ঢাকা ১০:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

তারেক রহমানের ১৯তম কারামুক্তি দিবস আজ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:১৭:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 60

ছবি সংগৃহীত

 

২০০৭ সালের সেনাসমর্থিত ওয়ান-ইলেভেন সরকারের সময় গ্রেপ্তারের পর ৫৫৪ দিন কারাবন্দি থাকার পর মুক্তি পেয়েছিলেন বিএনপির তৎকালীন সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব তারেক রহমান। ২০০৮ সালের ৩ সেপ্টেম্বর রাজধানীর তৎকালীন পিজি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মুক্তির দিনটিকে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা কারামুক্তি দিবস হিসেবে পালন করে আসছেন।

২০০৭ সালের ৭ মার্চ ভোররাতে বাসা থেকে তারেক রহমানকে তুলে নেওয়া হয়। গ্রেপ্তারের পর তাঁকে দীর্ঘ সময় কারাবন্দি থাকতে হয়। এ সময় রিমান্ডের নামে তাঁর ওপর অমানবিক নির্যাতন চালানোর অভিযোগ ওঠে। নিষ্ঠুর নির্যাতনে তাঁর মেরুদণ্ড ভেঙে দেওয়া হয় বলেও বিএনপির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়।

আরও পড়ুন  একুশে পদক-২০২৬ প্রদান করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় তারেক রহমানকে রাজধানীর তৎকালীন পিজি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে বিভিন্ন মামলায় জামিন পাওয়ার পর ২০০৮ সালের ৩ সেপ্টেম্বর হাসপাতালেই তিনি মুক্তি পান।

মুক্তির পর শুরু হয় তাঁর দীর্ঘ নির্বাসিত জীবন। উচ্চ আদালতের নির্দেশে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে লন্ডনে নেওয়া হয়। তাঁর সঙ্গে যান স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান ও একমাত্র কন্যা জাইমা রহমান।

তারেক রহমানের মুক্তির দিনটি প্রতিবছর কারামুক্তি দিবস হিসেবে পালন করে বিএনপি এবং দলটির বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন।

নিউজটি শেয়ার করুন

তারেক রহমানের ১৯তম কারামুক্তি দিবস আজ

আপডেট সময় ০৫:১৭:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

২০০৭ সালের সেনাসমর্থিত ওয়ান-ইলেভেন সরকারের সময় গ্রেপ্তারের পর ৫৫৪ দিন কারাবন্দি থাকার পর মুক্তি পেয়েছিলেন বিএনপির তৎকালীন সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব তারেক রহমান। ২০০৮ সালের ৩ সেপ্টেম্বর রাজধানীর তৎকালীন পিজি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মুক্তির দিনটিকে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা কারামুক্তি দিবস হিসেবে পালন করে আসছেন।

২০০৭ সালের ৭ মার্চ ভোররাতে বাসা থেকে তারেক রহমানকে তুলে নেওয়া হয়। গ্রেপ্তারের পর তাঁকে দীর্ঘ সময় কারাবন্দি থাকতে হয়। এ সময় রিমান্ডের নামে তাঁর ওপর অমানবিক নির্যাতন চালানোর অভিযোগ ওঠে। নিষ্ঠুর নির্যাতনে তাঁর মেরুদণ্ড ভেঙে দেওয়া হয় বলেও বিএনপির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়।

আরও পড়ুন  নারীদের উন্নয়নে একসাথে কাজ করার আহ্বান তারেক রহমানের

গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় তারেক রহমানকে রাজধানীর তৎকালীন পিজি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে বিভিন্ন মামলায় জামিন পাওয়ার পর ২০০৮ সালের ৩ সেপ্টেম্বর হাসপাতালেই তিনি মুক্তি পান।

মুক্তির পর শুরু হয় তাঁর দীর্ঘ নির্বাসিত জীবন। উচ্চ আদালতের নির্দেশে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে লন্ডনে নেওয়া হয়। তাঁর সঙ্গে যান স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান ও একমাত্র কন্যা জাইমা রহমান।

তারেক রহমানের মুক্তির দিনটি প্রতিবছর কারামুক্তি দিবস হিসেবে পালন করে বিএনপি এবং দলটির বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন।