ঢাকা ০১:০৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম :
পদত্যাগের পর হাসিমুখে পূজামণ্ডপে ইশরাক সৌদি আরবে নিহত নুরুল হকের পরিবার পেলেন ক্ষতিপূরণ বিচ্ছেদের পর নতুন রূপে শেহতাজ রোহিঙ্গাদের ফেরাতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা চাইলেন ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয়ের নতুন সচিব আতাউর রহমান যুক্তরাষ্ট্রের ওপর আস্থা কমছে নেতানিয়াহুর, খুঁজছেন নতুন মিত্র সৌদিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুজনের মরদেহ দেশে আনার প্রক্রিয়া চলছে: প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী প্রাথমিক শিক্ষা সংস্কারে পাঁচ বিষয়ে অগ্রাধিকার ববি হাজ্জাজের নিজ সন্তানের জন্য হলেও ঢাকা পরিচ্ছন্ন রাখুন: প্রধানমন্ত্রী সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, তথ্যের ঘাটতি ছিল

সুন্দরবনে অপহৃত ৩৩ জেলে ও ৬ নারীকে উদ্ধার করলো কোস্টগার্ড

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:২১:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ এপ্রিল ২০২৫
  • / 293

ছবি সংগৃহীত

 

সুন্দরবনের করকরি নদী সংলগ্ন এলাকা থেকে দুর্ধর্ষ করিম শরীফ ডাকাত দলের হাতে অপহৃত ৩৩ জন জেলে ও ৬ জন নারীকে উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড। বৃহস্পতিবার (১০ এপ্রিল) ভোররাতে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

কোস্টগার্ড পশ্চিম জোনের আওতাধীন মোংলা স্টেশনের সদস্যরা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে অপহৃতদের উদ্ধার করে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কোস্টগার্ড পশ্চিম জোনের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট মাহবুব হোসেন।

আরও পড়ুন  সুন্দরবনের ১০ কিলোমিটারের মধ্যে নতুন শিল্প প্রতিষ্ঠান স্থাপনা নিষিদ্ধ করল সরকার

প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, সম্প্রতি সুন্দরবনের ওই এলাকায় মাছ ধরতে গিয়ে জেলেরা করিম শরীফ বাহিনীর হাতে পড়েন। অস্ত্রের মুখে জেলেসহ নারীদের জিম্মি করে গভীর বনে আটকে রাখা হয়। অপহরণের পর পরিবারের সদস্যদের কাছে মুক্তিপণ দাবি করেছিল ডাকাত দল।

কোস্টগার্ড জানায়, উদ্ধারকৃতদের মধ্যে বেশ কয়েকজন নারী ছিলেন যারা তাদের স্বামী বা আত্মীয়ের সঙ্গে মাছ ধরতে গিয়েছিলেন। জিম্মিদের শারীরিক ও মানসিক অবস্থা এখন স্থিতিশীল রয়েছে এবং তাদেরকে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে।

লেফটেন্যান্ট মাহবুব হোসেন বলেন, “গোপন তথ্যের ভিত্তিতে আমাদের দল দ্রুত অভিযান চালায় এবং কোন ধরনের সংঘর্ষ ছাড়াই অপহৃতদের উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। করিম শরীফ বাহিনীর সদস্যরা ঘটনার আগেই এলাকা ত্যাগ করে বলে ধারণা করা হচ্ছে।”

তিনি আরও জানান, সুন্দরবনে জলদস্যু নির্মূল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কোস্টগার্ডের টহল জোরদার করা হয়েছে। এ ধরনের অপরাধ প্রতিরোধে স্থানীয় জেলে ও বাসিন্দাদের তথ্য দিয়ে সহায়তা করার আহ্বান জানান তিনি।

উল্লেখ্য, করিম শরীফ বাহিনী দীর্ঘদিন ধরেই সুন্দরবনের বিভিন্ন পয়েন্টে দস্যুতা চালিয়ে আসছে। যদিও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একাধিক অভিযানে তাদের কার্যক্রম অনেকটা সীমিত হয়ে এলেও, সম্প্রতি আবারও তারা সক্রিয় হয়ে ওঠার আভাস মিলছে।

সুন্দরবনের মতো স্পর্শকাতর এলাকায় সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার তাগিদ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

বিষয় :

নিউজটি শেয়ার করুন

সুন্দরবনে অপহৃত ৩৩ জেলে ও ৬ নারীকে উদ্ধার করলো কোস্টগার্ড

আপডেট সময় ০১:২১:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ এপ্রিল ২০২৫

 

সুন্দরবনের করকরি নদী সংলগ্ন এলাকা থেকে দুর্ধর্ষ করিম শরীফ ডাকাত দলের হাতে অপহৃত ৩৩ জন জেলে ও ৬ জন নারীকে উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড। বৃহস্পতিবার (১০ এপ্রিল) ভোররাতে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

কোস্টগার্ড পশ্চিম জোনের আওতাধীন মোংলা স্টেশনের সদস্যরা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে অপহৃতদের উদ্ধার করে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কোস্টগার্ড পশ্চিম জোনের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট মাহবুব হোসেন।

আরও পড়ুন  সুন্দরবন সুরক্ষায় নতুন কৌশলে বন বিভাগ, ফাঁদ জমা দিলে মিলছে পুরস্কার

প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, সম্প্রতি সুন্দরবনের ওই এলাকায় মাছ ধরতে গিয়ে জেলেরা করিম শরীফ বাহিনীর হাতে পড়েন। অস্ত্রের মুখে জেলেসহ নারীদের জিম্মি করে গভীর বনে আটকে রাখা হয়। অপহরণের পর পরিবারের সদস্যদের কাছে মুক্তিপণ দাবি করেছিল ডাকাত দল।

কোস্টগার্ড জানায়, উদ্ধারকৃতদের মধ্যে বেশ কয়েকজন নারী ছিলেন যারা তাদের স্বামী বা আত্মীয়ের সঙ্গে মাছ ধরতে গিয়েছিলেন। জিম্মিদের শারীরিক ও মানসিক অবস্থা এখন স্থিতিশীল রয়েছে এবং তাদেরকে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে।

লেফটেন্যান্ট মাহবুব হোসেন বলেন, “গোপন তথ্যের ভিত্তিতে আমাদের দল দ্রুত অভিযান চালায় এবং কোন ধরনের সংঘর্ষ ছাড়াই অপহৃতদের উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। করিম শরীফ বাহিনীর সদস্যরা ঘটনার আগেই এলাকা ত্যাগ করে বলে ধারণা করা হচ্ছে।”

তিনি আরও জানান, সুন্দরবনে জলদস্যু নির্মূল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কোস্টগার্ডের টহল জোরদার করা হয়েছে। এ ধরনের অপরাধ প্রতিরোধে স্থানীয় জেলে ও বাসিন্দাদের তথ্য দিয়ে সহায়তা করার আহ্বান জানান তিনি।

উল্লেখ্য, করিম শরীফ বাহিনী দীর্ঘদিন ধরেই সুন্দরবনের বিভিন্ন পয়েন্টে দস্যুতা চালিয়ে আসছে। যদিও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একাধিক অভিযানে তাদের কার্যক্রম অনেকটা সীমিত হয়ে এলেও, সম্প্রতি আবারও তারা সক্রিয় হয়ে ওঠার আভাস মিলছে।

সুন্দরবনের মতো স্পর্শকাতর এলাকায় সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার তাগিদ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।