ঢাকা ১১:৩৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
শ্রমিকদের দক্ষতা অনুযায়ী পেশা বদলের অনুমতি দিল কুয়েত সরকার অনুমতি মেলেনি ইরানের, হরমুজ প্রণালিতে আটকা ‘বাংলার জয়যাত্রা’ গরুর দুধের পুষ্টি ও শিশুর নিরাপত্তা: মায়েদের জন্য জরুরি স্বাস্থ্য টিপস সরকারের দুই মাস পূর্তিতে সংবাদ সম্মেলন আবারও আলোচনার তারিখ ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের জামায়াতের নারী সংসদ সদস্য হচ্ছেন যারা টকশো ও সোশ্যাল মিডিয়ার বিভ্রান্তি থেকে সতর্ক থাকতে হবে: মির্জা ফখরুল রুশ তেল আমদানিতে ৬০ দিনের ‘বিশেষ ছাড়’ পেল বাংলাদেশ ইন্দোনেশিয়ায় হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে ৮ আরোহীর সবার মৃত্যু শেখ হাসিনাকে ফেরানোর অনুরোধ খতিয়ে দেখছে ভারত: নয়াদিল্লির আনুষ্ঠানিক বার্তা

বেক্সিমকো ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কের ১৪টি কারখানা বন্ধ, ৯ মার্চ থেকে শুরু হচ্ছে পাওনা পরিশোধ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:৪০:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / 250

ছবি: সংগৃহীত

 

গাজীপুরের বেক্সিমকো ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কের টেক্সটাইলস অ্যান্ড অ্যাপারেলস বিভাগের ১৪টি কারখানা বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। একই সঙ্গে, আগামীকাল শুক্রবার থেকে এসব কারখানার সব শ্রমিককে ছাঁটাই করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

গতকাল বুধবার, বেক্সিমকো লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গাজীপুরে অবস্থিত বেক্সিমকো লিমিটেড (ইয়ার্ন ইউনিট-১ ব্যতিত) এবং এর অধীনস্থ ১৩টি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত সব কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শ্রমিকদের জানানো যাচ্ছে যে, কাজের অভাবে গত বছরের ১৬ ডিসেম্বর এবং ৫ ফেব্রুয়ারি থেকে বাংলাদেশ শ্রম আইন অনুযায়ী লে-অফ ঘোষণা করা হয়েছিল। কাজের অভাবে ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শ্রমিকদের ছাঁটাই করা হয়েছে। পাশাপাশি, সব কার্যক্রম বন্ধের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন  গাজীপুরে নাসির হত্যার ঘটনায় কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য গ্রেপ্তার

প্রতিষ্ঠানটির প্রায় ৬০ কোটি টাকা মাসিক বেতন-বিল এবং ১৫ কোটি টাকা কর্মকর্তাদের বেতন রয়েছে, যা পরিশোধ করতে না পারায় শ্রমিকদের মধ্যে অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়েছিল। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বাংলাদেশ ব্যাংক, ব্যাংক কোম্পানি আইনের দুটি ধারা শিথিল করে জনতা ব্যাংকের মাধ্যমে ঋণ প্রদানের ব্যবস্থা করেছে। তবে, বেক্সিমকো গ্রুপের কারখানা এলাকায় আপাতত কোনো শ্রমিক অসন্তোষ নেই বলে জানিয়েছেন গাজীপুর শিল্পাঞ্চল পুলিশ সুপার।

এদিকে, বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, বেক্সিমকো গ্রুপের ৭৮টি প্রতিষ্ঠান প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকার দেনায় ডুবে রয়েছে, যার মধ্যে খেলাপি ঋণের পরিমাণ প্রায় ৩২ হাজার কোটি টাকা। এছাড়া, সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অর্ডার না থাকা এবং ব্যাংক ঋণ খেলাপি হওয়ার কারণে এসব কারখানা পরিচালনা সম্ভব হচ্ছে না।

এই সংকটের ফলে ১৬টি কারখানার বন্ধ হওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

বেক্সিমকো ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কের ১৪টি কারখানা বন্ধ, ৯ মার্চ থেকে শুরু হচ্ছে পাওনা পরিশোধ

আপডেট সময় ০১:৪০:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

 

গাজীপুরের বেক্সিমকো ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কের টেক্সটাইলস অ্যান্ড অ্যাপারেলস বিভাগের ১৪টি কারখানা বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। একই সঙ্গে, আগামীকাল শুক্রবার থেকে এসব কারখানার সব শ্রমিককে ছাঁটাই করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

গতকাল বুধবার, বেক্সিমকো লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গাজীপুরে অবস্থিত বেক্সিমকো লিমিটেড (ইয়ার্ন ইউনিট-১ ব্যতিত) এবং এর অধীনস্থ ১৩টি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত সব কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শ্রমিকদের জানানো যাচ্ছে যে, কাজের অভাবে গত বছরের ১৬ ডিসেম্বর এবং ৫ ফেব্রুয়ারি থেকে বাংলাদেশ শ্রম আইন অনুযায়ী লে-অফ ঘোষণা করা হয়েছিল। কাজের অভাবে ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শ্রমিকদের ছাঁটাই করা হয়েছে। পাশাপাশি, সব কার্যক্রম বন্ধের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন  ঢাকা ও গাজীপুরসহ আরও ১৪ জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ প্রজ্ঞাপন জারি

প্রতিষ্ঠানটির প্রায় ৬০ কোটি টাকা মাসিক বেতন-বিল এবং ১৫ কোটি টাকা কর্মকর্তাদের বেতন রয়েছে, যা পরিশোধ করতে না পারায় শ্রমিকদের মধ্যে অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়েছিল। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বাংলাদেশ ব্যাংক, ব্যাংক কোম্পানি আইনের দুটি ধারা শিথিল করে জনতা ব্যাংকের মাধ্যমে ঋণ প্রদানের ব্যবস্থা করেছে। তবে, বেক্সিমকো গ্রুপের কারখানা এলাকায় আপাতত কোনো শ্রমিক অসন্তোষ নেই বলে জানিয়েছেন গাজীপুর শিল্পাঞ্চল পুলিশ সুপার।

এদিকে, বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, বেক্সিমকো গ্রুপের ৭৮টি প্রতিষ্ঠান প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকার দেনায় ডুবে রয়েছে, যার মধ্যে খেলাপি ঋণের পরিমাণ প্রায় ৩২ হাজার কোটি টাকা। এছাড়া, সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অর্ডার না থাকা এবং ব্যাংক ঋণ খেলাপি হওয়ার কারণে এসব কারখানা পরিচালনা সম্ভব হচ্ছে না।

এই সংকটের ফলে ১৬টি কারখানার বন্ধ হওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।