ঢাকা ০৭:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
নরসিংদীতে ছুরিকাঘাতে পিতাকে হত্যা, অভিযুক্ত ছেলে পলাতক নিখোঁজের চার দিন পর খালে বৃদ্ধার মরদেহ মাদক মামলার বিচার দ্রুত করতে ২২ ট্রাইব্যুনাল গঠন আমাদের বোমায় নারী-শিশু নিহত হচ্ছে, ট্রাম্পের সমালোচনায় মার্কিন কংগ্রেস সদস্য জনস্বার্থের প্রকল্পে নতুন অর্থের উৎস খুঁজছে সরকার: অর্থমন্ত্রী গ্যাস-বিদ্যুৎ নিয়ে পরামর্শ দিন, রাজপথে হুমকি নয়: রিজভী ‘যৌনাঙ্গ চুরি’র গুজবে আফ্রিকায় ৮০ জনের বেশি নিহত সাংবাদিকদের স্বাধীনতা নিশ্চিত করছে সরকার: তথ্য প্রতিমন্ত্রী ধর্মঘট প্রত্যাহার ভারতীয়দের, শনিবার থেকে হিলি বন্দরে বাণিজ্য শুরু জেন-জিদের পর এবার শিক্ষা সংস্কারের দাবিতে ভারতে জেন-আলফার বিক্ষোভ

তুরস্ক-সিরিয়া বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংযোগে নতুন চুক্তির উদ্যোগ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:৩৯:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ মে ২০২৫
  • / 293

ছবি সংগৃহীত

সিরিয়ার বিদ্যুৎ ও জ্বালানিখাতে বড় অগ্রগতি আসতে চলেছে তুরস্কের সঙ্গে নতুন এক সমঝোতার মাধ্যমে। দেশটির জ্বালানিমন্ত্রী মোহাম্মদ আল-বাশির জানিয়েছেন, শিগগিরই তুরস্ক থেকে ৪০০ কেভি বিদ্যুৎ লাইন ব্যবহার করে বিদ্যুৎ আমদানির জন্য একটি আনুষ্ঠানিক চুক্তি সই হতে যাচ্ছে।

এই বিদ্যুৎ লাইনটি তুরস্কের কিলিস অঞ্চল থেকে সিরিয়ার আলেপ্পো পর্যন্ত বিস্তৃত থাকবে। এর মাধ্যমে যুদ্ধবিধ্বস্ত সিরিয়ায় বিদ্যুতের ঘাটতি দূর করার একটি কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এছাড়াও, তুরস্ক ও সিরিয়ার মধ্যে একটি যৌথ প্রাকৃতিক গ্যাস প্রকল্প নিয়েও অগ্রগতি হচ্ছে। মন্ত্রী আল-বাশির আরও জানান, কিলিস থেকে আলেপ্পো পর্যন্ত একটি গ্যাস পাইপলাইন নির্মাণের কাজ চলছে। এই পাইপলাইনের মাধ্যমে প্রতিদিন প্রায় ছয় মিলিয়ন ঘনমিটার প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব হবে, যা মূলত সিরিয়ার বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে ব্যবহার করা হবে। এই উদ্যোগটি বিদ্যুৎ উৎপাদনে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে।

আরও পড়ুন  “ইসরায়েলের জন্য তুরস্ক একটি হুমকি” - দাবি করেছেন ইসরায়েলের সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেট।

এদিকে, তুরস্কের হাতায় প্রদেশের রেইহানলি এবং সিরিয়ার ইদলিব প্রদেশের হারেম এলাকার মধ্যে নতুন একটি বিদ্যুৎ সংযোগ লাইনের সম্ভাব্যতা নিয়েও গবেষণা শুরু হয়েছে। এই সংযোগ বাস্তবায়ন হলে উত্তর-পশ্চিম সিরিয়ার জ্বালানি অবকাঠামো আরও শক্তিশালী হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

