ঢাকা ০৪:৩০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬

নেপালে আকস্মিক বন্যায় নিখোঁজ ৫

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:৩৬:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬
  • / 34

ছবি: সংগৃহীত

 

প্রাণঘাতী বন্যার কয়েক মাসের ব্যবধানে নেপালের মধ্যাঞ্চলে আবারও আকস্মিক বন্যা দেখা দিয়েছে। এতে ঘরবাড়ি ও সেতু ভেসে গেছে এবং অন্তত পাঁচজন নিখোঁজ রয়েছেন। তবে এখন পর্যন্ত কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি। শনিবার (১১ অক্টোবর) গোর্খা জেলার চুমনুব্রি গ্রামে ভূমিধসের কারণে বুধি গণ্ডকি নদীর প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হলে এ বন্যার সৃষ্টি হয়। আল জাজিরার প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

জাতীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ (এনডিআরআরএমএ) জানিয়েছে, নিখোঁজ পাঁচজনের মধ্যে দুজন নারী ও তিনজন পুরুষ। বন্যাকবলিত এলাকা থেকে অন্তত ৮২ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে নয়জন বিদেশি নাগরিক রয়েছেন।

আরও পড়ুন  ইন্দোনেশিয়ায় বন্যা ও ভূমিধসে নিহত ২০০

কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, বন্যার পানিতে প্রায় এক ডজন ঘরবাড়ি ও দুটি ঝুলন্ত সেতু ভেসে গেছে। এ ছাড়া একটি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের ক্যাম্প ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং প্রকল্পটির কিছু নির্মাণ সরঞ্জাম পানিতে ভেসে গেছে।

জাতীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের প্রধান নির্বাহী ধর্ম রাজ উপ্রেতি জানিয়েছেন, গোর্খা জেলার সঙ্গে পার্শ্ববর্তী ধাদিং জেলাকে সংযুক্তকারী একটি মহাসড়কের সেতুও কর্দমাক্ত পানির প্রবল স্রোতে ভেসে গেছে।

কাঠমান্ডু থেকে প্রায় ১০০ কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত গোর্খা জেলার চুমনুব্রি গ্রামে ভূমিধসের ফলে বুধি গণ্ডকি নদীর প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়। বুধি গণ্ডকি ত্রিশূলী নদীর একটি উপনদী। ত্রিশূলীর আরেকটি উপনদীর অববাহিকায় গত আগস্টে হিমবাহ ধসে ভয়াবহ বন্যা হয়েছিল। ওই দুর্যোগে ১ হাজার ৪৫৭ জন প্রাণ হারিয়েছিলেন এবং হাজার হাজার মানুষ এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।

গোর্খা জেলার শীর্ষ প্রশাসনিক কর্মকর্তা ধর্মেন্দ্র কুমার মিশ্র বলেন, নদীর ভাটির দিকের তীরবর্তী গ্রামগুলোর বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরে যেতে এবং সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।

জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ গোর্খা, তানাহুন, চিতওয়ান, পূর্ব নাওয়ালপরাসি ও পশ্চিম নাওয়ালপরাসি জেলার নদীতীরবর্তী বাসিন্দাদের বন্যার বিষয়ে সতর্ক করেছে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে ভারি বৃষ্টিপাতের কারণে সৃষ্ট বন্যা ও ভূমিধসে নেপালে অন্তত ২১ জনের মৃত্যু হয়েছিল।

নিউজটি শেয়ার করুন

নেপালে আকস্মিক বন্যায় নিখোঁজ ৫

আপডেট সময় ১২:৩৬:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬

 

প্রাণঘাতী বন্যার কয়েক মাসের ব্যবধানে নেপালের মধ্যাঞ্চলে আবারও আকস্মিক বন্যা দেখা দিয়েছে। এতে ঘরবাড়ি ও সেতু ভেসে গেছে এবং অন্তত পাঁচজন নিখোঁজ রয়েছেন। তবে এখন পর্যন্ত কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি। শনিবার (১১ অক্টোবর) গোর্খা জেলার চুমনুব্রি গ্রামে ভূমিধসের কারণে বুধি গণ্ডকি নদীর প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হলে এ বন্যার সৃষ্টি হয়। আল জাজিরার প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

জাতীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ (এনডিআরআরএমএ) জানিয়েছে, নিখোঁজ পাঁচজনের মধ্যে দুজন নারী ও তিনজন পুরুষ। বন্যাকবলিত এলাকা থেকে অন্তত ৮২ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে নয়জন বিদেশি নাগরিক রয়েছেন।

আরও পড়ুন  হিমাচলে মেঘভাঙা বৃষ্টি ও ভূমিধসে ১১ জনের মৃত্যু, এখনও নিখোঁজ ৩৪

কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, বন্যার পানিতে প্রায় এক ডজন ঘরবাড়ি ও দুটি ঝুলন্ত সেতু ভেসে গেছে। এ ছাড়া একটি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের ক্যাম্প ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং প্রকল্পটির কিছু নির্মাণ সরঞ্জাম পানিতে ভেসে গেছে।

জাতীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের প্রধান নির্বাহী ধর্ম রাজ উপ্রেতি জানিয়েছেন, গোর্খা জেলার সঙ্গে পার্শ্ববর্তী ধাদিং জেলাকে সংযুক্তকারী একটি মহাসড়কের সেতুও কর্দমাক্ত পানির প্রবল স্রোতে ভেসে গেছে।

কাঠমান্ডু থেকে প্রায় ১০০ কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত গোর্খা জেলার চুমনুব্রি গ্রামে ভূমিধসের ফলে বুধি গণ্ডকি নদীর প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়। বুধি গণ্ডকি ত্রিশূলী নদীর একটি উপনদী। ত্রিশূলীর আরেকটি উপনদীর অববাহিকায় গত আগস্টে হিমবাহ ধসে ভয়াবহ বন্যা হয়েছিল। ওই দুর্যোগে ১ হাজার ৪৫৭ জন প্রাণ হারিয়েছিলেন এবং হাজার হাজার মানুষ এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।

গোর্খা জেলার শীর্ষ প্রশাসনিক কর্মকর্তা ধর্মেন্দ্র কুমার মিশ্র বলেন, নদীর ভাটির দিকের তীরবর্তী গ্রামগুলোর বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরে যেতে এবং সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।

জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ গোর্খা, তানাহুন, চিতওয়ান, পূর্ব নাওয়ালপরাসি ও পশ্চিম নাওয়ালপরাসি জেলার নদীতীরবর্তী বাসিন্দাদের বন্যার বিষয়ে সতর্ক করেছে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে ভারি বৃষ্টিপাতের কারণে সৃষ্ট বন্যা ও ভূমিধসে নেপালে অন্তত ২১ জনের মৃত্যু হয়েছিল।