ঢাকা ০৪:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬

সৈকতে আরও এক পর্যটকের মরদেহ, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:৪৬:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬
  • / 11

ছবি: সংগৃহীত

কক্সবাজারের হিমছড়ি সৈকতে জোয়ারের পানিতে ডুবে নিখোঁজ হওয়া আরও এক পর্যটকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকাল আটটার দিকে সৈকতের হিমছড়ি এলাকার সাগর বিলাস থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। এ নিয়ে এ ঘটনায় চার পর্যটকের মৃত্যু হয়েছে। এখনো নিখোঁজ রয়েছেন আরও একজন।

উদ্ধার হওয়া পর্যটকের নাম মোহাম্মদ হারুন (২০)। তিনি চট্টগ্রাম নগরের বায়েজিদ থানার শেরশাহ জামতলা এলাকার মোহাম্মদ কবিরের ছেলে।

জেলা প্রশাসনের নিয়োগকৃত বিচ কর্মী মাহবুবুর রহমান জানান, ডুবে যাওয়ার স্থানের কাছাকাছি বৃহস্পতিবার সকালে স্থানীয় লোকজন মরদেহটি দেখতে পান। পরে ফায়ার সার্ভিস ও হিমছড়ি পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা সেটি উদ্ধার করেন।

আরও পড়ুন  নটরডেম কলেজের সাবেক শিক্ষকের মরদেহ উদ্ধার

রামুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জিল্লুর রহমান বলেন, নিখোঁজ আরেক পর্যটকের সন্ধানে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ও লাইফগার্ড কর্মীরা কাজ করছেন।

এর আগে বুধবার তিন পর্যটকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তাঁরা হলেন ঢাকা উত্তরার দিয়াবাড়ি এলাকার মোকাররম হোসেনের ছেলে আল মাহিবুল ইবনে মোকাররম ওরফে রোহান (২৩), দক্ষিণখান এলাকার মাহবুবুল হকের ছেলে সাইফুল হক ওরফে জিসান (২৩) এবং উত্তরার আজিমপুরের নাবিবুর রহমানের ছেলে নাফিসুল হক (২২)।

উপজেলা প্রশাসন, থানা-পুলিশ ও স্থানীয় লোকজনের সূত্রে জানা গেছে, বুধবার পর্যটকদের দুটি দল প্যাঁচার দ্বীপ জাদুঘর-সংলগ্ন রেজুখাল পেরিয়ে খাল ও সমুদ্রের মধ্যবর্তী জেগে ওঠা চরে ঘুরতে যায়। বিকেলে জোয়ার শুরু হলে পানির উচ্চতা বাড়তে থাকে। একপর্যায়ে জোয়ারের পানিতে চরটি তলিয়ে গেলে পর্যটকেরা ডুবে যান।

এ সময় স্থানীয় লোকজন চট্টগ্রাম থেকে আসা পর্যটক দলের তিন সদস্যকে জীবিত উদ্ধার করেন। তাঁরা হলেন রাকিব হাসান (১৯), মো. সানী (২০) ও মো. আকাশ। রাকিব ও সানী চট্টগ্রামের বায়েজিদ এলাকার বাসিন্দা। আকাশের বাড়ি নোয়াখালী। তাঁরা কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

সৈকতে আরও এক পর্যটকের মরদেহ, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪

আপডেট সময় ০৩:৪৬:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬

কক্সবাজারের হিমছড়ি সৈকতে জোয়ারের পানিতে ডুবে নিখোঁজ হওয়া আরও এক পর্যটকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকাল আটটার দিকে সৈকতের হিমছড়ি এলাকার সাগর বিলাস থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। এ নিয়ে এ ঘটনায় চার পর্যটকের মৃত্যু হয়েছে। এখনো নিখোঁজ রয়েছেন আরও একজন।

উদ্ধার হওয়া পর্যটকের নাম মোহাম্মদ হারুন (২০)। তিনি চট্টগ্রাম নগরের বায়েজিদ থানার শেরশাহ জামতলা এলাকার মোহাম্মদ কবিরের ছেলে।

জেলা প্রশাসনের নিয়োগকৃত বিচ কর্মী মাহবুবুর রহমান জানান, ডুবে যাওয়ার স্থানের কাছাকাছি বৃহস্পতিবার সকালে স্থানীয় লোকজন মরদেহটি দেখতে পান। পরে ফায়ার সার্ভিস ও হিমছড়ি পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা সেটি উদ্ধার করেন।

আরও পড়ুন  বন্যার পর নেপালে মরদেহের চাপ, মর্গে জায়গা না পেয়ে ড্রাই আইস ও শ্মশানের প্রস্তুতি

রামুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জিল্লুর রহমান বলেন, নিখোঁজ আরেক পর্যটকের সন্ধানে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ও লাইফগার্ড কর্মীরা কাজ করছেন।

এর আগে বুধবার তিন পর্যটকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তাঁরা হলেন ঢাকা উত্তরার দিয়াবাড়ি এলাকার মোকাররম হোসেনের ছেলে আল মাহিবুল ইবনে মোকাররম ওরফে রোহান (২৩), দক্ষিণখান এলাকার মাহবুবুল হকের ছেলে সাইফুল হক ওরফে জিসান (২৩) এবং উত্তরার আজিমপুরের নাবিবুর রহমানের ছেলে নাফিসুল হক (২২)।

উপজেলা প্রশাসন, থানা-পুলিশ ও স্থানীয় লোকজনের সূত্রে জানা গেছে, বুধবার পর্যটকদের দুটি দল প্যাঁচার দ্বীপ জাদুঘর-সংলগ্ন রেজুখাল পেরিয়ে খাল ও সমুদ্রের মধ্যবর্তী জেগে ওঠা চরে ঘুরতে যায়। বিকেলে জোয়ার শুরু হলে পানির উচ্চতা বাড়তে থাকে। একপর্যায়ে জোয়ারের পানিতে চরটি তলিয়ে গেলে পর্যটকেরা ডুবে যান।

এ সময় স্থানীয় লোকজন চট্টগ্রাম থেকে আসা পর্যটক দলের তিন সদস্যকে জীবিত উদ্ধার করেন। তাঁরা হলেন রাকিব হাসান (১৯), মো. সানী (২০) ও মো. আকাশ। রাকিব ও সানী চট্টগ্রামের বায়েজিদ এলাকার বাসিন্দা। আকাশের বাড়ি নোয়াখালী। তাঁরা কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।