তুরস্কের জ্বালানি ও প্রাকৃতিক সম্পদমন্ত্রী আলপারস্লান বাইরাকতার এক বক্তব্যে তুরস্কের জলসীমায় নতুন করে প্রাকৃতিক গ্যাস অনুসন্ধানের বিষয়ও উত্থাপন করেছেন। তার মতে, দেশটির জ্বালানি নিরাপত্তা এবং প্রতিবেশী অঞ্চলের জ্বালানি সহযোগিতা আরও জোরদার করার জন্য এ ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।

এই সব প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে শুধু সিরিয়ার বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকটেই স্বস্তি আসবে না, বরং তুরস্ক-সিরিয়া দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কেও নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে বলে বিশ্লেষকদের অভিমত।

নিউজটি শেয়ার করুন

তুরস্ক-সিরিয়া বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংযোগে নতুন চুক্তির উদ্যোগ

আপডেট সময় ০৭:৩৯:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ মে ২০২৫

সিরিয়ার বিদ্যুৎ ও জ্বালানিখাতে বড় অগ্রগতি আসতে চলেছে তুরস্কের সঙ্গে নতুন এক সমঝোতার মাধ্যমে। দেশটির জ্বালানিমন্ত্রী মোহাম্মদ আল-বাশির জানিয়েছেন, শিগগিরই তুরস্ক থেকে ৪০০ কেভি বিদ্যুৎ লাইন ব্যবহার করে বিদ্যুৎ আমদানির জন্য একটি আনুষ্ঠানিক চুক্তি সই হতে যাচ্ছে।

এই বিদ্যুৎ লাইনটি তুরস্কের কিলিস অঞ্চল থেকে সিরিয়ার আলেপ্পো পর্যন্ত বিস্তৃত থাকবে। এর মাধ্যমে যুদ্ধবিধ্বস্ত সিরিয়ায় বিদ্যুতের ঘাটতি দূর করার একটি কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এছাড়াও, তুরস্ক ও সিরিয়ার মধ্যে একটি যৌথ প্রাকৃতিক গ্যাস প্রকল্প নিয়েও অগ্রগতি হচ্ছে। মন্ত্রী আল-বাশির আরও জানান, কিলিস থেকে আলেপ্পো পর্যন্ত একটি গ্যাস পাইপলাইন নির্মাণের কাজ চলছে। এই পাইপলাইনের মাধ্যমে প্রতিদিন প্রায় ছয় মিলিয়ন ঘনমিটার প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব হবে, যা মূলত সিরিয়ার বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে ব্যবহার করা হবে। এই উদ্যোগটি বিদ্যুৎ উৎপাদনে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে।

আরও পড়ুন  বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে তুরস্ক

এদিকে, তুরস্কের হাতায় প্রদেশের রেইহানলি এবং সিরিয়ার ইদলিব প্রদেশের হারেম এলাকার মধ্যে নতুন একটি বিদ্যুৎ সংযোগ লাইনের সম্ভাব্যতা নিয়েও গবেষণা শুরু হয়েছে। এই সংযোগ বাস্তবায়ন হলে উত্তর-পশ্চিম সিরিয়ার জ্বালানি অবকাঠামো আরও শক্তিশালী হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

তুরস্কের জ্বালানি ও প্রাকৃতিক সম্পদমন্ত্রী আলপারস্লান বাইরাকতার এক বক্তব্যে তুরস্কের জলসীমায় নতুন করে প্রাকৃতিক গ্যাস অনুসন্ধানের বিষয়ও উত্থাপন করেছেন। তার মতে, দেশটির জ্বালানি নিরাপত্তা এবং প্রতিবেশী অঞ্চলের জ্বালানি সহযোগিতা আরও জোরদার করার জন্য এ ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।

এই সব প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে শুধু সিরিয়ার বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকটেই স্বস্তি আসবে না, বরং তুরস্ক-সিরিয়া দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কেও নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে বলে বিশ্লেষকদের অভিমত।