ঢাকা ০৪:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
বাংলাদেশের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক চাইলে ভারতের হাসিনাকে ফেরত দিতে হবে: তথ্য উপদেষ্টা প্রথম রোজা কবে, জানা গেল সম্ভাব্য তারিখ ৭ মাসে কোনো মানবাধিকার লঙ্ঘন হয়নি: মাহ্দী আমিন শাহজালাল (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করলেন রাষ্ট্রপতি স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সরকারের সিদ্ধান্ত গুরুত্বপূর্ণ: জাহেদ ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রিজভীর সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ মানবতাবিরোধী অপরাধে ওবায়দুল কাদেরের মৃত্যুদণ্ড ২২.৩ বিলিয়ন ডলার ব্যয় গোলাবারুদেই, চাপে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি মুসলিম বিশ্বে ঐক্যের বার্তা দিচ্ছে: এরদোয়ান শহীদ দুই সেনাসদস্যের পরিবারের পাশে প্রধানমন্ত্রী

৭ মাসে কোনো মানবাধিকার লঙ্ঘন হয়নি: মাহ্দী আমিন

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:৫২:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 31

ছবি সংগৃহীত

 

রাজধানীতে ‘গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও জবাবদিহিতামূলক সরকার ব্যবস্থা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন দাবি করেছেন, বর্তমান সরকারের সাত মাসে কোনো মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেনি।

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) আয়োজিত এ সভায় মাহ্দী আমিন বলেন, বর্তমান সরকার স্মরণকালের সর্বোচ্চ বাকস্বাধীনতা নিশ্চিত করেছে। একই সঙ্গে কোনো বিরোধী দলের মত বা রাজনৈতিক পথ রুদ্ধ করা হয়নি।

আরও পড়ুন  পলাতক ৭০ কর্মকর্তাকে সিরিয়ার হাতে হস্তান্তর করেছে লেবানন

তিনি বলেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত বিএনপি সরকার গত সাত মাসে রাষ্ট্র পরিচালনায় সর্বোচ্চ বাকস্বাধীনতা নিশ্চিত করেছে। রাষ্ট্রীয় মদদে কোনো মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনাও ঘটেনি। বহু প্রাণের বিনিময়ে দেশে গণতন্ত্র অর্জিত হয়েছে উল্লেখ করে নারী ও তরুণদের সঙ্গে নিয়ে গণতান্ত্রিক পথচলা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান তিনি।

আলোচনায় টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, বাংলাদেশের জন্য এখন সবচেয়ে জরুরি একটি জবাবদিহিতামূলক সরকার ব্যবস্থা। তিনি দুর্নীতি দমন কমিশন ও বিচার ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে পারে—এমন কিছু অধ্যাদেশ বাতিল হওয়া অপ্রত্যাশিত। গুমসংক্রান্ত আইন, মানবাধিকার আইন সংস্কার এবং র‍্যাব বিলুপ্তির মতো বিষয় নিয়েও তিনি প্রশ্ন তোলেন। পাশাপাশি একটি কার্যকর ও জবাবদিহিতামূলক জাতীয় সংসদের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন।

নারী ও শিশুদের ওপর সহিংসতা, পুলিশ হেফাজতে মৃত্যু এবং জনগণের অংশগ্রহণ ছাড়া কিছু আইন পাসের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেন ইফতেখারুজ্জামান। এসব ক্ষেত্রে প্রত্যাশিত পরিবর্তন না আসায় হতাশা তৈরি হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

জবাবে মাহ্দী আমিন বলেন, রাষ্ট্রীয় মদদে কোনো মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেনি। আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে আলোচনা হয়েছে, তবে একবারে শতভাগ পরিবর্তন সম্ভব নয়।

সভায় বাসদের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ডা. মনীষা চক্রবর্তী বলেন, সংসদ সদস্যদের বড় একটি অংশ ব্যবসায়ী। অর্থ ব্যয় ছাড়া সংসদ সদস্য হওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। তার দাবি, গণতন্ত্র এখন সাধারণ মানুষের বদলে ব্যবসায়ীদের জন্য এবং ব্যবসায়ীদের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে।

