ঢাকা ০৩:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬

রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের জন্য প্রস্তুত বঙ্গভবন

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:০০:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬
  • / 11

ছবি: সংগৃহীত

 

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে বলে বঙ্গভবনের দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে। সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ দেশে ফেরার পর রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের বিষয়ে পরবর্তী আনুষ্ঠানিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

বঙ্গভবন সূত্র জানায়, স্পিকার দেশে ফেরার পর রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষরিত পদত্যাগপত্র ঠিক কখন এবং কীভাবে তার কাছে হস্তান্তর করা হবে, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করতে চাইলে তাকে জাতীয় সংসদের স্পিকারের উদ্দেশে স্বাক্ষরিত পদত্যাগপত্র জমা দিতে হয়।

আরও পড়ুন  গোপালগঞ্জে আওয়ামী লীগ নেতার পদত্যাগ

সংবিধানের বিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। একই সঙ্গে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদকে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হবে।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকেই রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের দাবি বিভিন্ন মহলে জোরালো হতে থাকে। এর ধারাবাহিকতায় সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির প্রারম্ভিক ভাষণের সময় বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানান।

মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। স্বাভাবিক নিয়মে তার পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ২০২৮ সালের এপ্রিলে।

রাষ্ট্রপতি হিসেবে তার দায়িত্ব পালনকাল দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের অন্যতম ঘটনাবহুল সময় হিসেবে বিবেচিত। তার মেয়াদকালেই ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থান, আওয়ামী লীগ সরকারের পতন, অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব গ্রহণ এবং সর্বশেষ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া দেশের ইতিহাসে স্বল্প সময়ের ব্যবধানে তিনজন ভিন্ন সরকারপ্রধানকে শপথ পড়ানোর নজিরও গড়েন তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের জন্য প্রস্তুত বঙ্গভবন

আপডেট সময় ০৩:০০:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬

 

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে বলে বঙ্গভবনের দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে। সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ দেশে ফেরার পর রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের বিষয়ে পরবর্তী আনুষ্ঠানিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

বঙ্গভবন সূত্র জানায়, স্পিকার দেশে ফেরার পর রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষরিত পদত্যাগপত্র ঠিক কখন এবং কীভাবে তার কাছে হস্তান্তর করা হবে, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করতে চাইলে তাকে জাতীয় সংসদের স্পিকারের উদ্দেশে স্বাক্ষরিত পদত্যাগপত্র জমা দিতে হয়।

আরও পড়ুন  ট্রাম্পকে দ্রুত পদচ্যুত করার দাবি এনএএসিপি-র

সংবিধানের বিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। একই সঙ্গে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদকে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হবে।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকেই রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের দাবি বিভিন্ন মহলে জোরালো হতে থাকে। এর ধারাবাহিকতায় সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির প্রারম্ভিক ভাষণের সময় বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানান।

মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। স্বাভাবিক নিয়মে তার পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ২০২৮ সালের এপ্রিলে।

রাষ্ট্রপতি হিসেবে তার দায়িত্ব পালনকাল দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের অন্যতম ঘটনাবহুল সময় হিসেবে বিবেচিত। তার মেয়াদকালেই ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থান, আওয়ামী লীগ সরকারের পতন, অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব গ্রহণ এবং সর্বশেষ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া দেশের ইতিহাসে স্বল্প সময়ের ব্যবধানে তিনজন ভিন্ন সরকারপ্রধানকে শপথ পড়ানোর নজিরও গড়েন তিনি।