০৮:৫৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৫
শিরোনাম :
সাংবাদিকদের মুখোমুখি হচ্ছেন উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ ঢাকা-১১ আসনে নির্বাচন করবেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম থাই–কাম্বোডিয়া সীমান্তে পুনরায় উত্তেজনা: অস্ত্রবিরতি ভেঙে বিমান হামলা, নিহত ১ সৈন্য ইসির সঙ্গে বৈঠকে জামায়াতের প্রতিনিধি দল জার্মান সেনাবাহিনী বাড়ছে: ২০৩৫ সালের মধ্যে ২,৬০,০০০ সক্রিয় সদস্যের লক্ষ্য অনুমোদন মধ্যপ্রাচ্যের কঠিনতম পানি প্রকল্প সম্পন্ন করল ইরান ফিনল্যান্ডে ডাটা সেন্টারের নির্গত  তাপে গরম হচ্ছে পুরো শহর চীন কোয়ান্টাম কম্পিউটারে সফলতা পেলে যুক্তরাষ্ট্রকে এক নিমেষে প্রস্তরযুগে পাঠিয়ে দেবে যুক্তরাষ্ট্রের F-35 যুদ্ধবিমান প্রকল্পে ফিরে আসার বিষয়ে আরো একধাপ এগিয়ে গেল তুরস্ক: এমনটাই জানিয়েছেন তুরস্কে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত টম ব্যারাক। ফিফার শান্তি পুরস্কারে ভূষিত হলেন ট্রাম্প

শিক্ষার্থীদের হামলার নিন্দা সারজিস আলমের, ‘ধিক্কার জানাই এমন আচরণে’

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:৩৭:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ মে ২০২৫
  • / 118

ছবি সংগৃহীত

 

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের হাতে পানির বোতলে আহত অন্তর্বর্তী সরকারের তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলমের ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম।

বুধবার (১৪ মে) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, “মাহফুজ আলম শিক্ষা উপদেষ্টা নন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষের সঙ্গেও যুক্ত নন। তবুও তিনি গিয়েছিলেন আপনাদের প্রতিনিধি হিসেবে, রাজপথে আপনাদের কথা শুনতে। অথচ তার সঙ্গে যে আচরণ করা হয়েছে, তার জন্য আমি আপনাদের প্রতি ধিক্কার জানাই।”

বিজ্ঞাপন

তিনি আরও লিখেছেন, “আপনারা যাকে চেয়েছেন, তিনি তো আপনাদের কথা শুনতেই এসেছিলেন। অথচ তাকে শোনার সুযোগ না দিয়ে আঘাত করেছেন! এর জবাবদিহি কোথায়?”

সারজিস আলম বলেন, মঙ্গলবার রাতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন ছাত্র তার সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি বিষয়টি সঙ্গে সঙ্গে মাহফুজ আলমকে জানান। এরপর মাহফুজ আলম রাত ৯টায় শিক্ষার্থীদের সঙ্গে দেখা করেন এবং জানান, বৃহস্পতিবার শিক্ষা উপদেষ্টার সঙ্গে মিটিংয়ের ব্যবস্থা করা হবে। তিনি এও বলেন, প্রয়োজন হলে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গেও যোগাযোগ করাবেন।

তিনি উল্লেখ করেন, “তবুও আপনারা কর্মসূচি চালিয়ে গেছেন নিজের মতো। অথচ যিনি আলোচনার পথে এসেছিলেন, তাকেই অপমান করেছেন।”

সারজিস আরও বলেন, “অন্তর্বর্তী সরকারের কিছু উপদেষ্টা জনগণের মুখোমুখি হতে ভয় পান। তাই ছাত্র উপদেষ্টাদেরকেই সামনে ঠেলে দেওয়া হয়। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আগের আন্দোলনগুলো ছিল যৌক্তিক। আজও যদি তাদের রাস্তায় নামতে হয়, তাহলে এর দায় শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্টদের।”

এর আগে, তিন দফা দাবিতে ‘লংমার্চ টু যমুনা’ কর্মসূচি ঘোষণা করে আন্দোলন শুরু করে জবি শিক্ষার্থীরা। বুধবার রাতে তারা প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন ‘যমুনা’র সামনে অবস্থান নেন। সেখানে আলোচনার জন্য উপস্থিত হন তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলম।

