ঢাকা ০২:৫০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬
শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ জানালেন যুবরাজ বিন সালমান ত্রুটি-বিচ্যুতি খুঁজে বের করুন, শুধু ভিউর জন্য সমালোচনা নয়: সেতুমন্ত্রী বদলে গেল এয়ারটেলের নাম, নতুন পরিচয় ‘সার্কেল’ এ বছরের মধ্যেই নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়ন হবে: অর্থমন্ত্রী ৬ মাসে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা ভারতীয় ৪৫৯৬ নাগরিককে ফেরত পাঠিয়েছে আইনশৃঙ্খলার উন্নতি হয়েছে, তবে জনপ্রত্যাশা পূরণ হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী “ট্রেন কেড়ে নিয়েছিল দুই পা, হার মানাতে পারেনি মানিক মিয়াকে” সন্ধ্যার মধ্যে ১০ জেলায় বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস পে-স্কেলসহ ছয় মাসের কর্মকাণ্ড জানালেন মাহদী আমিন মানবতাবিরোধী অপরাধের মা*ম*লায় তিন সাংবাদিককে আসামি করা হচ্ছে

টেকনাফে কোস্টগার্ড-পুলিশের যৌথ অভিযানে বিপুল অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৮:২৮:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ মে ২০২৫
  • / 559

ছবি সংগৃহীত

 

কক্সবাজারের টেকনাফে কোস্টগার্ড ও পুলিশের যৌথ অভিযানে উদ্ধার করা হয়েছে বিপুল পরিমাণ দেশি-বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলি। উদ্ধার হওয়া অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে একটি বিদেশি জি-৩ রাইফেল, দুটি ম্যাগাজিন, পাঁচটি দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র এবং ৯৭৫ রাউন্ড তাজা গুলি।

মঙ্গলবার (২০ মে) বিকেলে গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার হারুন-অর-রশীদ এ তথ্য জানান।

আরও পড়ুন  টেকনাফের পাহাড় থেকে ছয় কৃষক নিখোঁজ, অপহরণের অভিযোগ

তিনি জানান, মিয়ানমার থেকে নাফ নদী হয়ে বাংলাদেশে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গুলি পাচার হতে পারে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার ভোররাতে টেকনাফ স্থলবন্দরের ১৪ নম্বর ব্রিজ এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে কোস্টগার্ড ও পুলিশ যৌথভাবে অংশগ্রহণ করে।

অভিযানের সময় চারজন সন্দেহভাজনকে কয়েকটি বস্তা নিয়ে পাহাড়ের দিকে যেতে দেখা যায়। যৌথবাহিনী তাদের থামতে নির্দেশ দিলে তারা দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করে। এ সময় বাহিনী সাত রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সন্দেহভাজনরা দুটি অস্ত্র ও গোলাবারুদের বস্তা ফেলে পাহাড়ে পালিয়ে যায়।

পরবর্তীতে ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে একটি বিদেশি জি-৩ রাইফেল, দুটি ম্যাগাজিন, একটি দেশীয় পিস্তল, একটি দেশীয় দু’নলা বন্দুক, তিনটি দেশীয় একনলা বন্দুক এবং ৯৭৫ রাউন্ড তাজা গুলি জব্দ করা হয়।

তবে অভিযানে কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। ধারণা করা হচ্ছে, পাচারকারীরা আগে থেকেই পাহাড়ি পালানোর পথ চিনে রেখেছিল।

লেফটেন্যান্ট কমান্ডার হারুন-অর-রশীদ বলেন, “বাংলাদেশ কোস্টগার্ড দেশব্যাপী নিরাপত্তা ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় ২৪ ঘণ্টা টহল কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। উপকূলীয় ও নদীতীরবর্তী এলাকায় চোরাচালান ও অপরাধ দমন কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান চলবে।”

উদ্ধারকৃত আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলাবারুদের বিষয়ে পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

নিউজটি শেয়ার করুন

টেকনাফে কোস্টগার্ড-পুলিশের যৌথ অভিযানে বিপুল অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার

আপডেট সময় ০৮:২৮:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ মে ২০২৫

 

কক্সবাজারের টেকনাফে কোস্টগার্ড ও পুলিশের যৌথ অভিযানে উদ্ধার করা হয়েছে বিপুল পরিমাণ দেশি-বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলি। উদ্ধার হওয়া অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে একটি বিদেশি জি-৩ রাইফেল, দুটি ম্যাগাজিন, পাঁচটি দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র এবং ৯৭৫ রাউন্ড তাজা গুলি।

মঙ্গলবার (২০ মে) বিকেলে গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার হারুন-অর-রশীদ এ তথ্য জানান।

আরও পড়ুন  টেকনাফে গহীন পাহাড় থেকে রক্তাক্ত তিন মরদেহ উদ্ধার

তিনি জানান, মিয়ানমার থেকে নাফ নদী হয়ে বাংলাদেশে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গুলি পাচার হতে পারে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার ভোররাতে টেকনাফ স্থলবন্দরের ১৪ নম্বর ব্রিজ এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে কোস্টগার্ড ও পুলিশ যৌথভাবে অংশগ্রহণ করে।

অভিযানের সময় চারজন সন্দেহভাজনকে কয়েকটি বস্তা নিয়ে পাহাড়ের দিকে যেতে দেখা যায়। যৌথবাহিনী তাদের থামতে নির্দেশ দিলে তারা দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করে। এ সময় বাহিনী সাত রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সন্দেহভাজনরা দুটি অস্ত্র ও গোলাবারুদের বস্তা ফেলে পাহাড়ে পালিয়ে যায়।

পরবর্তীতে ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে একটি বিদেশি জি-৩ রাইফেল, দুটি ম্যাগাজিন, একটি দেশীয় পিস্তল, একটি দেশীয় দু’নলা বন্দুক, তিনটি দেশীয় একনলা বন্দুক এবং ৯৭৫ রাউন্ড তাজা গুলি জব্দ করা হয়।

তবে অভিযানে কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। ধারণা করা হচ্ছে, পাচারকারীরা আগে থেকেই পাহাড়ি পালানোর পথ চিনে রেখেছিল।

লেফটেন্যান্ট কমান্ডার হারুন-অর-রশীদ বলেন, “বাংলাদেশ কোস্টগার্ড দেশব্যাপী নিরাপত্তা ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় ২৪ ঘণ্টা টহল কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। উপকূলীয় ও নদীতীরবর্তী এলাকায় চোরাচালান ও অপরাধ দমন কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান চলবে।”

উদ্ধারকৃত আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলাবারুদের বিষয়ে পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।