ঢাকা ০২:২২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশলের ভুলে শিরোপা হারাল আর্জেন্টিনা; বিবিসির বিশ্লেষণ দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষ, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ রিজেন্টের সেই সাহেদ ফের গ্রেপ্তার সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন

ময়মনসিংহে অবৈধ কারখানায় প্রশাসনের হানা, বিপুল পরিমাণ নকল স্যালাইন ও ট্যাং জব্দ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:০০:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ মার্চ ২০২৫
  • / 508

ছবি: সংগৃহীত

 

ময়মনসিংহের ফুলপুরে ভেজাল স্যালাইন ও খাবার ট্যাং তৈরির তিনটি কারখানায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ নকল পণ্য জব্দ ও ধ্বংস করেছে সেনাবাহিনী, উপজেলা প্রশাসন ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। অভিযানে এক কারখানা মালিককে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

বুধবার বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত উপজেলার আনোয়ারখিলা ও গোদারিয়া গ্রামে এই যৌথ অভিযান পরিচালিত হয়। নেতৃত্ব দেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসান ফারুক। তিনি জানান, জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই)-এর তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালিত হয়।

আরও পড়ুন  আজ থেকে পোশাক কারখানায় কোন গ্যাস সংকট থাকবে না : জ্বালানি উপদেষ্টা

প্রথমে আনোয়ারখিলা এলাকায় একটি অবৈধ কারখানায় অভিযান চালিয়ে দেখা যায়, সেখানে নকল ও অনুমোদনহীন স্যালাইন তৈরি করা হচ্ছে। জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর এসব ভেজাল স্যালাইন স্থানীয় বাজারে সরবরাহ করা হচ্ছিল। অভিযানে কারখানার মালিক খসরু তালুকদারকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। অনাদায়ে তাকে এক মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়।

এরপর গোদারিয়া গ্রামে আরও দুটি অবৈধ কারখানায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ নকল স্যালাইন, ট্যাং ও বিভিন্ন ভেজাল খাদ্য ও পানীয় তৈরির উপকরণ জব্দ করা হয়। এসব পণ্য জনস্বাস্থ্যের জন্য ভয়াবহ হুমকি সৃষ্টি করতে পারে বলে জানায় প্রশাসন। অভিযানের সময় কারখানাগুলো সিলগালা করা হয় এবং জব্দকৃত ভেজাল সামগ্রী ধ্বংস করা হয়।

অভিযান সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলেন, স্বাস্থ্যঝুঁকির কথা বিবেচনায় রেখে প্রশাসন এমন অবৈধ কারখানার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছে। নকল ও ভেজাল খাদ্য উৎপাদনকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান তারা।

স্থানীয়রা প্রশাসনের এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, এসব ভেজাল পণ্য মানুষের জীবন বিপন্ন করছে। এমন অভিযান নিয়মিত চালানো হলে অসাধু ব্যবসায়ীরা ভয় পাবে এবং জনস্বাস্থ্য রক্ষা করা সহজ হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ময়মনসিংহে অবৈধ কারখানায় প্রশাসনের হানা, বিপুল পরিমাণ নকল স্যালাইন ও ট্যাং জব্দ

আপডেট সময় ০২:০০:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ মার্চ ২০২৫

 

ময়মনসিংহের ফুলপুরে ভেজাল স্যালাইন ও খাবার ট্যাং তৈরির তিনটি কারখানায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ নকল পণ্য জব্দ ও ধ্বংস করেছে সেনাবাহিনী, উপজেলা প্রশাসন ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। অভিযানে এক কারখানা মালিককে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

বুধবার বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত উপজেলার আনোয়ারখিলা ও গোদারিয়া গ্রামে এই যৌথ অভিযান পরিচালিত হয়। নেতৃত্ব দেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসান ফারুক। তিনি জানান, জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই)-এর তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালিত হয়।

আরও পড়ুন  চট্টগ্রাম ইপিজেডে আগুনে ধসে পড়ছে কারখানার ভবন

প্রথমে আনোয়ারখিলা এলাকায় একটি অবৈধ কারখানায় অভিযান চালিয়ে দেখা যায়, সেখানে নকল ও অনুমোদনহীন স্যালাইন তৈরি করা হচ্ছে। জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর এসব ভেজাল স্যালাইন স্থানীয় বাজারে সরবরাহ করা হচ্ছিল। অভিযানে কারখানার মালিক খসরু তালুকদারকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। অনাদায়ে তাকে এক মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়।

এরপর গোদারিয়া গ্রামে আরও দুটি অবৈধ কারখানায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ নকল স্যালাইন, ট্যাং ও বিভিন্ন ভেজাল খাদ্য ও পানীয় তৈরির উপকরণ জব্দ করা হয়। এসব পণ্য জনস্বাস্থ্যের জন্য ভয়াবহ হুমকি সৃষ্টি করতে পারে বলে জানায় প্রশাসন। অভিযানের সময় কারখানাগুলো সিলগালা করা হয় এবং জব্দকৃত ভেজাল সামগ্রী ধ্বংস করা হয়।

অভিযান সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলেন, স্বাস্থ্যঝুঁকির কথা বিবেচনায় রেখে প্রশাসন এমন অবৈধ কারখানার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছে। নকল ও ভেজাল খাদ্য উৎপাদনকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান তারা।

স্থানীয়রা প্রশাসনের এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, এসব ভেজাল পণ্য মানুষের জীবন বিপন্ন করছে। এমন অভিযান নিয়মিত চালানো হলে অসাধু ব্যবসায়ীরা ভয় পাবে এবং জনস্বাস্থ্য রক্ষা করা সহজ হবে।