ঢাকা ০৩:৩৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নৌকায় বসা নিয়ে দ্বন্দ্ব: সহযাত্রীর ঘুষিতে১ জনের মৃত্যু মেসেজে ‘কবুল’ লিখলেই কি বিয়ে হয়ে যায়? নিখোঁজের ২৪ দিন পর খোঁজ মিলল পরিচালক উৎসবের উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে সাশ্রয়ী হওয়ার কঠোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর কালবৈশাখীর তান্ডব ও বজ্রপাতে সারা দেশে ১২ জনের মৃত্যু তপ্ত রোদের পর বৃষ্টিতে ভিজল ঢাকা; জনজীবনে স্বস্তি এস্তোনিয়া—ডিজিটাল রাষ্ট্র, প্রাচীন শহর আর নীরব প্রকৃতির দেশ সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত শেষ পর্যায়ে, অ্যাটর্নি জেনারেল সোমবার সুন্নাহ সিয়াম পালনের দিন, প্রস্তুতি নিন আজই তথ্যমন্ত্রীর সাথে তুরস্কের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ: সংবাদমাধ্যমে সংযোগ বাড়ানোর প্রস্তাব

সিরিয়ার প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের নতুন দৃষ্টিভঙ্গি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:৪৪:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ এপ্রিল ২০২৫
  • / 226

ছবি সংগৃহীত

 

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের নিকটপ্রাচ্য বিষয়ক সহকারী সচিব হিসেবে দায়িত্ব নেওয়া জোয়েল রেবার্ন সিরিয়া বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন।

১. বিদেশি হস্তক্ষেপের বিরোধিতা – যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি জানিয়ে দিয়েছে যে তারা সিরিয়ায় কোনো বিদেশি হস্তক্ষেপ চায় না।

আরও পড়ুন  সিরিয়ার জর্ডান সীমান্তে ৭০ লক্ষ মাদক ট্যাবলেট জব্দ

২. সিরিয়ার জনগণের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত – নতুন সরকার নিয়ে মার্কিন প্রশাসনের নিজস্ব অগ্রাধিকার থাকলেও তারা বলছে, শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত নেবে সিরিয়ার জনগণ।

৩. নিষেধাজ্ঞা পর্যালোচনা – আগের সরকারের ওপর আরোপিত সব নিষেধাজ্ঞা পর্যালোচনার আওতায় রয়েছে এবং এগুলো পুনর্মূল্যায়ন করা হচ্ছে।

৪. টেকনোক্র‍্যাট সরকার – নতুন সিরিয়ান সরকারকে ‘টেকনোক্র‍্যাটদের সরকার’ হিসেবে উল্লেখ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এরা হচ্ছে স্ব স্ব ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ ব্যক্তিবর্গ।

সংক্ষেপে, মার্কিন প্রশাসন একদিকে সিরিয়ার সার্বভৌমত্ব ও জনগণের সিদ্ধান্তকে গুরুত্ব দিচ্ছে, অন্যদিকে নিষেধাজ্ঞা নিয়ে নমনীয় হওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে। তবে এ নীতির বাস্তব প্রয়োগ কতটা কার্যকর হবে, সেটাই দেখার বিষয়।

বিষয় :

নিউজটি শেয়ার করুন

সিরিয়ার প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের নতুন দৃষ্টিভঙ্গি

আপডেট সময় ০৫:৪৪:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ এপ্রিল ২০২৫

 

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের নিকটপ্রাচ্য বিষয়ক সহকারী সচিব হিসেবে দায়িত্ব নেওয়া জোয়েল রেবার্ন সিরিয়া বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন।

১. বিদেশি হস্তক্ষেপের বিরোধিতা – যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি জানিয়ে দিয়েছে যে তারা সিরিয়ায় কোনো বিদেশি হস্তক্ষেপ চায় না।

আরও পড়ুন  সিরিয়ার স্বৈরশাসকের মূল্যবান সম্পদ পাচারে গোপন বিমান মিশন

২. সিরিয়ার জনগণের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত – নতুন সরকার নিয়ে মার্কিন প্রশাসনের নিজস্ব অগ্রাধিকার থাকলেও তারা বলছে, শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত নেবে সিরিয়ার জনগণ।

৩. নিষেধাজ্ঞা পর্যালোচনা – আগের সরকারের ওপর আরোপিত সব নিষেধাজ্ঞা পর্যালোচনার আওতায় রয়েছে এবং এগুলো পুনর্মূল্যায়ন করা হচ্ছে।

৪. টেকনোক্র‍্যাট সরকার – নতুন সিরিয়ান সরকারকে ‘টেকনোক্র‍্যাটদের সরকার’ হিসেবে উল্লেখ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এরা হচ্ছে স্ব স্ব ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ ব্যক্তিবর্গ।

সংক্ষেপে, মার্কিন প্রশাসন একদিকে সিরিয়ার সার্বভৌমত্ব ও জনগণের সিদ্ধান্তকে গুরুত্ব দিচ্ছে, অন্যদিকে নিষেধাজ্ঞা নিয়ে নমনীয় হওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে। তবে এ নীতির বাস্তব প্রয়োগ কতটা কার্যকর হবে, সেটাই দেখার বিষয়।