ঢাকা ১১:০৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬

যুবদল নেতা হত্যা মামলায় সাবেক দুই অতিরিক্ত পিপিকে কারাগারে পাঠালেন আদালত

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:১৭:৪৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ জুলাই ২০২৫
  • / 967

ছবি সংগৃহীত

 

সাতক্ষীরায় যুবদল নেতা মো. আবিদ হাসান হত্যা মামলায় অভিযুক্ত দুই আইনজীবিকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

বুধবার (২৩ জুলাই) সাতক্ষীরা জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম জামিন আবেদন খারিজ করে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

আরও পড়ুন  চিকিৎসা শেষে ফের কারাগারে সাবেক শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি

আসামি দুইজনই ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। তারা হলেন—আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক অতিরিক্ত পিপি শেখ নিজামউদ্দিন এবং ওয়াহিদুজ্জামান।
২০১৪ সালের ঘটনায় অভিযোগ রয়েছে, সাতক্ষীরা শহরের পুরাতন সাতক্ষীরা এলাকার বাসিন্দা ও যুবদল নেতা মো. আবিদ হাসানকে নিজ বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয় এবং পরে শ্যামনগর এলাকায় তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়।

ঘটনার পর নিহতের চাচাতো ভাই মোনায়েম হোসেন বাদী হয়ে আদালতে হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় ৩৮ জনের নাম উল্লেখ করে আরও ১২ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়।

উল্লেখ্য, অভিযুক্তরা উচ্চ আদালত থেকে জামিনে ছিলেন। জামিনের মেয়াদ শেষ হওয়ায় তারা বুধবার নিম্ন আদালতে পুনরায় জামিন প্রার্থনা করলে আদালত তা নামঞ্জুর করেন এবং তাদেরকে সরাসরি জেল হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

বিচারাধীন এ মামলায় দুইজন আইনজীবীর বিরুদ্ধে এই আদেশ শুধু আলোচিত নয়, বিচারব্যবস্থার প্রতি জনআস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্তও বটে।

নিউজটি শেয়ার করুন

যুবদল নেতা হত্যা মামলায় সাবেক দুই অতিরিক্ত পিপিকে কারাগারে পাঠালেন আদালত

আপডেট সময় ১১:১৭:৪৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ জুলাই ২০২৫

 

সাতক্ষীরায় যুবদল নেতা মো. আবিদ হাসান হত্যা মামলায় অভিযুক্ত দুই আইনজীবিকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

বুধবার (২৩ জুলাই) সাতক্ষীরা জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম জামিন আবেদন খারিজ করে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

আরও পড়ুন  রিমান্ড শেষে কারাগারে সাবেক এমপি মমতাজ

আসামি দুইজনই ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। তারা হলেন—আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক অতিরিক্ত পিপি শেখ নিজামউদ্দিন এবং ওয়াহিদুজ্জামান।
২০১৪ সালের ঘটনায় অভিযোগ রয়েছে, সাতক্ষীরা শহরের পুরাতন সাতক্ষীরা এলাকার বাসিন্দা ও যুবদল নেতা মো. আবিদ হাসানকে নিজ বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয় এবং পরে শ্যামনগর এলাকায় তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়।

ঘটনার পর নিহতের চাচাতো ভাই মোনায়েম হোসেন বাদী হয়ে আদালতে হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় ৩৮ জনের নাম উল্লেখ করে আরও ১২ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়।

উল্লেখ্য, অভিযুক্তরা উচ্চ আদালত থেকে জামিনে ছিলেন। জামিনের মেয়াদ শেষ হওয়ায় তারা বুধবার নিম্ন আদালতে পুনরায় জামিন প্রার্থনা করলে আদালত তা নামঞ্জুর করেন এবং তাদেরকে সরাসরি জেল হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

বিচারাধীন এ মামলায় দুইজন আইনজীবীর বিরুদ্ধে এই আদেশ শুধু আলোচিত নয়, বিচারব্যবস্থার প্রতি জনআস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্তও বটে।