ঢাকা ০২:৪০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়া সিরিজে বাংলাদেশ দলে চমক দেশে এখনও অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলছে: মির্জা ফখরুল মাজারের দিঘির কুমিরকে সরিয়ে নেওয়া হলো খুলনায় নেত্রকোনায় পাওনা দুই হাজার টাকার দ্বন্দ্বে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা সান মারিনো—বিশ্বের প্রাচীনতম প্রজাতন্ত্রের এক অনন্য গল্প মুক্তিযুদ্ধকে অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: ইশরাক হোসেন বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি; কার্যকর জুন থেকেই বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন মার্কিন শুল্ক প্রত্যেকটি নাগরিককে মাথায় রেখে বাজেট দেওয়া হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী শিশু রামিসা হত্যা মামলা: আদালতে অপরাধ স্বীকার সোহেল রানার, যুক্তিতর্ক বৃহস্পতিবার

উচ্চ সতর্কতায় ইরান, প্রকাশ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে হুঁশিয়ারি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:৫৬:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ এপ্রিল ২০২৫
  • / 308

ছবি সংগৃহীত

 

মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনার বাতাস বইছে। ইরান তার সামরিক প্রস্তুতি সর্বোচ্চ স্তরে উন্নীত করেছে এবং সরাসরি হুমকি ছুড়ে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের প্রতি। ইসরাইলের প্রভাবশালী সংবাদপত্র ‘ইয়েদিওথ আহরোনোথ’-এর বরাতে জানা গেছে, ইরান তার প্রতিরক্ষা বাহিনীকে সম্পূর্ণ প্রস্তুত অবস্থানে রেখেছে।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি এ পদক্ষেপের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেছেন, দেশের নিরাপত্তা নিয়ে কোনো আপস হবে না। তিনি এক বিবৃতিতে জানান, “বহিরাগত হুমকি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয় এটি বাস্তব রূপ নিচ্ছে। তাই সেনাবাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্কতায় রাখা হয়েছে।”

আরও পড়ুন  যুক্তরাষ্ট্র-ইউক্রেন সম্পর্ক: ট্রাম্প কি আত্মসমর্পণে বাধ্য করছেন? সিদ্ধান্তে নতুন টানাপড়েন

তবে শুধু যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল নয়, ইরান প্রতিবেশী দেশগুলোর প্রতিও সতর্কবার্তা দিয়েছে। বিশেষ করে ইরাক, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, তুরস্ক ও বাহরাইন এই দেশগুলোকে হুঁশিয়ারি দিয়ে তেহরান জানিয়েছে, “ইরানের আকাশসীমা বা মাটি ব্যবহার করে কেউ যদি তেহরানবিরোধী অভিযানে সহায়তা করে, তবে সেটিকে সরাসরি শত্রুতার কাজ হিসেবে বিবেচনা করা হবে।”

তেহরান স্পষ্ট ভাষায় বলেছে, “যে কোনো ধরনের সহায়তা চাই তা আকাশসীমা ব্যবহার হোক বা সামরিক ঘাঁটি যুক্তরাষ্ট্রকে যদি আক্রমণ পরিচালনায় সুযোগ করে দেয়, তবে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোকেও প্রতিক্রিয়ার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।”

বিশ্লেষকরা বলছেন, ইরানের এমন কড়া বার্তা শুধু রাজনৈতিক চাপ নয়, এটি একটি কৌশলগত অবস্থান। মার্কিন-ইরান উত্তেজনার এই ঢেউ এখন ছড়িয়ে পড়ছে সমগ্র অঞ্চলে। বিশেষ করে পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলো এখন একধরনের অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছে।

আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে এই ধরনের ঘোষণা স্বাভাবিকভাবেই নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করছে। যুদ্ধ নয়, শান্তিপূর্ণ সমাধানের জন্য এখনই কূটনৈতিক চ্যানেলগুলো সক্রিয় করা জরুরি এমনটাই মত বিশ্লেষকদের। কারণ, একমাত্র সংলাপই পারে এই উত্তপ্ত পরিস্থিতিকে শান্ত করতে।

নিউজটি শেয়ার করুন

উচ্চ সতর্কতায় ইরান, প্রকাশ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে হুঁশিয়ারি

আপডেট সময় ০৭:৫৬:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ এপ্রিল ২০২৫

 

মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনার বাতাস বইছে। ইরান তার সামরিক প্রস্তুতি সর্বোচ্চ স্তরে উন্নীত করেছে এবং সরাসরি হুমকি ছুড়ে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের প্রতি। ইসরাইলের প্রভাবশালী সংবাদপত্র ‘ইয়েদিওথ আহরোনোথ’-এর বরাতে জানা গেছে, ইরান তার প্রতিরক্ষা বাহিনীকে সম্পূর্ণ প্রস্তুত অবস্থানে রেখেছে।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি এ পদক্ষেপের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেছেন, দেশের নিরাপত্তা নিয়ে কোনো আপস হবে না। তিনি এক বিবৃতিতে জানান, “বহিরাগত হুমকি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয় এটি বাস্তব রূপ নিচ্ছে। তাই সেনাবাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্কতায় রাখা হয়েছে।”

আরও পড়ুন  যুক্তরাষ্ট্র-ইউক্রেন সম্পর্ক: ট্রাম্প কি আত্মসমর্পণে বাধ্য করছেন? সিদ্ধান্তে নতুন টানাপড়েন

তবে শুধু যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল নয়, ইরান প্রতিবেশী দেশগুলোর প্রতিও সতর্কবার্তা দিয়েছে। বিশেষ করে ইরাক, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, তুরস্ক ও বাহরাইন এই দেশগুলোকে হুঁশিয়ারি দিয়ে তেহরান জানিয়েছে, “ইরানের আকাশসীমা বা মাটি ব্যবহার করে কেউ যদি তেহরানবিরোধী অভিযানে সহায়তা করে, তবে সেটিকে সরাসরি শত্রুতার কাজ হিসেবে বিবেচনা করা হবে।”

তেহরান স্পষ্ট ভাষায় বলেছে, “যে কোনো ধরনের সহায়তা চাই তা আকাশসীমা ব্যবহার হোক বা সামরিক ঘাঁটি যুক্তরাষ্ট্রকে যদি আক্রমণ পরিচালনায় সুযোগ করে দেয়, তবে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোকেও প্রতিক্রিয়ার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।”

বিশ্লেষকরা বলছেন, ইরানের এমন কড়া বার্তা শুধু রাজনৈতিক চাপ নয়, এটি একটি কৌশলগত অবস্থান। মার্কিন-ইরান উত্তেজনার এই ঢেউ এখন ছড়িয়ে পড়ছে সমগ্র অঞ্চলে। বিশেষ করে পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলো এখন একধরনের অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছে।

আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে এই ধরনের ঘোষণা স্বাভাবিকভাবেই নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করছে। যুদ্ধ নয়, শান্তিপূর্ণ সমাধানের জন্য এখনই কূটনৈতিক চ্যানেলগুলো সক্রিয় করা জরুরি এমনটাই মত বিশ্লেষকদের। কারণ, একমাত্র সংলাপই পারে এই উত্তপ্ত পরিস্থিতিকে শান্ত করতে।