সরকারি হাসপাতালে দালালদের দৌরাত্ম্য বন্ধে সমন্বিত নীতিমালা: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী
- আপডেট সময় ০৪:১৮:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬
- / 19
সরকারি হাসপাতালকেন্দ্রিক দালালদের দৌরাত্ম্য বন্ধে দ্রুত একটি সমন্বিত নীতিমালা প্রণয়ন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত। তিনি বলেছেন, দালালদের দৌরাত্ম্য কোনো নির্দিষ্ট হাসপাতালের সমস্যা নয়; এটি সারা দেশের একটি জাতীয় ব্যাধি। অসচ্ছল ও দূর-দূরান্ত থেকে আসা রোগীদের বিভ্রান্ত করে অনৈতিকভাবে বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার কর্মকাণ্ড স্পষ্টতই অপরাধ। এসব অপকর্ম বন্ধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আরও কঠোর ও কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর শহীদ সোহ্রাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শনকালে সংবাদকর্মীদের এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।
তিনি জানান, সরকারি হাসপাতালের আশপাশে যত্রতত্র বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার স্থাপন কঠিন করা এবং সরকারি চিকিৎসকদের এসব প্রতিষ্ঠানে কাজ করার বিষয়ে সুনির্দিষ্ট নীতিমালা তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
হাসপাতালের সার্বিক পরিচ্ছন্নতা পরিস্থিতি দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, সঠিক নজরদারি থাকলে হাসপাতাল পরিষ্কার রাখা সম্ভব। স্বাস্থ্যব্যবস্থার প্রতি জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে সার্বক্ষণিক পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
পরিদর্শনের একপর্যায়ে হাসপাতালের কয়েকটি স্থানে জমে থাকা ময়লা দেখে তা দ্রুত অপসারণের নির্দেশ দেন তিনি। ডেঙ্গু প্রতিরোধে সতর্ক থাকার ওপর গুরুত্ব দিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, অক্টোবর ও নভেম্বর মাস ডেঙ্গুর জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অন্য রোগীরা যেন এডিস মশার মাধ্যমে নতুন করে আক্রান্ত না হন, সে জন্য সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, পর্যাপ্ত জনবল নিশ্চিত করে রোগীদের মানসম্মত চিকিৎসা দেওয়া এবং সেবাবান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলাই সরকারের মূল লক্ষ্য। প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার ও সাধারণ মানুষের সচেতনতার মাধ্যমে স্বাস্থ্য খাতের অনিয়ম দূর করে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা হবে।
হাসপাতালের প্রধান ফটকের পাশে অবস্থিত মর্গ থেকে দুর্গন্ধ ছড়ানোর বিষয়টি তুলে ধরা হলে প্রতিমন্ত্রী জানান, স্থান সংকুলান হলে জনস্বার্থে মর্গটি সুবিধাজনক স্থানে স্থানান্তরের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া দেশের ২১টি মর্গের পরিবেশ উন্নয়ন ও আধুনিকায়নে ইতোমধ্যে উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) গ্রহণ করা হয়েছে। এ প্রকল্পের কাজ চলতি বছরেই শুরু হবে।






















