ঢাকা ০৬:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম :
যুক্তরাষ্ট্রের ওপর আস্থা কমছে নেতানিয়াহুর, খুঁজছেন নতুন মিত্র সৌদিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুজনের মরদেহ দেশে আনার প্রক্রিয়া চলছে: প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী প্রাথমিক শিক্ষা সংস্কারে পাঁচ বিষয়ে অগ্রাধিকার ববি হাজ্জাজের নিজ সন্তানের জন্য হলেও ঢাকা পরিচ্ছন্ন রাখুন: প্রধানমন্ত্রী সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, তথ্যের ঘাটতি ছিল মিডিয়ায় আমাকে টার্গেট করা হয়েছে, বললেন ইশরাক মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগের ঘোষণা ইশরাকের, প্রধানমন্ত্রীর কাছে জমা দিলেন পদত্যাগপত্র স্থানীয় নির্বাচনে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বাধা নেই: আইনমন্ত্রী ফ্রান্সে সহিংসতা-লুটপাট, গ্রেপ্তার ২ হাজার ৪০০ জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

শান্তিরক্ষা সম্মেলনে যোগ দিতে বার্লিন গেলেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৯:৫৫:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ মে ২০২৫
  • / 567

ছবি সংগৃহীত

 

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমবিষয়ক মন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলনে অংশ নিতে আজ সোমবার জার্মানির বার্লিনের উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। তিনি সেখানে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেবেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, সম্মেলনে মো. তৌহিদ হোসেন জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ অবদান, বর্তমান কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরবেন। একইসঙ্গে তিনি শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের প্রতিশ্রুতি ও সক্রিয় অংশগ্রহণের বিষয়টিও তুলে ধরবেন।

আরও পড়ুন  আগস্টের শেষে বা সেপ্টেম্বরের শুরুতে চীনে ( ভিডিও নয়) সশরীরে SCO সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে: মহাসচিব

এর আগে গত এপ্রিল মাসের মাঝামাঝি সময়ে ঢাকা সফর করেন জাতিসংঘের শান্তি কার্যক্রম বিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল জ্যাঁ-পিয়ের লাক্রোয়া। সফরকালে তিনি পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেনের সঙ্গে বৈঠক করেন। ওই বৈঠকে বার্লিনে অনুষ্ঠিতব্য মন্ত্রী পর্যায়ের শান্তিরক্ষা সম্মেলন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে অন্যতম প্রধান সেনা প্রেরণকারী দেশ হিসেবে পরিচিত। শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের পেশাদারিত্ব, দায়িত্বশীলতা ও মানবিক সহানুভূতির জন্য আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে উচ্চ প্রশংসা লাভ করেছে। এ সম্মেলনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণকে আন্তর্জাতিকভাবে শান্তিরক্ষায় দেশের দৃঢ় অবস্থানের প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

প্রসঙ্গত, প্রতি দুই বছর পর পর জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা বিষয়ক এই মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সদস্য রাষ্ট্রসমূহ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে নিজেদের অবস্থান ব্যাখ্যা করে এবং ভবিষ্যতের করণীয় নিয়ে মত বিনিময় করে। একই সঙ্গে সম্মেলনটি সদস্য দেশগুলোর রাজনৈতিক অঙ্গীকার ও সহযোগিতা প্রদর্শনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ হিসেবে বিবেচিত হয়।

বার্লিনে অনুষ্ঠেয় এবারের সম্মেলন শান্তিরক্ষা কার্যক্রমকে আরও কার্যকর ও টেকসই করার লক্ষ্যে নতুন ধারণা, কৌশল ও অংশীদারত্বের ওপর জোর দেবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

শান্তিরক্ষা সম্মেলনে যোগ দিতে বার্লিন গেলেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আপডেট সময় ০৯:৫৫:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ মে ২০২৫

 

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমবিষয়ক মন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলনে অংশ নিতে আজ সোমবার জার্মানির বার্লিনের উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। তিনি সেখানে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেবেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, সম্মেলনে মো. তৌহিদ হোসেন জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ অবদান, বর্তমান কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরবেন। একইসঙ্গে তিনি শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের প্রতিশ্রুতি ও সক্রিয় অংশগ্রহণের বিষয়টিও তুলে ধরবেন।

আরও পড়ুন  নাটোর জেলার কর্মী সম্মেলনে আমীরে জামায়াত

এর আগে গত এপ্রিল মাসের মাঝামাঝি সময়ে ঢাকা সফর করেন জাতিসংঘের শান্তি কার্যক্রম বিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল জ্যাঁ-পিয়ের লাক্রোয়া। সফরকালে তিনি পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেনের সঙ্গে বৈঠক করেন। ওই বৈঠকে বার্লিনে অনুষ্ঠিতব্য মন্ত্রী পর্যায়ের শান্তিরক্ষা সম্মেলন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে অন্যতম প্রধান সেনা প্রেরণকারী দেশ হিসেবে পরিচিত। শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের পেশাদারিত্ব, দায়িত্বশীলতা ও মানবিক সহানুভূতির জন্য আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে উচ্চ প্রশংসা লাভ করেছে। এ সম্মেলনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণকে আন্তর্জাতিকভাবে শান্তিরক্ষায় দেশের দৃঢ় অবস্থানের প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

প্রসঙ্গত, প্রতি দুই বছর পর পর জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা বিষয়ক এই মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সদস্য রাষ্ট্রসমূহ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে নিজেদের অবস্থান ব্যাখ্যা করে এবং ভবিষ্যতের করণীয় নিয়ে মত বিনিময় করে। একই সঙ্গে সম্মেলনটি সদস্য দেশগুলোর রাজনৈতিক অঙ্গীকার ও সহযোগিতা প্রদর্শনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ হিসেবে বিবেচিত হয়।

বার্লিনে অনুষ্ঠেয় এবারের সম্মেলন শান্তিরক্ষা কার্যক্রমকে আরও কার্যকর ও টেকসই করার লক্ষ্যে নতুন ধারণা, কৌশল ও অংশীদারত্বের ওপর জোর দেবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।