ঢাকা ০৭:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম :
জুয়ায় গ্রাহকের টাকা হারিয়ে ৩৪ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের নাটক শান্তিতে নোবেল পেলেন নাভি পিল্লাই চীন সফরে সম্পর্কের নতুন দিগন্ত দেখছেন ইসমাইল জবিউল্লাহ মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর নামে প্রতারণা, এজেন্সির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা: প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী ফুটপাত দখলের চেষ্টা হলে জনগণকে নিয়ে প্রতিরোধ: ডিএনসিসি প্রশাসক দিল্লিতে বিক্ষোভের আগে দুই স্টেশনে ট্রেন বন্ধ তানজিদের ৮৩ রানে দাপুটে শুরু বাংলাদেশের আওয়ামী সন্ত্রাসীরা এখন রিকশাচালক হিসেবে হাজির হয়েছে: চিফ হুইপ ইরানের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা চলছে: ট্রাম্প আফগানিস্তানের বিপক্ষে টস জিতে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ, একাদশে নাঈমসহ তিন স্পিনার

গোপালগঞ্জে এনসিপির সমাবেশে হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে: অন্তর্বর্তী সরকার

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৬:৪৩:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ জুলাই ২০২৫
  • / 790

ছবি সংগৃহীত

 

গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশে হামলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও নিন্দা জানিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। বুধবার বিকেলে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়, শান্তিপূর্ণ সমাবেশে হামলা করা এবং তাতে বাধা দেওয়া একটি মৌলিক অধিকার লঙ্ঘনের জঘন্য উদাহরণ। এই ধরনের সহিংসতা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, বিপ্লবী আন্দোলনের এক বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত তরুণ নাগরিকদের শান্তিপূর্ণ সমাবেশে বাধা দেওয়া হয়েছে, যা সাংবিধানিক অধিকার ও নাগরিক স্বাধীনতার সরাসরি লঙ্ঘন। সরকার বলেছে, জাতীয় নাগরিক পার্টির সদস্য, পুলিশ সদস্য এবং গণমাধ্যমকর্মীদের ওপর নৃশংস হামলা চালানো হয়েছে। গাড়ি ভাঙচুর, শারীরিক আক্রমণসহ সহিংসতা ছড়ানো হয়েছে পরিকল্পিতভাবে।

আরও পড়ুন  মসজিদের ইমামও যেন এমপি হতে পারেন, সে ব্যবস্থা চায় এনসিপি

সরকারের দাবি, নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের ছাত্রসংগঠন ছাত্রলীগ এবং আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতাকর্মীরা এই হামলার সঙ্গে জড়িত। এই ঘৃণ্য অপরাধের সঙ্গে জড়িত কেউই শাস্তির বাইরে থাকবে না বলেও হুঁশিয়ার করেছে সরকার। একইসঙ্গে বলা হয়েছে, অপরাধীদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।

বিবৃতিতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর তাৎক্ষণিক পদক্ষেপের প্রশংসা জানিয়ে বলা হয়, সেনাবাহিনী ও পুলিশের দ্রুত হস্তক্ষেপ সংঘর্ষকে আরো ভয়াবহ হতে দেয়নি। সেইসঙ্গে যারা এই হুমকি ও নির্যাতনের মধ্যেও সাহসিকতার সঙ্গে সমাবেশ চালিয়ে গেছেন, তাদের দৃঢ়তা ও সহনশীলতার প্রশংসা করেছে সরকার।

ঘটনার পর গোপালগঞ্জে ১৪৪ ধারা জারি করেছে স্থানীয় প্রশাসন। বুধবার (১৬ জুলাই) দুপুরে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। এর মাধ্যমে সব ধরনের সভা-সমাবেশ ও জমায়েতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

সরকারের ভাষ্য অনুযায়ী, দেশের কোনো নাগরিকের ওপর রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে এমন সহিংসতা অগ্রহণযোগ্য। শান্তিপূর্ণ মতপ্রকাশের অধিকারের প্রতি সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং যে কোনো মূল্যে দোষীদের বিচারের আওতায় আনা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

গোপালগঞ্জে এনসিপির সমাবেশে হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে: অন্তর্বর্তী সরকার

আপডেট সময় ০৬:৪৩:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ জুলাই ২০২৫

 

গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশে হামলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও নিন্দা জানিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। বুধবার বিকেলে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়, শান্তিপূর্ণ সমাবেশে হামলা করা এবং তাতে বাধা দেওয়া একটি মৌলিক অধিকার লঙ্ঘনের জঘন্য উদাহরণ। এই ধরনের সহিংসতা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, বিপ্লবী আন্দোলনের এক বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত তরুণ নাগরিকদের শান্তিপূর্ণ সমাবেশে বাধা দেওয়া হয়েছে, যা সাংবিধানিক অধিকার ও নাগরিক স্বাধীনতার সরাসরি লঙ্ঘন। সরকার বলেছে, জাতীয় নাগরিক পার্টির সদস্য, পুলিশ সদস্য এবং গণমাধ্যমকর্মীদের ওপর নৃশংস হামলা চালানো হয়েছে। গাড়ি ভাঙচুর, শারীরিক আক্রমণসহ সহিংসতা ছড়ানো হয়েছে পরিকল্পিতভাবে।

আরও পড়ুন  মসজিদের ইমামও যেন এমপি হতে পারেন, সে ব্যবস্থা চায় এনসিপি

সরকারের দাবি, নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের ছাত্রসংগঠন ছাত্রলীগ এবং আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতাকর্মীরা এই হামলার সঙ্গে জড়িত। এই ঘৃণ্য অপরাধের সঙ্গে জড়িত কেউই শাস্তির বাইরে থাকবে না বলেও হুঁশিয়ার করেছে সরকার। একইসঙ্গে বলা হয়েছে, অপরাধীদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।

বিবৃতিতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর তাৎক্ষণিক পদক্ষেপের প্রশংসা জানিয়ে বলা হয়, সেনাবাহিনী ও পুলিশের দ্রুত হস্তক্ষেপ সংঘর্ষকে আরো ভয়াবহ হতে দেয়নি। সেইসঙ্গে যারা এই হুমকি ও নির্যাতনের মধ্যেও সাহসিকতার সঙ্গে সমাবেশ চালিয়ে গেছেন, তাদের দৃঢ়তা ও সহনশীলতার প্রশংসা করেছে সরকার।

ঘটনার পর গোপালগঞ্জে ১৪৪ ধারা জারি করেছে স্থানীয় প্রশাসন। বুধবার (১৬ জুলাই) দুপুরে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। এর মাধ্যমে সব ধরনের সভা-সমাবেশ ও জমায়েতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

সরকারের ভাষ্য অনুযায়ী, দেশের কোনো নাগরিকের ওপর রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে এমন সহিংসতা অগ্রহণযোগ্য। শান্তিপূর্ণ মতপ্রকাশের অধিকারের প্রতি সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং যে কোনো মূল্যে দোষীদের বিচারের আওতায় আনা হবে।