১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা-খুলনা লংমার্চ শুরু
- আপডেট সময় ০৯:৫২:১৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
- / 26
রাজধানী ঢাকা থেকে ১১ দলীয় ঐক্যের খুলনামুখী লংমার্চ শুরু হয়েছে। জনগণের সাত দফা দাবি আদায়, সরকারের ব্যর্থতা ও প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের প্রতিবাদে শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকালে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেট থেকে এ কর্মসূচি শুরু হয়। এতে জোটভুক্ত বিভিন্ন দলের নেতাকর্মী ও সমর্থকেরা অংশ নেন।
শনিবার সকাল ৭টায় উদ্বোধনী সমাবেশের মধ্য দিয়ে কর্মসূচির সূচনা হয়। পরে সকাল ৮টায় প্রায় ৬০০ গাড়ির বহর নিয়ে লংমার্চ যাত্রা শুরু করে। খুলনা, যশোর ও ঝিনাইদহ হয়ে কর্মসূচির শেষ গন্তব্য কুষ্টিয়া।
শুক্রবার জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লংমার্চের সর্বশেষ প্রস্তুতির কথা জানান দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।
তিনি জানান, লংমার্চের গাড়িবহর শরীয়তপুর, মাদারীপুর, ফরিদপুরের ভাঙ্গা, গোপালগঞ্জ ও বাগেরহাটের ফকিরহাট হয়ে রূপসা সেতু দিয়ে খুলনায় প্রবেশ করবে। এরপর যশোর ও ঝিনাইদহ হয়ে কুষ্টিয়ার শহীদ আবরার ফাহাদ স্টেডিয়ামে পৌঁছাবে বহরটি। সেখানে সমাপনী জনসভায় অংশ নেবেন নেতাকর্মীরা।
কর্মসূচির অংশ হিসেবে পথে ছয়টি স্থানে পথসভা অনুষ্ঠিত হবে। সকাল ৯টায় শরীয়তপুরের জাজিরার নাওডোবা এবং সকাল ১১টায় বাগেরহাটের ফকিরহাটের কাঁটাখালীর মোড়ে পথসভা হওয়ার কথা রয়েছে।
এ ছাড়া দুপুর সাড়ে ১২টায় খুলনা মহানগরীর বাবরী চত্বর এবং দুপুর ২টায় ফুলতলার বাসস্ট্যান্ডের স্বাধীনতা চত্বরে পথসভা অনুষ্ঠিত হবে। বিকেল সাড়ে ৩টায় যশোরের মুড়লীর মোড় এবং বিকেল ৫টায় ঝিনাইদহ বাস টার্মিনালেও পথসভা করবে জোটটি।
সবশেষে রাত সাড়ে ৮টায় কুষ্টিয়ার শহীদ আবরার ফাহাদ স্টেডিয়ামে সমাপনী জনসভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ, তেল, গ্যাস ও সার সংকট নিরসন এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণের দাবিতে এ লংমার্চের আয়োজন করা হয়েছে।
এ ছাড়া দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও দখলদারি বন্ধ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং দলীয়করণ বন্ধের দাবিও কর্মসূচিতে তুলে ধরা হবে বলে জানান তিনি।
জনগণের সাত দফা দাবি আদায় এবং সরকারের ব্যর্থতা ও প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের প্রতিবাদে এটি ১১ দলীয় ঐক্যের তৃতীয় দফার লংমার্চ। ঢাকা থেকে খুলনা, যশোর ও ঝিনাইদহ হয়ে কুষ্টিয়া পর্যন্ত প্রায় ৪১০ কিলোমিটার দীর্ঘ এ কর্মসূচিকে আগের দুটি লংমার্চের তুলনায় জোটটির সবচেয়ে বড় আয়োজন হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

























