ঢাকা ০৬:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬
শিরোনাম :
রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির প্রার্থী চূড়ান্ত হয়নি: চিফ হুইপ যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধে বাশার আল-আসাদের মৃত্যুদণ্ড যেভাবে প্রকাশ্য ভোটে নির্বাচিত হবেন রাষ্ট্রপতি বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে ভোট দিলে এমপি পদ থাকবে না: চিফ হুইপ ‘র’ প্রধানের বাংলাদেশ সফরের বিষয়টি নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ: জাহেদ উর রহমান আলিয়া মাদ্রাসায় সহাবস্থানে একমত ছাত্রদল-শিবির শিক্ষার্থীদের জন্য সপ্তাহে একদিন বিনামূল্যে জুলাই জাদুঘর প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভিসার এশিয়া-প্যাসিফিক প্রেসিডেন্টের সৌজন্য সাক্ষাৎ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সামনে রেখে সংসদে প্রস্তুতিমূলক সভা

যেভাবে প্রকাশ্য ভোটে নির্বাচিত হবেন রাষ্ট্রপতি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:১৬:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬
  • / 18

ছবি সংগৃহীত

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সংসদ সদস্যরা সাধারণ নির্বাচনের মতো গোপন ব্যালটে নয়, প্রকাশ্য পদ্ধতিতে ভোট দেবেন। রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সামনে রেখে সংসদ ভবনে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠকের পর ভোট দেওয়ার পদ্ধতি ও সর্বশেষ তথ্য তুলে ধরেছেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি। এ সময় বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলামও উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রস্তুতি ও ভোটগ্রহণের পদ্ধতি নিয়ে জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সাল কামালের সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের বৈঠক হয়।

প্রচলিত আইন অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রত্যেক সংসদ সদস্যের ভোটের সংখ্যা একটি। ভোটগ্রহণের জন্য নির্বাচন কমিশন প্রয়োজনীয় সংখ্যক ব্যালট পেপার প্রস্তুত করবে। প্রতিটি ব্যালট পেপারে দুটি আলাদা অংশ থাকবে—কাউন্টার ফয়েল ও আউটার ফয়েল।

আরও পড়ুন  বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মুহাম্মদ ইসলাম লন্ডনে ডেপুটি সিভিক মেয়র নির্বাচিত

কাউন্টার ফয়েলে সংশ্লিষ্ট ভোটারের নাম ও নির্ধারিত বিভক্তি নম্বর মুদ্রিত থাকবে। সেখানে ভোটারের স্বাক্ষরের জন্যও নির্দিষ্ট জায়গা থাকবে।

অন্যদিকে, আউটার ফয়েলে রাষ্ট্রপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নাম আদ্যাক্ষরের ক্রমানুসারে আলাদা ঘরে ছাপানো থাকবে। প্রতিটি প্রার্থীর নামের পাশে ভোট দেওয়ার জন্য নির্দিষ্ট স্থান থাকবে। একই অংশে ভোটারের বিভক্তি নম্বরও উল্লেখ থাকবে।

ভোট দেওয়ার সময় প্রথমে সংসদ সদস্যকে নিজের নির্ধারিত ব্যালট পেপারের কাউন্টার ফয়েলে স্বাক্ষর করতে হবে। এরপর আউটার ফয়েলে পছন্দের প্রার্থীর নামের পাশে নির্ধারিত স্থানে নিজের পূর্ণ নাম লিখে স্বাক্ষর করতে হবে।

স্বাক্ষর সম্পন্ন হওয়ার পর ব্যালট পেপারটি নির্ধারিত ব্যালট বাক্সে জমা দিতে হবে।

অর্থাৎ, সাধারণ গোপন ভোটের মতো এই নির্বাচনে ব্যালটে টিক চিহ্ন বা সিল ব্যবহার করা হবে না। যে প্রার্থীকে সংসদ সদস্য ভোট দেবেন, তার নামের পাশে নিজের নাম লিখে স্বাক্ষর করবেন। ফলে স্বাক্ষরের মাধ্যমে ভোটটি কোন সংসদ সদস্য দিয়েছেন এবং কোন প্রার্থীকে দিয়েছেন, তা শনাক্ত করা সম্ভব হবে।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইনে ‘বিভক্তি নম্বর’-এরও নির্দিষ্ট ব্যাখ্যা রয়েছে। জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালী বিধি অনুযায়ী, প্রত্যেক সংসদ সদস্যকে যে নির্দিষ্ট নম্বর দেওয়া হয়, সেটিই তার বিভক্তি নম্বর।

