ঢাকা ০৭:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
নিখোঁজের চার দিন পর খালে বৃদ্ধার মরদেহ মাদক মামলার বিচার দ্রুত করতে ২২ ট্রাইব্যুনাল গঠন আমাদের বোমায় নারী-শিশু নিহত হচ্ছে, ট্রাম্পের সমালোচনায় মার্কিন কংগ্রেস সদস্য জনস্বার্থের প্রকল্পে নতুন অর্থের উৎস খুঁজছে সরকার: অর্থমন্ত্রী গ্যাস-বিদ্যুৎ নিয়ে পরামর্শ দিন, রাজপথে হুমকি নয়: রিজভী ‘যৌনাঙ্গ চুরি’র গুজবে আফ্রিকায় ৮০ জনের বেশি নিহত সাংবাদিকদের স্বাধীনতা নিশ্চিত করছে সরকার: তথ্য প্রতিমন্ত্রী ধর্মঘট প্রত্যাহার ভারতীয়দের, শনিবার থেকে হিলি বন্দরে বাণিজ্য শুরু জেন-জিদের পর এবার শিক্ষা সংস্কারের দাবিতে ভারতে জেন-আলফার বিক্ষোভ এক্সপ্রেসওয়ে থেকে স্কচটেপ মোড়ানো মরদেহ উদ্ধার

বেক্সিমকো ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কের ১৪টি কারখানা বন্ধ, ৯ মার্চ থেকে শুরু হচ্ছে পাওনা পরিশোধ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:৪০:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / 520

ছবি: সংগৃহীত

 

গাজীপুরের বেক্সিমকো ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কের টেক্সটাইলস অ্যান্ড অ্যাপারেলস বিভাগের ১৪টি কারখানা বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। একই সঙ্গে, আগামীকাল শুক্রবার থেকে এসব কারখানার সব শ্রমিককে ছাঁটাই করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

গতকাল বুধবার, বেক্সিমকো লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গাজীপুরে অবস্থিত বেক্সিমকো লিমিটেড (ইয়ার্ন ইউনিট-১ ব্যতিত) এবং এর অধীনস্থ ১৩টি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত সব কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শ্রমিকদের জানানো যাচ্ছে যে, কাজের অভাবে গত বছরের ১৬ ডিসেম্বর এবং ৫ ফেব্রুয়ারি থেকে বাংলাদেশ শ্রম আইন অনুযায়ী লে-অফ ঘোষণা করা হয়েছিল। কাজের অভাবে ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শ্রমিকদের ছাঁটাই করা হয়েছে। পাশাপাশি, সব কার্যক্রম বন্ধের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন  গাজীপুরে চিকিৎসকের বাড়িতে ডাকাতি, অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে নগদ অর্থ ও স্বর্ণালংকার লুট

প্রতিষ্ঠানটির প্রায় ৬০ কোটি টাকা মাসিক বেতন-বিল এবং ১৫ কোটি টাকা কর্মকর্তাদের বেতন রয়েছে, যা পরিশোধ করতে না পারায় শ্রমিকদের মধ্যে অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়েছিল। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বাংলাদেশ ব্যাংক, ব্যাংক কোম্পানি আইনের দুটি ধারা শিথিল করে জনতা ব্যাংকের মাধ্যমে ঋণ প্রদানের ব্যবস্থা করেছে। তবে, বেক্সিমকো গ্রুপের কারখানা এলাকায় আপাতত কোনো শ্রমিক অসন্তোষ নেই বলে জানিয়েছেন গাজীপুর শিল্পাঞ্চল পুলিশ সুপার।

এদিকে, বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, বেক্সিমকো গ্রুপের ৭৮টি প্রতিষ্ঠান প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকার দেনায় ডুবে রয়েছে, যার মধ্যে খেলাপি ঋণের পরিমাণ প্রায় ৩২ হাজার কোটি টাকা। এছাড়া, সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অর্ডার না থাকা এবং ব্যাংক ঋণ খেলাপি হওয়ার কারণে এসব কারখানা পরিচালনা সম্ভব হচ্ছে না।

এই সংকটের ফলে ১৬টি কারখানার বন্ধ হওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

বেক্সিমকো ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কের ১৪টি কারখানা বন্ধ, ৯ মার্চ থেকে শুরু হচ্ছে পাওনা পরিশোধ

আপডেট সময় ০১:৪০:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

 

গাজীপুরের বেক্সিমকো ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কের টেক্সটাইলস অ্যান্ড অ্যাপারেলস বিভাগের ১৪টি কারখানা বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। একই সঙ্গে, আগামীকাল শুক্রবার থেকে এসব কারখানার সব শ্রমিককে ছাঁটাই করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

গতকাল বুধবার, বেক্সিমকো লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গাজীপুরে অবস্থিত বেক্সিমকো লিমিটেড (ইয়ার্ন ইউনিট-১ ব্যতিত) এবং এর অধীনস্থ ১৩টি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত সব কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শ্রমিকদের জানানো যাচ্ছে যে, কাজের অভাবে গত বছরের ১৬ ডিসেম্বর এবং ৫ ফেব্রুয়ারি থেকে বাংলাদেশ শ্রম আইন অনুযায়ী লে-অফ ঘোষণা করা হয়েছিল। কাজের অভাবে ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শ্রমিকদের ছাঁটাই করা হয়েছে। পাশাপাশি, সব কার্যক্রম বন্ধের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন  ইরানের ৪০টি অস্ত্র কারখানা গুঁড়িয়ে দেওয়ার দাবি ইসরাইলের

প্রতিষ্ঠানটির প্রায় ৬০ কোটি টাকা মাসিক বেতন-বিল এবং ১৫ কোটি টাকা কর্মকর্তাদের বেতন রয়েছে, যা পরিশোধ করতে না পারায় শ্রমিকদের মধ্যে অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়েছিল। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বাংলাদেশ ব্যাংক, ব্যাংক কোম্পানি আইনের দুটি ধারা শিথিল করে জনতা ব্যাংকের মাধ্যমে ঋণ প্রদানের ব্যবস্থা করেছে। তবে, বেক্সিমকো গ্রুপের কারখানা এলাকায় আপাতত কোনো শ্রমিক অসন্তোষ নেই বলে জানিয়েছেন গাজীপুর শিল্পাঞ্চল পুলিশ সুপার।

এদিকে, বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, বেক্সিমকো গ্রুপের ৭৮টি প্রতিষ্ঠান প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকার দেনায় ডুবে রয়েছে, যার মধ্যে খেলাপি ঋণের পরিমাণ প্রায় ৩২ হাজার কোটি টাকা। এছাড়া, সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অর্ডার না থাকা এবং ব্যাংক ঋণ খেলাপি হওয়ার কারণে এসব কারখানা পরিচালনা সম্ভব হচ্ছে না।

এই সংকটের ফলে ১৬টি কারখানার বন্ধ হওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।