ঢাকা ১২:৫৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশলের ভুলে শিরোপা হারাল আর্জেন্টিনা; বিবিসির বিশ্লেষণ দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষ, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ রিজেন্টের সেই সাহেদ ফের গ্রেপ্তার সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন

২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ না থাকায় ব্যাখ্যা চাইল বিসিবি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:১২:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 700

ছবি: সংগৃহীত

 

২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে অন্তর্ভুক্ত না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। একই সঙ্গে বাংলাদেশি সাংবাদিকদের বিশ্বকাপ কাভার করার জন্য করা অ্যাক্রেডিটেশন আবেদনও গ্রহণ করা হয়নি। এ সিদ্ধান্তের ব্যাখ্যা জানতে আইসিসির কাছে চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।

বিসিবি সূত্র জানায়, টানা ২১ দিনের আলোচনা শেষে গত ২৪ জানুয়ারি আইসিসি বাংলাদেশকে বাদ দিয়ে স্কটল্যান্ডকে প্রতিযোগিতায় অন্তর্ভুক্ত করে। ওই দিনই ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পূর্ণাঙ্গ সূচিও প্রকাশ করা হয়। পরবর্তীতে বাংলাদেশের গণমাধ্যমকর্মীদের পাঠানো অ্যাক্রেডিটেশন আবেদন প্রত্যাখ্যান করা হয়।

আরও পড়ুন  মেসি বিশ্বকাপে যে দলের বিপক্ষে খেলতে চায় না

বিসিবির মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন জানান, বিষয়টি নিয়ে আইসিসির কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে কারণ জানতে চাওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, এ ধরনের সিদ্ধান্তের পেছনের ব্যাখ্যা সাধারণত প্রকাশ্যে জানানো হয় না।

এর আগে বাংলাদেশ কোনো বড় আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে অংশ না নিলেও দেশটির সাংবাদিকরা কাভারেজের সুযোগ পেয়েছেন বলে উল্লেখ করেন তিনি। উদাহরণ হিসেবে তিনি ১৯৯৬ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ ও ২০১৩ সালের চ্যাম্পিয়নস ট্রফির কথা তুলে ধরেন। আমজাদ হোসেন বলেন, ফুটবলের ফিফা বিশ্বকাপেও বাংলাদেশ কখনো অংশ নেয়নি, তবুও বাংলাদেশি সাংবাদিকরা নিয়মিতভাবে টুর্নামেন্ট কাভার করে থাকেন।

তিনি আরও বলেন, ক্রিকেটে বাংলাদেশ দর্শকসংখ্যার দিক থেকে বিশ্বের তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে। দল অংশগ্রহণ না করলেও সাংবাদিকদের মাধ্যমে বিশ্বকাপের আয়োজন ও ম্যাচগুলো দেশের দর্শকদের কাছে তুলে ধরার সুযোগ থাকা উচিত ছিল।

এদিকে আইসিসি সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, বাংলাদেশের সাংবাদিকদের ভিসা ও অ্যাক্রেডিটেশন না দেওয়ার ক্ষেত্রে ভারত সরকারের নিরাপত্তা সংক্রান্ত আপত্তির বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ না থাকায় ব্যাখ্যা চাইল বিসিবি

আপডেট সময় ০৪:১২:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬

 

২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে অন্তর্ভুক্ত না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। একই সঙ্গে বাংলাদেশি সাংবাদিকদের বিশ্বকাপ কাভার করার জন্য করা অ্যাক্রেডিটেশন আবেদনও গ্রহণ করা হয়নি। এ সিদ্ধান্তের ব্যাখ্যা জানতে আইসিসির কাছে চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।

বিসিবি সূত্র জানায়, টানা ২১ দিনের আলোচনা শেষে গত ২৪ জানুয়ারি আইসিসি বাংলাদেশকে বাদ দিয়ে স্কটল্যান্ডকে প্রতিযোগিতায় অন্তর্ভুক্ত করে। ওই দিনই ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পূর্ণাঙ্গ সূচিও প্রকাশ করা হয়। পরবর্তীতে বাংলাদেশের গণমাধ্যমকর্মীদের পাঠানো অ্যাক্রেডিটেশন আবেদন প্রত্যাখ্যান করা হয়।

আরও পড়ুন  এশিয়া কাপ মিশন, দেশ ছাড়লো বাংলাদেশ

বিসিবির মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন জানান, বিষয়টি নিয়ে আইসিসির কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে কারণ জানতে চাওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, এ ধরনের সিদ্ধান্তের পেছনের ব্যাখ্যা সাধারণত প্রকাশ্যে জানানো হয় না।

এর আগে বাংলাদেশ কোনো বড় আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে অংশ না নিলেও দেশটির সাংবাদিকরা কাভারেজের সুযোগ পেয়েছেন বলে উল্লেখ করেন তিনি। উদাহরণ হিসেবে তিনি ১৯৯৬ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ ও ২০১৩ সালের চ্যাম্পিয়নস ট্রফির কথা তুলে ধরেন। আমজাদ হোসেন বলেন, ফুটবলের ফিফা বিশ্বকাপেও বাংলাদেশ কখনো অংশ নেয়নি, তবুও বাংলাদেশি সাংবাদিকরা নিয়মিতভাবে টুর্নামেন্ট কাভার করে থাকেন।

তিনি আরও বলেন, ক্রিকেটে বাংলাদেশ দর্শকসংখ্যার দিক থেকে বিশ্বের তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে। দল অংশগ্রহণ না করলেও সাংবাদিকদের মাধ্যমে বিশ্বকাপের আয়োজন ও ম্যাচগুলো দেশের দর্শকদের কাছে তুলে ধরার সুযোগ থাকা উচিত ছিল।

এদিকে আইসিসি সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, বাংলাদেশের সাংবাদিকদের ভিসা ও অ্যাক্রেডিটেশন না দেওয়ার ক্ষেত্রে ভারত সরকারের নিরাপত্তা সংক্রান্ত আপত্তির বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।