ঢাকা ০৪:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
গ্যাস-বিদ্যুৎ নিয়ে পরামর্শ দিন, রাজপথে হুমকি নয়: রিজভী ‘যৌনাঙ্গ চুরি’র গুজবে আফ্রিকায় ৮০ জনের বেশি নিহত সাংবাদিকদের স্বাধীনতা নিশ্চিত করছে সরকার: তথ্য প্রতিমন্ত্রী ধর্মঘট প্রত্যাহার ভারতীয়দের, শনিবার থেকে হিলি বন্দরে বাণিজ্য শুরু জেন-জিদের পর এবার শিক্ষা সংস্কারের দাবিতে ভারতে জেন-আলফার বিক্ষোভ এক্সপ্রেসওয়ে থেকে স্কচটেপ মোড়ানো মরদেহ উদ্ধার প্রতিমন্ত্রীর গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ধানক্ষেতে শত বছর পর যুক্তরাষ্ট্রের মুদ্রায় জীবিত প্রেসিডেন্টের ট্রাম্পের প্রতিকৃতি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সর্বোচ্চ রান ও সেঞ্চুরির রেকর্ড স্মৃতি মন্ধানার কিংবদন্তি গাজী মাজহারুলের প্রয়াণ দিবস আজ

বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ আগামী নির্বাচনেই নির্ধারিত হবে: প্রধান উপদেষ্টা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:৪৩:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 1766

ছবি সংগৃহীত

 

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের মাধ্যমেই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারিত হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর হোটেল লা মেরিডিয়ানে ‘উচ্চশিক্ষার বর্তমান অবস্থা এবং ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা–২০২৬’ শীর্ষক তিন দিনব্যাপী দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

আরও পড়ুন  দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো চট্টগ্রাম সফরে যাচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, তরুণরা রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হচ্ছে এবং তিনি আশা প্রকাশ করেন, তাদের অনেকেই আগামী নির্বাচনে জয়ী হবে। তিনি বলেন, জুলাই চার্টার ইতোমধ্যে তৈরি হয়েছে এবং আগামী ফেব্রুয়ারির নির্বাচনই ভবিষ্যতের বাংলাদেশ গঠনের দিকনির্দেশনা দেবে।

চাকরি না খুঁজে উদ্যোক্তা হওয়ার ওপর গুরুত্ব দিয়ে ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, শিক্ষার মূল লক্ষ্য কেবল চাকরির উপযোগী জনশক্তি তৈরি করা নয়। বরং সৃজনশীল, স্বাধীন চিন্তাশীল ও উদ্ভাবনী মানুষ গড়ে তোলাই শিক্ষাব্যবস্থার প্রধান উদ্দেশ্য হওয়া উচিত।

তিনি বলেন, শিক্ষা যদি শুধু চাকরি পাওয়ার হাতিয়ার হিসেবে সীমাবদ্ধ থাকে, তাহলে তার প্রকৃত লক্ষ্য ব্যাহত হয়। শিক্ষার্থীদের চাকরিপ্রার্থী নয়, চাকরি সৃষ্টিকারী হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। উদ্যোক্তা মানসিকতা, কল্পনাশক্তি ও নতুন কিছু তৈরির সাহস শিক্ষার মাধ্যমে বিকশিত হওয়া জরুরি।

দক্ষিণ এশিয়ার সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে সরকারপ্রধান বলেন, এই অঞ্চল অত্যন্ত সম্ভাবনাময় হলেও রাজনৈতিক অস্থিরতা, সামাজিক বিভাজন ও ভুল নীতির কারণে অনেক সুযোগ কাজে লাগানো যায় না। শিক্ষা হতে পারে সেই শক্তি, যা এ অঞ্চলের তরুণদের পরিবর্তনের নেতৃত্ব দিতে সক্ষম করে তুলবে।

বাংলাদেশ সরকার ও বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) বাস্তবায়নাধীন ‘হায়ার এডুকেশন এক্সিলারেশন অ্যান্ড ট্রান্সফরমেশন (হিট)’ প্রকল্পের আওতায় এই সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. চৌধুরী রফিকুল আবরার। সম্মেলনে যুক্তরাজ্য, মালদ্বীপ, মালয়েশিয়া, নেপাল, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কাসহ বিভিন্ন দেশ এবং বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধিসহ মোট ৩০ জন আন্তর্জাতিক প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করেন।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ আগামী নির্বাচনেই নির্ধারিত হবে: প্রধান উপদেষ্টা

আপডেট সময় ০৩:৪৩:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬

 

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের মাধ্যমেই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারিত হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর হোটেল লা মেরিডিয়ানে ‘উচ্চশিক্ষার বর্তমান অবস্থা এবং ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা–২০২৬’ শীর্ষক তিন দিনব্যাপী দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

আরও পড়ুন  আজ শনিবার বিএনপি-জামায়াতের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন প্রধান উপদেষ্টা

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, তরুণরা রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হচ্ছে এবং তিনি আশা প্রকাশ করেন, তাদের অনেকেই আগামী নির্বাচনে জয়ী হবে। তিনি বলেন, জুলাই চার্টার ইতোমধ্যে তৈরি হয়েছে এবং আগামী ফেব্রুয়ারির নির্বাচনই ভবিষ্যতের বাংলাদেশ গঠনের দিকনির্দেশনা দেবে।

চাকরি না খুঁজে উদ্যোক্তা হওয়ার ওপর গুরুত্ব দিয়ে ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, শিক্ষার মূল লক্ষ্য কেবল চাকরির উপযোগী জনশক্তি তৈরি করা নয়। বরং সৃজনশীল, স্বাধীন চিন্তাশীল ও উদ্ভাবনী মানুষ গড়ে তোলাই শিক্ষাব্যবস্থার প্রধান উদ্দেশ্য হওয়া উচিত।

তিনি বলেন, শিক্ষা যদি শুধু চাকরি পাওয়ার হাতিয়ার হিসেবে সীমাবদ্ধ থাকে, তাহলে তার প্রকৃত লক্ষ্য ব্যাহত হয়। শিক্ষার্থীদের চাকরিপ্রার্থী নয়, চাকরি সৃষ্টিকারী হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। উদ্যোক্তা মানসিকতা, কল্পনাশক্তি ও নতুন কিছু তৈরির সাহস শিক্ষার মাধ্যমে বিকশিত হওয়া জরুরি।

দক্ষিণ এশিয়ার সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে সরকারপ্রধান বলেন, এই অঞ্চল অত্যন্ত সম্ভাবনাময় হলেও রাজনৈতিক অস্থিরতা, সামাজিক বিভাজন ও ভুল নীতির কারণে অনেক সুযোগ কাজে লাগানো যায় না। শিক্ষা হতে পারে সেই শক্তি, যা এ অঞ্চলের তরুণদের পরিবর্তনের নেতৃত্ব দিতে সক্ষম করে তুলবে।

বাংলাদেশ সরকার ও বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) বাস্তবায়নাধীন ‘হায়ার এডুকেশন এক্সিলারেশন অ্যান্ড ট্রান্সফরমেশন (হিট)’ প্রকল্পের আওতায় এই সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. চৌধুরী রফিকুল আবরার। সম্মেলনে যুক্তরাজ্য, মালদ্বীপ, মালয়েশিয়া, নেপাল, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কাসহ বিভিন্ন দেশ এবং বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধিসহ মোট ৩০ জন আন্তর্জাতিক প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করেন।