বক্তব্যের একপর্যায়ে তিনি বলেন, “আপনারা ন্যায্য দাবিতে মাঠে নেমেছেন, বৃহস্পতিবার আলোচনা হবে।” কিন্তু পুলিশের উসকানির বিষয়ে মন্তব্য করতেই শিক্ষার্থীরা ‘ভুয়া ভুয়া’ বলে স্লোগান দেন এবং একপর্যায়ে তার মাথায় একটি পানির বোতল ছোড়া হয়।

ঘটনার পর মাহফুজ আলম বলেন, “আমি আর কথা বলব না।” এবং পুলিশের সহায়তায় ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।

বিষয় :

নিউজটি শেয়ার করুন

শিক্ষার্থীদের হামলার নিন্দা সারজিস আলমের, ‘ধিক্কার জানাই এমন আচরণে’

আপডেট সময় ১২:৩৭:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ মে ২০২৫

 

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের হাতে পানির বোতলে আহত অন্তর্বর্তী সরকারের তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলমের ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম।

বুধবার (১৪ মে) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, “মাহফুজ আলম শিক্ষা উপদেষ্টা নন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষের সঙ্গেও যুক্ত নন। তবুও তিনি গিয়েছিলেন আপনাদের প্রতিনিধি হিসেবে, রাজপথে আপনাদের কথা শুনতে। অথচ তার সঙ্গে যে আচরণ করা হয়েছে, তার জন্য আমি আপনাদের প্রতি ধিক্কার জানাই।”

বিজ্ঞাপন

তিনি আরও লিখেছেন, “আপনারা যাকে চেয়েছেন, তিনি তো আপনাদের কথা শুনতেই এসেছিলেন। অথচ তাকে শোনার সুযোগ না দিয়ে আঘাত করেছেন! এর জবাবদিহি কোথায়?”

সারজিস আলম বলেন, মঙ্গলবার রাতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন ছাত্র তার সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি বিষয়টি সঙ্গে সঙ্গে মাহফুজ আলমকে জানান। এরপর মাহফুজ আলম রাত ৯টায় শিক্ষার্থীদের সঙ্গে দেখা করেন এবং জানান, বৃহস্পতিবার শিক্ষা উপদেষ্টার সঙ্গে মিটিংয়ের ব্যবস্থা করা হবে। তিনি এও বলেন, প্রয়োজন হলে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গেও যোগাযোগ করাবেন।

তিনি উল্লেখ করেন, “তবুও আপনারা কর্মসূচি চালিয়ে গেছেন নিজের মতো। অথচ যিনি আলোচনার পথে এসেছিলেন, তাকেই অপমান করেছেন।”

সারজিস আরও বলেন, “অন্তর্বর্তী সরকারের কিছু উপদেষ্টা জনগণের মুখোমুখি হতে ভয় পান। তাই ছাত্র উপদেষ্টাদেরকেই সামনে ঠেলে দেওয়া হয়। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আগের আন্দোলনগুলো ছিল যৌক্তিক। আজও যদি তাদের রাস্তায় নামতে হয়, তাহলে এর দায় শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্টদের।”

এর আগে, তিন দফা দাবিতে ‘লংমার্চ টু যমুনা’ কর্মসূচি ঘোষণা করে আন্দোলন শুরু করে জবি শিক্ষার্থীরা। বুধবার রাতে তারা প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন ‘যমুনা’র সামনে অবস্থান নেন। সেখানে আলোচনার জন্য উপস্থিত হন তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলম।

বক্তব্যের একপর্যায়ে তিনি বলেন, “আপনারা ন্যায্য দাবিতে মাঠে নেমেছেন, বৃহস্পতিবার আলোচনা হবে।” কিন্তু পুলিশের উসকানির বিষয়ে মন্তব্য করতেই শিক্ষার্থীরা ‘ভুয়া ভুয়া’ বলে স্লোগান দেন এবং একপর্যায়ে তার মাথায় একটি পানির বোতল ছোড়া হয়।

ঘটনার পর মাহফুজ আলম বলেন, “আমি আর কথা বলব না।” এবং পুলিশের সহায়তায় ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।