ঢাকা ১২:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন তারেক রহমান মেসিকে ছাড়াই দেশে টিম আর্জেন্টিনা, লাল গালিচায় উষ্ণ অভ্যর্থনা সাতক্ষীরায় শিশুর মরদেহ আলমারি থেকে উদ্ধার, গণপিটুনিতে নিহত অভিযুক্ত নারী ইরানে টানা মার্কিন হামলার দশম দিন, পাল্টা হামলা কুয়েতে দাবি ইরানের ১৯ জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত ‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ

ই*স*রা*য়ে*লের ভয়াবহ হামলা গা/জা/য় আরো ২৫ ফিলিস্তিনি নিহত

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৮:৩৫:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৫
  • / 389

ছবি সংগৃহীত

 

গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বাহিনীর সর্বশেষ হামলায় আরও ২৫ ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছেন। বুধবার সকাল থেকে বিভিন্ন এলাকায় চালানো এই হামলায় হতাহতের সংখ্যা বাড়তে থাকে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানায়, নতুন এ মৃত্যুর ঘটনায় গাজায় মোট নিহতের সংখ্যা গিয়ে দাঁড়িয়েছে ৫১ হাজার ২৫ জনে।

২০২৫ সালের ১৮ মার্চ হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যকার যুদ্ধবিরতি ভঙ্গ হওয়ার পর থেকেই সহিংসতা বেড়েছে। এই সময়ের মধ্যে ইসরায়েলি হামলায় কমপক্ষে ১ হাজার ৬৫২ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন আরও ৪ হাজার ৩৯১ জন।

আরও পড়ুন  গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নিহত আরও ৩২ ফিলিস্তিনি

তবে যুদ্ধের সূত্রপাত ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে। ওই দিন থেকে শুরু হওয়া লাগাতার হামলায় এ পর্যন্ত গাজা উপত্যকায় প্রাণ হারিয়েছেন ৫১ হাজার ২৫ জন ফিলিস্তিনি। এছাড়া আহত হয়েছেন অন্তত ১ লাখ ১৬ হাজার ৪৩২ জন। ধারণা করা হচ্ছে, এখনো হাজার হাজার মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন, যাদের অধিকাংশই ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে আছেন।

এদিকে, মানবিক সহায়তা বন্ধ থাকায় গাজায় ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ, অপুষ্টি ও রোগবালাই ছড়িয়ে পড়েছে। ২ মার্চ থেকে ইসরায়েলি অবরোধের কারণে কোনো ত্রাণসামগ্রী প্রবেশ করতে পারেনি বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থা। ফলে সাধারণ মানুষের জীবন বিপন্ন হয়ে উঠেছে।

গাজা থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত তিন সপ্তাহে ইসরায়েলি হামলা ও অবরোধের কারণে প্রায় ৪ লাখ মানুষ তাদের ঘরবাড়ি ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছেন। এই বাস্তুচ্যুতির ফলে সংকট আরও ঘনীভূত হয়েছে।

মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে, এ ধরনের অবরোধ ও হামলা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন লঙ্ঘনের শামিল। বিশ্বজুড়ে চলমান চাপ ও প্রতিবাদের পরও সহিংসতা থামার কোনো ইঙ্গিত নেই।

গাজার মানবিক পরিস্থিতি দিন দিন আরও ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে, যেখানে খাদ্য, ওষুধ ও পানীয় জলের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কার্যকর হস্তক্ষেপ ছাড়া পরিস্থিতির উন্নতির কোনো সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না।

নিউজটি শেয়ার করুন

ই*স*রা*য়ে*লের ভয়াবহ হামলা গা/জা/য় আরো ২৫ ফিলিস্তিনি নিহত

আপডেট সময় ০৮:৩৫:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৫

 

গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বাহিনীর সর্বশেষ হামলায় আরও ২৫ ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছেন। বুধবার সকাল থেকে বিভিন্ন এলাকায় চালানো এই হামলায় হতাহতের সংখ্যা বাড়তে থাকে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানায়, নতুন এ মৃত্যুর ঘটনায় গাজায় মোট নিহতের সংখ্যা গিয়ে দাঁড়িয়েছে ৫১ হাজার ২৫ জনে।

২০২৫ সালের ১৮ মার্চ হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যকার যুদ্ধবিরতি ভঙ্গ হওয়ার পর থেকেই সহিংসতা বেড়েছে। এই সময়ের মধ্যে ইসরায়েলি হামলায় কমপক্ষে ১ হাজার ৬৫২ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন আরও ৪ হাজার ৩৯১ জন।

আরও পড়ুন  পশ্চিম তীরে সহিংসতার পর ইসরায়েলের সেনা প্রত্যাহার

তবে যুদ্ধের সূত্রপাত ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে। ওই দিন থেকে শুরু হওয়া লাগাতার হামলায় এ পর্যন্ত গাজা উপত্যকায় প্রাণ হারিয়েছেন ৫১ হাজার ২৫ জন ফিলিস্তিনি। এছাড়া আহত হয়েছেন অন্তত ১ লাখ ১৬ হাজার ৪৩২ জন। ধারণা করা হচ্ছে, এখনো হাজার হাজার মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন, যাদের অধিকাংশই ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে আছেন।

এদিকে, মানবিক সহায়তা বন্ধ থাকায় গাজায় ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ, অপুষ্টি ও রোগবালাই ছড়িয়ে পড়েছে। ২ মার্চ থেকে ইসরায়েলি অবরোধের কারণে কোনো ত্রাণসামগ্রী প্রবেশ করতে পারেনি বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থা। ফলে সাধারণ মানুষের জীবন বিপন্ন হয়ে উঠেছে।

গাজা থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত তিন সপ্তাহে ইসরায়েলি হামলা ও অবরোধের কারণে প্রায় ৪ লাখ মানুষ তাদের ঘরবাড়ি ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছেন। এই বাস্তুচ্যুতির ফলে সংকট আরও ঘনীভূত হয়েছে।

মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে, এ ধরনের অবরোধ ও হামলা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন লঙ্ঘনের শামিল। বিশ্বজুড়ে চলমান চাপ ও প্রতিবাদের পরও সহিংসতা থামার কোনো ইঙ্গিত নেই।

গাজার মানবিক পরিস্থিতি দিন দিন আরও ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে, যেখানে খাদ্য, ওষুধ ও পানীয় জলের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কার্যকর হস্তক্ষেপ ছাড়া পরিস্থিতির উন্নতির কোনো সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না।