জাতিসংঘের সভাপতির কার্যালয়ে নতুন দায়িত্বে জাইমা রহমান
- আপডেট সময় ১১:২০:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / 113
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি খলিলুর রহমানের কার্যালয়ে আইন কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ব্যারিস্টার জাইমা রহমান। তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের একমাত্র কন্যা।
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতির কার্যালয়ে বর্তমানে বিভিন্ন দায়িত্বে রয়েছেন মোট ৪০ জন কর্মকর্তা ও কর্মী। তাদের মধ্যে জাইমা রহমানসহ ছয়জন বাংলাদেশি। এ কার্যালয়ে বাংলাদেশের কূটনীতিক মো. আব্দুল আলিম ‘ডেপুটি চিফ অব ক্যাবিনেট’ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
কার্যালয়ের বাংলাদেশি কর্মকর্তাদের মধ্যে মোয়াজ্জেম হোসেন উপদেষ্টা ও প্রশাসনিক সহকারী হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন। মাফিজুল ইসলাম তথ্য, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও কৌশলগত পূর্বাভাসবিষয়ক জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা। জাকির আহমেদ টেকসই উন্নয়ন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা এবং মো. রফিকুল আলম মোল্লা বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন দেশগুলোবিষয়ক জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করছেন।
বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান ৮ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তার সভাপতিত্বে বৃহস্পতিবার সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবারের মতো ভাষণ দেওয়ার কথা রয়েছে তারেক রহমানের।
জাতিসংঘ কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, জাইমা রহমানের দায়িত্বের মধ্যে সভাপতির কার্যালয়ের আইনি বিষয়গুলো দেখাশোনা করবেন।
জাইমা রহমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও ডা. জুবাইদা রহমানের একমাত্র মেয়ে। তিনি সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার নাতনি।
আইন বিষয়ে পড়াশোনা করেছেন লন্ডনের কুইন মেরি বিশ্ববিদ্যালয়ে। পরবর্তী সময়ে যুক্তরাজ্যে বার-অ্যাট-ল সম্পন্ন করেন তিনি। ২০২৬ সালের জুনে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের আইনজীবী তালিকাভুক্তির প্রথম ধাপের পরীক্ষাতেও উত্তীর্ণ হন।
এদিকে, ৮১তম সাধারণ পরিষদের সভাপতির কার্যালয়ে ‘ডেপুটি চিফ অব ক্যাবিনেট’ হিসেবে দায়িত্ব পাওয়া মো. আব্দুল আলিম দীর্ঘদিন ধরে কূটনৈতিক পেশায় যুক্ত। এর আগে তিনি বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের কূটনৈতিক মিশনে দায়িত্ব পালন করেছেন। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, তিনি দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় কূটনীতি, টেকসই উন্নয়ন, জলবায়ু কার্যক্রম এবং উন্নয়ন অর্থায়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে কাজের অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন।
জাতিসংঘ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সাধারণ পরিষদের সভাপতি জাতিসংঘের নিয়মিত কর্মী নন। ফলে তিনি জাতিসংঘ থেকে সরাসরি কোনো নিয়মিত বেতন পান না। সভাপতির বেতন-ভাতা, আবাসন বা বাড়ি ভাড়াসহ বিভিন্ন ব্যয় সাধারণত তার নিজ দেশ বা সরকার বহন করে থাকে। তবে কিছু ক্ষেত্রে জাতিসংঘের নিয়মিত বাজেট ও ট্রাস্ট ফান্ড থেকেও নির্দিষ্ট ব্যয় নির্বাহ করা হয়ে থাকে।
























