ঢাকা ০৯:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম :
স্বামীর জায়গায় ট্রাম্পের নাম বলে ভাইরাল হোয়াইট হাউসের নতুন প্রেস সচিব প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ৩ অনুপ্রেরণাদায়ী ব্যক্তির সাক্ষাৎ অপারেশন ক্লিন হার্ট নিয়ে যা জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ফ্যামিলি কার্ডে অনিয়ম করলে ছাড় নয়: প্রতিমন্ত্রী তরুণদের প্রশ্ন করার স্বাধীনতা দিতে হবে: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী পুরো প্রজন্মকে ভয় দেখিয়ে স্তব্ধ করার চেষ্টা হচ্ছে: মমতা সরকারি হাসপাতালে দালালদের দৌরাত্ম্য বন্ধে সমন্বিত নীতিমালা: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী দুই বাংলাদেশির লাশ ফেরাতে সৌদির সহায়তা চাইল বাংলাদেশ গাজীপুরে ওষুধ কারখানার আগুন নিয়ন্ত্রণে সিজেপির দুই নেতা তিহার কারাগারে

নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতা: পশ্চিমবঙ্গে চলছে গণগ্রেপ্তার

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:৫৬:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬
  • / 199

ছবি: সংগৃহীত

 

পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের পর রাজ্যজুড়ে ছড়িয়ে পড়া সহিংসতা নিয়ন্ত্রণে কঠোর অবস্থানে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। গত ৪৮ ঘণ্টায় বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৪৩৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে আরও প্রায় ১ হাজার ১০০ জনকে আটক করা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক সিদ্ধনাথ গুপ্ত এবং কলকাতা পুলিশ কমিশনার অজয় কুমার নন্দ পৃথকভাবে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশের দেওয়া তথ্যমতে, ৪ মে নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর থেকে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে প্রতিপক্ষকে হুমকি, মারধর ও অগ্নিসংযোগের মতো অসংখ্য অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এখন পর্যন্ত বিভিন্ন থানায় ২০০টির বেশি প্রাথমিক তথ্য বিবরণী বা এফআইআর নথিভুক্ত করা হয়েছে।
এসব সহিংসতায় এখন পর্যন্ত তিনজন নিহত হওয়ার খবর নিশ্চিত করেছে পুলিশ। যার মধ্যে সর্বশেষ ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনার মধ্যমগ্রামে।

আরও পড়ুন  মুসলিম ফেরিওয়ালাকে পশ্চিমবঙ্গে কুপিয়ে হত্যা

বুধবার রাতে মধ্যমগ্রামের দোহারিয়া এলাকায় বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীর ব্যক্তিগত সহকারী চন্দ্রনাথ রথকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় দুর্বৃত্তরা। এতে তিনি নিহত হন এবং তার সাথে থাকা এক যুবক গুরুতর আহত হন।
এছাড়া নান্নুর এবং নিউ টাউন এলাকায় আরও দুজন নিহত হয়েছেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তদন্ত চলছে এবং কয়েকজনকে ইতোমধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

কলকাতা পুলিশ কমিশনার অজয় কুমার নন্দ জানিয়েছেন, শহরের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বিশেষ অভিযান চালানো হচ্ছে। শুধুমাত্র কলকাতা এলাকা থেকেই ৮০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
দুষ্কৃতকারীদের দমনে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা হয়েছে এবং অস্ত্র উদ্ধারে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। যেকোনো ধরনের বিজয় মিছিল বা জমায়েতের জন্য পুলিশের পূর্বানুমতি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

রাজ্যজুড়ে বিদ্যমান উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যে নির্বাচন কমিশন পশ্চিমবঙ্গ প্রশাসনকে শান্তি বজায় রাখার কঠোর নির্দেশ দিয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, পরিস্থিতির ওপর সার্বক্ষণিক নজরদারি চালানো হচ্ছে এবং স্পর্শকাতর এলাকাগুলোতে অতিরিক্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন রাখা হয়েছে।
সহিংসতা বন্ধে এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতা: পশ্চিমবঙ্গে চলছে গণগ্রেপ্তার

আপডেট সময় ০১:৫৬:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬

 

পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের পর রাজ্যজুড়ে ছড়িয়ে পড়া সহিংসতা নিয়ন্ত্রণে কঠোর অবস্থানে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। গত ৪৮ ঘণ্টায় বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৪৩৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে আরও প্রায় ১ হাজার ১০০ জনকে আটক করা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক সিদ্ধনাথ গুপ্ত এবং কলকাতা পুলিশ কমিশনার অজয় কুমার নন্দ পৃথকভাবে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশের দেওয়া তথ্যমতে, ৪ মে নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর থেকে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে প্রতিপক্ষকে হুমকি, মারধর ও অগ্নিসংযোগের মতো অসংখ্য অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এখন পর্যন্ত বিভিন্ন থানায় ২০০টির বেশি প্রাথমিক তথ্য বিবরণী বা এফআইআর নথিভুক্ত করা হয়েছে।
এসব সহিংসতায় এখন পর্যন্ত তিনজন নিহত হওয়ার খবর নিশ্চিত করেছে পুলিশ। যার মধ্যে সর্বশেষ ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনার মধ্যমগ্রামে।

আরও পড়ুন  নোয়াখালীতে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আটক ৬৮

বুধবার রাতে মধ্যমগ্রামের দোহারিয়া এলাকায় বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীর ব্যক্তিগত সহকারী চন্দ্রনাথ রথকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় দুর্বৃত্তরা। এতে তিনি নিহত হন এবং তার সাথে থাকা এক যুবক গুরুতর আহত হন।
এছাড়া নান্নুর এবং নিউ টাউন এলাকায় আরও দুজন নিহত হয়েছেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তদন্ত চলছে এবং কয়েকজনকে ইতোমধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

কলকাতা পুলিশ কমিশনার অজয় কুমার নন্দ জানিয়েছেন, শহরের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বিশেষ অভিযান চালানো হচ্ছে। শুধুমাত্র কলকাতা এলাকা থেকেই ৮০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
দুষ্কৃতকারীদের দমনে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা হয়েছে এবং অস্ত্র উদ্ধারে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। যেকোনো ধরনের বিজয় মিছিল বা জমায়েতের জন্য পুলিশের পূর্বানুমতি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

রাজ্যজুড়ে বিদ্যমান উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যে নির্বাচন কমিশন পশ্চিমবঙ্গ প্রশাসনকে শান্তি বজায় রাখার কঠোর নির্দেশ দিয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, পরিস্থিতির ওপর সার্বক্ষণিক নজরদারি চালানো হচ্ছে এবং স্পর্শকাতর এলাকাগুলোতে অতিরিক্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন রাখা হয়েছে।
সহিংসতা বন্ধে এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।