আর ব্যালট পেপারের কাউন্টার ফয়েল বা চেকমুড়ি বাদ দেওয়ার পর যে অংশ অবশিষ্ট থাকে, সেটিকে আউটার ফয়েল বলা হয়।

এই নিয়মেই সংসদ সদস্যদের প্রকাশ্য ভোটের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সম্পন্ন হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

যেভাবে প্রকাশ্য ভোটে নির্বাচিত হবেন রাষ্ট্রপতি

আপডেট সময় ০৫:১৬:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সংসদ সদস্যরা সাধারণ নির্বাচনের মতো গোপন ব্যালটে নয়, প্রকাশ্য পদ্ধতিতে ভোট দেবেন। রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সামনে রেখে সংসদ ভবনে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠকের পর ভোট দেওয়ার পদ্ধতি ও সর্বশেষ তথ্য তুলে ধরেছেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি। এ সময় বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলামও উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রস্তুতি ও ভোটগ্রহণের পদ্ধতি নিয়ে জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সাল কামালের সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের বৈঠক হয়।

প্রচলিত আইন অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রত্যেক সংসদ সদস্যের ভোটের সংখ্যা একটি। ভোটগ্রহণের জন্য নির্বাচন কমিশন প্রয়োজনীয় সংখ্যক ব্যালট পেপার প্রস্তুত করবে। প্রতিটি ব্যালট পেপারে দুটি আলাদা অংশ থাকবে—কাউন্টার ফয়েল ও আউটার ফয়েল।

আরও পড়ুন  রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ, ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্বে স্পিকার

কাউন্টার ফয়েলে সংশ্লিষ্ট ভোটারের নাম ও নির্ধারিত বিভক্তি নম্বর মুদ্রিত থাকবে। সেখানে ভোটারের স্বাক্ষরের জন্যও নির্দিষ্ট জায়গা থাকবে।

অন্যদিকে, আউটার ফয়েলে রাষ্ট্রপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নাম আদ্যাক্ষরের ক্রমানুসারে আলাদা ঘরে ছাপানো থাকবে। প্রতিটি প্রার্থীর নামের পাশে ভোট দেওয়ার জন্য নির্দিষ্ট স্থান থাকবে। একই অংশে ভোটারের বিভক্তি নম্বরও উল্লেখ থাকবে।

ভোট দেওয়ার সময় প্রথমে সংসদ সদস্যকে নিজের নির্ধারিত ব্যালট পেপারের কাউন্টার ফয়েলে স্বাক্ষর করতে হবে। এরপর আউটার ফয়েলে পছন্দের প্রার্থীর নামের পাশে নির্ধারিত স্থানে নিজের পূর্ণ নাম লিখে স্বাক্ষর করতে হবে।

স্বাক্ষর সম্পন্ন হওয়ার পর ব্যালট পেপারটি নির্ধারিত ব্যালট বাক্সে জমা দিতে হবে।

অর্থাৎ, সাধারণ গোপন ভোটের মতো এই নির্বাচনে ব্যালটে টিক চিহ্ন বা সিল ব্যবহার করা হবে না। যে প্রার্থীকে সংসদ সদস্য ভোট দেবেন, তার নামের পাশে নিজের নাম লিখে স্বাক্ষর করবেন। ফলে স্বাক্ষরের মাধ্যমে ভোটটি কোন সংসদ সদস্য দিয়েছেন এবং কোন প্রার্থীকে দিয়েছেন, তা শনাক্ত করা সম্ভব হবে।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইনে ‘বিভক্তি নম্বর’-এরও নির্দিষ্ট ব্যাখ্যা রয়েছে। জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালী বিধি অনুযায়ী, প্রত্যেক সংসদ সদস্যকে যে নির্দিষ্ট নম্বর দেওয়া হয়, সেটিই তার বিভক্তি নম্বর।

আর ব্যালট পেপারের কাউন্টার ফয়েল বা চেকমুড়ি বাদ দেওয়ার পর যে অংশ অবশিষ্ট থাকে, সেটিকে আউটার ফয়েল বলা হয়।

এই নিয়মেই সংসদ সদস্যদের প্রকাশ্য ভোটের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সম্পন্ন হবে।