ঢাকা ১০:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬

দুর্নীতি বন্ধের দাবি: ফাওজুল কবির খানের মন্তব্য

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:১৫:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ জুন ২০২৫
  • / 704

ছবি সংগৃহীত

 

দেশের রাজনীতিবিদ কিংবা আমলাদের কেউই দুর্নীতি বন্ধের ক্ষেত্রে আন্তরিক নন—এমন মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান। তাঁর ভাষায়, অপচয়ের শেষ নেই; ভবিষ্যতে যাতে এসব পুনরাবৃত্তি না ঘটে, সে দিকেই দৃষ্টি দেওয়া হচ্ছে।

শুক্রবার ঢাকার সিরডাপ মিলনায়তনে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমিতির বাজেট–পরবর্তী সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, অপচয়, দুর্নীতি ও অদক্ষতাই বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতির প্রধান বাধা। উদাহরণ টেনে জানান, মাত্র একজন মন্ত্রীর সুবিধার জন্য পানির উৎস থেকে ছয় কিলোমিটার দূরে বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করা হয়েছে; আবার অপ্রয়োজনীয় সড়ক নির্মাণে রাষ্ট্রের বিপুল অর্থ নষ্ট হয়েছে।

আরও পড়ুন  রেলওয়ের লোকসান রোধে কার্যকর পদক্ষেপ, দুর্নীতি ও অপচয়ই প্রধান বাধা: রেলপথ উপদেষ্টা

অন্তর্বর্তী সরকারের লক্ষ্য সম্পর্কে ফাওজুল কবির খান বলেন, ‘আমরা আত্মীয়স্বজনকে নিয়োগ বা ব্যবসায়িক সুবিধা না দিয়ে এমন দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে চাই, যা ভবিষ্যতে ইতিবাচক উদাহরণ হিসেবে থাকবে।’

বিদ্যুৎখাত–সংক্রান্ত আলোচনায় তিনি জানান, দেশীয় গ্যাসের মজুত কমে আসায় আমদানিকৃত এলএনজির ওপর নির্ভরতা বাড়ছে—যার ফলে সরকারকে বিপুল ভর্তুকি দিতে হচ্ছে। এই চাপ কমাতে সব সরকারি ভবনের ছাদে সৌর প্যানেল বসানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা জাতীয় গ্রিডে সংযুক্ত করা যাবে। বেসরকারি খাতের ছাদেও সৌরশক্তি স্থাপন করে অন্তত ২,০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যোগ করার সুযোগ আছে বলে মনে করেন তিনি।

সমিতির সদস্যসচিব হেলাল উদ্দিন অনুষ্ঠানে বলেন, বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমিতি ভবিষ্যতে দেশের অর্থনৈতিক বিতর্ক ও বিকল্প ভাবনার অন্যতম কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হবে, যেখানে বিভিন্ন ইস্যুতে পক্ষে–বিপক্ষে যুক্তিসম্মত আলোচনা চালানো হবে—কোনো নির্দিষ্ট পক্ষের পক্ষপাত ছাড়াই।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

দুর্নীতি বন্ধের দাবি: ফাওজুল কবির খানের মন্তব্য

আপডেট সময় ০৫:১৫:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ জুন ২০২৫

 

দেশের রাজনীতিবিদ কিংবা আমলাদের কেউই দুর্নীতি বন্ধের ক্ষেত্রে আন্তরিক নন—এমন মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান। তাঁর ভাষায়, অপচয়ের শেষ নেই; ভবিষ্যতে যাতে এসব পুনরাবৃত্তি না ঘটে, সে দিকেই দৃষ্টি দেওয়া হচ্ছে।

শুক্রবার ঢাকার সিরডাপ মিলনায়তনে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমিতির বাজেট–পরবর্তী সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, অপচয়, দুর্নীতি ও অদক্ষতাই বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতির প্রধান বাধা। উদাহরণ টেনে জানান, মাত্র একজন মন্ত্রীর সুবিধার জন্য পানির উৎস থেকে ছয় কিলোমিটার দূরে বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করা হয়েছে; আবার অপ্রয়োজনীয় সড়ক নির্মাণে রাষ্ট্রের বিপুল অর্থ নষ্ট হয়েছে।

আরও পড়ুন  দুর্নীতির খোঁজে ঢাকাসহ ৩৫ বিআরটিএ অফিসে দুদকের একযোগে অভিযান

অন্তর্বর্তী সরকারের লক্ষ্য সম্পর্কে ফাওজুল কবির খান বলেন, ‘আমরা আত্মীয়স্বজনকে নিয়োগ বা ব্যবসায়িক সুবিধা না দিয়ে এমন দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে চাই, যা ভবিষ্যতে ইতিবাচক উদাহরণ হিসেবে থাকবে।’

বিদ্যুৎখাত–সংক্রান্ত আলোচনায় তিনি জানান, দেশীয় গ্যাসের মজুত কমে আসায় আমদানিকৃত এলএনজির ওপর নির্ভরতা বাড়ছে—যার ফলে সরকারকে বিপুল ভর্তুকি দিতে হচ্ছে। এই চাপ কমাতে সব সরকারি ভবনের ছাদে সৌর প্যানেল বসানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা জাতীয় গ্রিডে সংযুক্ত করা যাবে। বেসরকারি খাতের ছাদেও সৌরশক্তি স্থাপন করে অন্তত ২,০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যোগ করার সুযোগ আছে বলে মনে করেন তিনি।

সমিতির সদস্যসচিব হেলাল উদ্দিন অনুষ্ঠানে বলেন, বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমিতি ভবিষ্যতে দেশের অর্থনৈতিক বিতর্ক ও বিকল্প ভাবনার অন্যতম কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হবে, যেখানে বিভিন্ন ইস্যুতে পক্ষে–বিপক্ষে যুক্তিসম্মত আলোচনা চালানো হবে—কোনো নির্দিষ্ট পক্ষের পক্ষপাত ছাড়াই।