ঢাকা ১১:৩৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
শ্রমিকদের দক্ষতা অনুযায়ী পেশা বদলের অনুমতি দিল কুয়েত সরকার অনুমতি মেলেনি ইরানের, হরমুজ প্রণালিতে আটকা ‘বাংলার জয়যাত্রা’ গরুর দুধের পুষ্টি ও শিশুর নিরাপত্তা: মায়েদের জন্য জরুরি স্বাস্থ্য টিপস সরকারের দুই মাস পূর্তিতে সংবাদ সম্মেলন আবারও আলোচনার তারিখ ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের জামায়াতের নারী সংসদ সদস্য হচ্ছেন যারা টকশো ও সোশ্যাল মিডিয়ার বিভ্রান্তি থেকে সতর্ক থাকতে হবে: মির্জা ফখরুল রুশ তেল আমদানিতে ৬০ দিনের ‘বিশেষ ছাড়’ পেল বাংলাদেশ ইন্দোনেশিয়ায় হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে ৮ আরোহীর সবার মৃত্যু শেখ হাসিনাকে ফেরানোর অনুরোধ খতিয়ে দেখছে ভারত: নয়াদিল্লির আনুষ্ঠানিক বার্তা

ময়মনসিংহে অবৈধ কারখানায় প্রশাসনের হানা, বিপুল পরিমাণ নকল স্যালাইন ও ট্যাং জব্দ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:০০:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ মার্চ ২০২৫
  • / 311

ছবি: সংগৃহীত

 

ময়মনসিংহের ফুলপুরে ভেজাল স্যালাইন ও খাবার ট্যাং তৈরির তিনটি কারখানায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ নকল পণ্য জব্দ ও ধ্বংস করেছে সেনাবাহিনী, উপজেলা প্রশাসন ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। অভিযানে এক কারখানা মালিককে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

বুধবার বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত উপজেলার আনোয়ারখিলা ও গোদারিয়া গ্রামে এই যৌথ অভিযান পরিচালিত হয়। নেতৃত্ব দেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসান ফারুক। তিনি জানান, জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই)-এর তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালিত হয়।

আরও পড়ুন  ময়মনসিংহে র‍্যাবের অভিযান: আরসার চার সদস্য গ্রেপ্তার, উদ্ধার বিপুল অর্থ

প্রথমে আনোয়ারখিলা এলাকায় একটি অবৈধ কারখানায় অভিযান চালিয়ে দেখা যায়, সেখানে নকল ও অনুমোদনহীন স্যালাইন তৈরি করা হচ্ছে। জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর এসব ভেজাল স্যালাইন স্থানীয় বাজারে সরবরাহ করা হচ্ছিল। অভিযানে কারখানার মালিক খসরু তালুকদারকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। অনাদায়ে তাকে এক মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়।

এরপর গোদারিয়া গ্রামে আরও দুটি অবৈধ কারখানায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ নকল স্যালাইন, ট্যাং ও বিভিন্ন ভেজাল খাদ্য ও পানীয় তৈরির উপকরণ জব্দ করা হয়। এসব পণ্য জনস্বাস্থ্যের জন্য ভয়াবহ হুমকি সৃষ্টি করতে পারে বলে জানায় প্রশাসন। অভিযানের সময় কারখানাগুলো সিলগালা করা হয় এবং জব্দকৃত ভেজাল সামগ্রী ধ্বংস করা হয়।

অভিযান সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলেন, স্বাস্থ্যঝুঁকির কথা বিবেচনায় রেখে প্রশাসন এমন অবৈধ কারখানার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছে। নকল ও ভেজাল খাদ্য উৎপাদনকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান তারা।

স্থানীয়রা প্রশাসনের এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, এসব ভেজাল পণ্য মানুষের জীবন বিপন্ন করছে। এমন অভিযান নিয়মিত চালানো হলে অসাধু ব্যবসায়ীরা ভয় পাবে এবং জনস্বাস্থ্য রক্ষা করা সহজ হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ময়মনসিংহে অবৈধ কারখানায় প্রশাসনের হানা, বিপুল পরিমাণ নকল স্যালাইন ও ট্যাং জব্দ

আপডেট সময় ০২:০০:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ মার্চ ২০২৫

 

ময়মনসিংহের ফুলপুরে ভেজাল স্যালাইন ও খাবার ট্যাং তৈরির তিনটি কারখানায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ নকল পণ্য জব্দ ও ধ্বংস করেছে সেনাবাহিনী, উপজেলা প্রশাসন ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। অভিযানে এক কারখানা মালিককে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

বুধবার বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত উপজেলার আনোয়ারখিলা ও গোদারিয়া গ্রামে এই যৌথ অভিযান পরিচালিত হয়। নেতৃত্ব দেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসান ফারুক। তিনি জানান, জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই)-এর তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালিত হয়।

আরও পড়ুন  ময়মনসিংহে জাকিরের টক-মিষ্টি জিলাপির কদর, রমজানে বিক্রি লক্ষাধিক টাকা

প্রথমে আনোয়ারখিলা এলাকায় একটি অবৈধ কারখানায় অভিযান চালিয়ে দেখা যায়, সেখানে নকল ও অনুমোদনহীন স্যালাইন তৈরি করা হচ্ছে। জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর এসব ভেজাল স্যালাইন স্থানীয় বাজারে সরবরাহ করা হচ্ছিল। অভিযানে কারখানার মালিক খসরু তালুকদারকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। অনাদায়ে তাকে এক মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়।

এরপর গোদারিয়া গ্রামে আরও দুটি অবৈধ কারখানায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ নকল স্যালাইন, ট্যাং ও বিভিন্ন ভেজাল খাদ্য ও পানীয় তৈরির উপকরণ জব্দ করা হয়। এসব পণ্য জনস্বাস্থ্যের জন্য ভয়াবহ হুমকি সৃষ্টি করতে পারে বলে জানায় প্রশাসন। অভিযানের সময় কারখানাগুলো সিলগালা করা হয় এবং জব্দকৃত ভেজাল সামগ্রী ধ্বংস করা হয়।

অভিযান সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলেন, স্বাস্থ্যঝুঁকির কথা বিবেচনায় রেখে প্রশাসন এমন অবৈধ কারখানার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছে। নকল ও ভেজাল খাদ্য উৎপাদনকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান তারা।

স্থানীয়রা প্রশাসনের এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, এসব ভেজাল পণ্য মানুষের জীবন বিপন্ন করছে। এমন অভিযান নিয়মিত চালানো হলে অসাধু ব্যবসায়ীরা ভয় পাবে এবং জনস্বাস্থ্য রক্ষা করা সহজ হবে।