ঢাকা ০৪:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬

শ্রমিকদের বেতন ৩০ হাজার টাকা করার দাবি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:৫৫:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ মে ২০২৫
  • / 299

ছবি সংগৃহীত

 

দেশের শ্রমিকদের ন্যূনতম বেতন ৩০ হাজার টাকা করার দাবি জানিয়েছে সম্মিলিত শ্রমিক ফেডারেশন।

বৃহস্পতিবার (১ মে) সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মহান মে দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত মানববন্ধনে এ দাবি জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন  শ্রমিকের অধিকার রক্ষায় কাজ করছে অন্তর্বর্তী সরকার: শ্রম উপদেষ্টা

নেতারা জানান, শোষণ-নির্যাতন রুখে দিয়ে স্থায়ী মজুরি কমিশন গঠন করতে হবে। সেইসঙ্গে জাতীয় নিম্নতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা করতে হবে। অবাধ ট্রেড ইউনিয়ন, সামাজিক সুরক্ষা, শ্রম, সংস্কার কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নসহ সমতা- মর্যাদা ও অধিকার প্রতিষ্ঠিত করতে হবে।

তারা বলেন, নারী শ্রমিকদের মাতৃত্বকালীন সুবিধা, অর্জিত ছুটি কিংবা নৈর্ব্যক্তিক ছুটির বিষয়সহ শ্রম আইনের বিদ্যমান সব বৈষম্য দূর করতে হবে।

আরও বলেন, গার্মেন্টস সেক্টরের শ্রমিকদের সঙ্গে বৈষম্য করা হচ্ছে। যাদের রক্ত আর গামের উপর দাঁড়িয়ে আছে দেশ, তাদের মূল্যায়ন করা হচ্ছে না। শ্রমিকদেরকে মূল্যায়ন করতে হবে এবং যথাযথ মর্যাদা দিতে হবে। আউটসোর্সিং ও দৈনিক মজুরি নামে শ্রমিকদের সুরক্ষা হরণ বন্ধ করতে হবে এবং স্থায়ী কাজে শ্রমিকদেরকে স্থায়ীভাবে নিয়োগ দিতে হবে। সর্বস্তরের শ্রমিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

শ্রমিকদের বেতন ৩০ হাজার টাকা করার দাবি

আপডেট সময় ০৭:৫৫:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ মে ২০২৫

 

দেশের শ্রমিকদের ন্যূনতম বেতন ৩০ হাজার টাকা করার দাবি জানিয়েছে সম্মিলিত শ্রমিক ফেডারেশন।

বৃহস্পতিবার (১ মে) সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মহান মে দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত মানববন্ধনে এ দাবি জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন  সুড়ঙ্গে ড্রোন পাঠিয়েও সন্ধান পাওয়া যায়নি ৯৩ শ্রমিকের

নেতারা জানান, শোষণ-নির্যাতন রুখে দিয়ে স্থায়ী মজুরি কমিশন গঠন করতে হবে। সেইসঙ্গে জাতীয় নিম্নতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা করতে হবে। অবাধ ট্রেড ইউনিয়ন, সামাজিক সুরক্ষা, শ্রম, সংস্কার কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নসহ সমতা- মর্যাদা ও অধিকার প্রতিষ্ঠিত করতে হবে।

তারা বলেন, নারী শ্রমিকদের মাতৃত্বকালীন সুবিধা, অর্জিত ছুটি কিংবা নৈর্ব্যক্তিক ছুটির বিষয়সহ শ্রম আইনের বিদ্যমান সব বৈষম্য দূর করতে হবে।

আরও বলেন, গার্মেন্টস সেক্টরের শ্রমিকদের সঙ্গে বৈষম্য করা হচ্ছে। যাদের রক্ত আর গামের উপর দাঁড়িয়ে আছে দেশ, তাদের মূল্যায়ন করা হচ্ছে না। শ্রমিকদেরকে মূল্যায়ন করতে হবে এবং যথাযথ মর্যাদা দিতে হবে। আউটসোর্সিং ও দৈনিক মজুরি নামে শ্রমিকদের সুরক্ষা হরণ বন্ধ করতে হবে এবং স্থায়ী কাজে শ্রমিকদেরকে স্থায়ীভাবে নিয়োগ দিতে হবে। সর্বস্তরের শ্রমিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে।