌন্দর্যের দেশ আধুনিক কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা: জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় সরকারের বিশেষ রোডম্যাপ দায়বদ্ধতাহীন ভালোবাসার নতুন নাম ‘ন্যানোশিপ’, বিশেষজ্ঞরা দিচ্ছেন সতর্কবার্তা ঢাকার ইতিহাসে প্রথম নারী ডিসি ফরিদা খানম নেত্রকোনায় জমি নিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে নারী নিহত, আহত অন্তত ৩০ ইন্টারনেট প্যাকেজের মেয়াদ নিয়ে গ্রাহক স্বার্থ রক্ষায় সক্রিয় সরকার; সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জুলাই থেকে শিক্ষার্থীদের মিলবে পাটের তৈরি স্কুলব্যাগ ও পোশাক যে ৭ পাম্পে ২৫% অতিরিক্ত অকটেন দিচ্ছে বিপিসি

ইরানে ভয়াবহ বিস্ফোরণে আহত ৫৬১ ছাড়ালো, দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা জারি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৮:২১:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৫
  • / 248

ছবি সংগৃহীত

 

ইরানের দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত শহিদ রাজি বন্দরে এক ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। বিস্ফোরণের পরপরই জরুরি উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে।

প্রচণ্ড শক্তিশালী ওই বিস্ফোরণের ফলে বন্দরে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। হরমোজান প্রদেশের জরুরি দপ্তর সূত্রে জানা যায়, একটি ফুয়েল ট্যাঙ্কারে বিস্ফোরণের ফলে অন্তত ৫৬১ জন আহত হয়েছেন। তবে কী কারণে এই বিস্ফোরণ ঘটেছে তা এখনো নিশ্চিত করা যায়নি।

আরও পড়ুন  ইসরায়েলের হামলা চললে পারমাণবিক আলোচনা নয়: ইরানের প্রেসিডেন্টের হুঁশিয়ারি

আহতদের দ্রুত হরমোজান প্রদেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হরমোজান সংকট ব্যবস্থাপনা দপ্তরের প্রধান বলেন, “বিস্ফোরণটি অত্যন্ত শক্তিশালী ছিল এবং এখনো এর প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে কাজ চলছে।”

প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, বন্দরের একটি প্রশাসনিক ভবন থেকেই বিস্ফোরণের সূত্রপাত। বিস্ফোরণে ভবনটি সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস হয়ে গেছে এবং এর আশপাশে থাকা একাধিক যানবাহনও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

পরিস্থিতি মোকাবিলায় বন্দরের সকল কার্যক্রম আপাতত স্থগিত করা হয়েছে। নিরাপত্তা এবং উদ্ধারকারী বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্কতায় কাজ করছে। আহতের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় স্থানীয় হাসপাতালগুলোতে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে।

ফারসি নিউজ জানিয়েছে, বিস্ফোরণের শব্দ এতটাই তীব্র ছিল যে, কাশেম শহর থেকেও তা শোনা গেছে। উল্লেখ্য, কাশেম শহর বন্দর আব্বাস থেকে প্রায় ২৬ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।

এদিকে, ২০২০ সালে এই শহিদ রাজি বন্দর সাইবার হামলার শিকার হয়েছিল। ওই হামলায় বন্দরের কম্পিউটার নেটওয়ার্ক অচল হয়ে পড়ায় পানিপথ ও সড়কপথে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছিল। দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট সে সময় জানিয়েছিল, ইসরায়েল ওই সাইবার হামলার পেছনে জড়িত থাকতে পারে, যা ইরানের একটি আগের সাইবার হামলার পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হয়েছিল।

তবে এবারকার বিস্ফোরণের ঘটনায় ইসরায়েল সেনাবাহিনী কিংবা প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর দপ্তর থেকে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

ইরানে ভয়াবহ বিস্ফোরণে আহত ৫৬১ ছাড়ালো, দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা জারি

আপডেট সময় ০৮:২১:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৫

 

ইরানের দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত শহিদ রাজি বন্দরে এক ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। বিস্ফোরণের পরপরই জরুরি উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে।

প্রচণ্ড শক্তিশালী ওই বিস্ফোরণের ফলে বন্দরে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। হরমোজান প্রদেশের জরুরি দপ্তর সূত্রে জানা যায়, একটি ফুয়েল ট্যাঙ্কারে বিস্ফোরণের ফলে অন্তত ৫৬১ জন আহত হয়েছেন। তবে কী কারণে এই বিস্ফোরণ ঘটেছে তা এখনো নিশ্চিত করা যায়নি।

আরও পড়ুন  ইসরাইলকে ফাঁকি! বেঁচে আছেন ইরানের আইআরজিসি প্রধান ইসমাইল কানি: রিপোর্ট

আহতদের দ্রুত হরমোজান প্রদেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হরমোজান সংকট ব্যবস্থাপনা দপ্তরের প্রধান বলেন, “বিস্ফোরণটি অত্যন্ত শক্তিশালী ছিল এবং এখনো এর প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে কাজ চলছে।”

প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, বন্দরের একটি প্রশাসনিক ভবন থেকেই বিস্ফোরণের সূত্রপাত। বিস্ফোরণে ভবনটি সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস হয়ে গেছে এবং এর আশপাশে থাকা একাধিক যানবাহনও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

পরিস্থিতি মোকাবিলায় বন্দরের সকল কার্যক্রম আপাতত স্থগিত করা হয়েছে। নিরাপত্তা এবং উদ্ধারকারী বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্কতায় কাজ করছে। আহতের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় স্থানীয় হাসপাতালগুলোতে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে।

ফারসি নিউজ জানিয়েছে, বিস্ফোরণের শব্দ এতটাই তীব্র ছিল যে, কাশেম শহর থেকেও তা শোনা গেছে। উল্লেখ্য, কাশেম শহর বন্দর আব্বাস থেকে প্রায় ২৬ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।

এদিকে, ২০২০ সালে এই শহিদ রাজি বন্দর সাইবার হামলার শিকার হয়েছিল। ওই হামলায় বন্দরের কম্পিউটার নেটওয়ার্ক অচল হয়ে পড়ায় পানিপথ ও সড়কপথে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছিল। দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট সে সময় জানিয়েছিল, ইসরায়েল ওই সাইবার হামলার পেছনে জড়িত থাকতে পারে, যা ইরানের একটি আগের সাইবার হামলার পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হয়েছিল।

তবে এবারকার বিস্ফোরণের ঘটনায় ইসরায়েল সেনাবাহিনী কিংবা প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর দপ্তর থেকে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।