রাজনীতিবিদ ও অ্যাকটিভিস্ট ডা. তাসনীম জারা বলেন, সরকারি দফতরে নাগরিকদের অনেক সময় প্রজার মতো সেবা নিতে হয়, যা হওয়া উচিত নয়। আইন প্রণয়ন ও খসড়া তৈরির ক্ষেত্রে জনগণের অংশগ্রহণও যথেষ্ট নেই বলে মন্তব্য করেন তিনি।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

৭ মাসে কোনো মানবাধিকার লঙ্ঘন হয়নি: মাহ্দী আমিন

আপডেট সময় ০৩:৫২:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

রাজধানীতে ‘গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও জবাবদিহিতামূলক সরকার ব্যবস্থা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন দাবি করেছেন, বর্তমান সরকারের সাত মাসে কোনো মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেনি।

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) আয়োজিত এ সভায় মাহ্দী আমিন বলেন, বর্তমান সরকার স্মরণকালের সর্বোচ্চ বাকস্বাধীনতা নিশ্চিত করেছে। একই সঙ্গে কোনো বিরোধী দলের মত বা রাজনৈতিক পথ রুদ্ধ করা হয়নি।

আরও পড়ুন  মানবাধিকারের পক্ষে থাকুন, ঘেটো বানাবেন না: তথ্য উপদেষ্টা

তিনি বলেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত বিএনপি সরকার গত সাত মাসে রাষ্ট্র পরিচালনায় সর্বোচ্চ বাকস্বাধীনতা নিশ্চিত করেছে। রাষ্ট্রীয় মদদে কোনো মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনাও ঘটেনি। বহু প্রাণের বিনিময়ে দেশে গণতন্ত্র অর্জিত হয়েছে উল্লেখ করে নারী ও তরুণদের সঙ্গে নিয়ে গণতান্ত্রিক পথচলা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান তিনি।

আলোচনায় টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, বাংলাদেশের জন্য এখন সবচেয়ে জরুরি একটি জবাবদিহিতামূলক সরকার ব্যবস্থা। তিনি দুর্নীতি দমন কমিশন ও বিচার ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে পারে—এমন কিছু অধ্যাদেশ বাতিল হওয়া অপ্রত্যাশিত। গুমসংক্রান্ত আইন, মানবাধিকার আইন সংস্কার এবং র‍্যাব বিলুপ্তির মতো বিষয় নিয়েও তিনি প্রশ্ন তোলেন। পাশাপাশি একটি কার্যকর ও জবাবদিহিতামূলক জাতীয় সংসদের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন।

নারী ও শিশুদের ওপর সহিংসতা, পুলিশ হেফাজতে মৃত্যু এবং জনগণের অংশগ্রহণ ছাড়া কিছু আইন পাসের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেন ইফতেখারুজ্জামান। এসব ক্ষেত্রে প্রত্যাশিত পরিবর্তন না আসায় হতাশা তৈরি হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

জবাবে মাহ্দী আমিন বলেন, রাষ্ট্রীয় মদদে কোনো মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেনি। আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে আলোচনা হয়েছে, তবে একবারে শতভাগ পরিবর্তন সম্ভব নয়।

সভায় বাসদের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ডা. মনীষা চক্রবর্তী বলেন, সংসদ সদস্যদের বড় একটি অংশ ব্যবসায়ী। অর্থ ব্যয় ছাড়া সংসদ সদস্য হওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। তার দাবি, গণতন্ত্র এখন সাধারণ মানুষের বদলে ব্যবসায়ীদের জন্য এবং ব্যবসায়ীদের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে।

রাজনীতিবিদ ও অ্যাকটিভিস্ট ডা. তাসনীম জারা বলেন, সরকারি দফতরে নাগরিকদের অনেক সময় প্রজার মতো সেবা নিতে হয়, যা হওয়া উচিত নয়। আইন প্রণয়ন ও খসড়া তৈরির ক্ষেত্রে জনগণের অংশগ্রহণও যথেষ্ট নেই বলে মন্তব্য করেন তিনি।