ঢাকা ০৫:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

তাহিরপুরে সন্তানসহ বাবার বিষ পান, তিন শিশুর মৃত্যু

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:৪২:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 25

ছবি: সংগৃহীত

সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে তিন সন্তানকে নিয়ে কীটনাশক পান করেছেন এক বাবা। এতে তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় বাবা সরফত আলীকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তার স্ত্রী তিন দিন আগে সৌদি আরবে গেছেন।

শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাত ১টার দিকে উপজেলার উত্তর বড়দল ইউনিয়নের রজনীলাইন গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত শিশুরা হলো—রজনীলাইন গ্রামের সরফত আলীর মেয়ে মাওয়া আক্তার (১০) এবং ছেলে শামিম মিয়া (৭) ও তামিম মিয়া (২)। তাদের বাবা সরফত আলী (৩৫) বর্তমানে চিকিৎসাধীন।

আরও পড়ুন  ডেঙ্গুতে ৫ জনের মৃত্যু,হাসপাতালে ভর্তি ৩১১

স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সরফত আলীর স্ত্রী ফাতেমা বেগম তিন দিন আগে সৌদি আরবে যান। প্রবাসে যাওয়া নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মনোমালিন্য চলছিল বলে জানা গেছে। শুক্রবার রাতে সরফত আলী তিন সন্তানকে নিয়ে ঘুমাতে যান। পরে রাত ১টার দিকে তিনি সন্তানদের নিয়ে কীটনাশক পান করেন বলে জানা গেছে।

বিষপানের পর সরফত আলী ময়মনসিংহে থাকা তার এক ফুফুকে ফোন করে বিষয়টি জানান এবং পরিবারের সদস্যদের কাছে ক্ষমা চান।

পরে তার ফুফু বাড়িতে থাকা সরফত আলীর ছোট ভাই রহমত আলীকে বিষয়টি জানান। খবর পেয়ে রহমত আলীসহ পরিবারের লোকজন দ্রুত বাড়িতে গিয়ে ঘরের দরজা ভেঙে চারজনকে উদ্ধার করেন।

পরে তাদের তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক তিন শিশুকে মৃত ঘোষণা করেন। সরফত আলীর অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

তাহিরপুর থানার ওসি ফারুক আহমদ বলেন, তিন শিশুর লাশ বর্তমানে তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রয়েছে। সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে লাশগুলো সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। এ ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

তাহিরপুরে সন্তানসহ বাবার বিষ পান, তিন শিশুর মৃত্যু

আপডেট সময় ০৪:৪২:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে তিন সন্তানকে নিয়ে কীটনাশক পান করেছেন এক বাবা। এতে তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় বাবা সরফত আলীকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তার স্ত্রী তিন দিন আগে সৌদি আরবে গেছেন।

শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাত ১টার দিকে উপজেলার উত্তর বড়দল ইউনিয়নের রজনীলাইন গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত শিশুরা হলো—রজনীলাইন গ্রামের সরফত আলীর মেয়ে মাওয়া আক্তার (১০) এবং ছেলে শামিম মিয়া (৭) ও তামিম মিয়া (২)। তাদের বাবা সরফত আলী (৩৫) বর্তমানে চিকিৎসাধীন।

আরও পড়ুন  হাসপাতাল-ক্লিনিকের লাইসেন্স নবায়ন এখন দুই বছরে

স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সরফত আলীর স্ত্রী ফাতেমা বেগম তিন দিন আগে সৌদি আরবে যান। প্রবাসে যাওয়া নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মনোমালিন্য চলছিল বলে জানা গেছে। শুক্রবার রাতে সরফত আলী তিন সন্তানকে নিয়ে ঘুমাতে যান। পরে রাত ১টার দিকে তিনি সন্তানদের নিয়ে কীটনাশক পান করেন বলে জানা গেছে।

বিষপানের পর সরফত আলী ময়মনসিংহে থাকা তার এক ফুফুকে ফোন করে বিষয়টি জানান এবং পরিবারের সদস্যদের কাছে ক্ষমা চান।

পরে তার ফুফু বাড়িতে থাকা সরফত আলীর ছোট ভাই রহমত আলীকে বিষয়টি জানান। খবর পেয়ে রহমত আলীসহ পরিবারের লোকজন দ্রুত বাড়িতে গিয়ে ঘরের দরজা ভেঙে চারজনকে উদ্ধার করেন।

পরে তাদের তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক তিন শিশুকে মৃত ঘোষণা করেন। সরফত আলীর অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

তাহিরপুর থানার ওসি ফারুক আহমদ বলেন, তিন শিশুর লাশ বর্তমানে তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রয়েছে। সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে লাশগুলো সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। এ ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।