বিদ্যুৎ-পানি ছাড়াই কার্যালয়ে অবরুদ্ধ চুয়েটের ভিসি, সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা
- আপডেট সময় ০৩:২০:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
- / 32
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরিফুল আলম ২৪ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে নিজ কার্যালয়ে অবরুদ্ধ রয়েছেন। বিদ্যুৎ ও পানির সুবিধা না থাকায় শারীরিক অসুস্থতা বোধ করছেন জানিয়ে পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তিনি।
সোমবার (১২ অক্টোবর) সকাল পৌনে ৯টার দিকে তালা ভেঙে প্রশাসনিক ভবনে প্রবেশ করেন উপাচার্য। তবে ভবনটি তালাবদ্ধ থাকায় তিনি ভেতরে আটকে পড়েন।
অবরুদ্ধ অবস্থায় অধ্যাপক ড. শেখ শরিফুল আলম অভিযোগ করেন, এক দিনেরও বেশি সময় ধরে বিদ্যুৎ ও পানির সুবিধা ছাড়া ভবনে অবস্থান করতে হচ্ছে তাঁকে। এতে তিনি শারীরিকভাবে অসুস্থ বোধ করছেন। উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের সহযোগিতা চান নবনিযুক্ত উপাচার্য।
উপাচার্যের সঙ্গে ভবনের ভেতরে তাঁর কয়েকজন সাবেক শিক্ষার্থী ও সমর্থকও অবস্থান করছেন। তাঁদের অভিযোগ, দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎবিহীন থাকায় তাঁরা শারীরিক ও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছেন।
অন্যদিকে, সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের এক দফা দাবিতে অনড় রয়েছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। অধ্যাপক শেখ শরিফুল আলম পদত্যাগ না করা পর্যন্ত কার্যালয়ের তালা খোলা হবে না বলে ঘোষণা দিয়েছেন তাঁরা। বহিরাগতদের সঙ্গে নিয়ে তালা ভেঙে প্রশাসনিক ভবনে প্রবেশের ঘটনায়ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন আন্দোলনকারীরা।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, নিয়োগের মাত্র ৫৬ দিনের মাথায় গত ২১ সেপ্টেম্বর অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েমকে সরিয়ে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) অধ্যাপক ড. শেখ শরিফুল আলমকে চুয়েটের নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেয় সরকার। এ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ওই দিন রাত থেকেই আন্দোলনে নামেন শিক্ষার্থীরা। পরদিন ২২ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হয় কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচি। শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে একাত্মতা জানিয়ে কর্মবিরতি পালন করছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরাও।
উপাচার্যকে অবরুদ্ধ করে রাখা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের অচলাবস্থাকে কেন্দ্র করে চুয়েটে চলমান সংকট আরও ঘনীভূত হয়েছে।























