ঢাকা ০৪:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বিয়ে ও সামাজিক অনুষ্ঠানে আলোকসজ্জা নিয়ে কড়া বার্তা বেইলি রোড ট্র্যাজেডি: ভবন মালিক ও রেস্টুরেন্ট মালিকসহ ২২ জনের বিরুদ্ধে সিআইডির চার্জশিট মোটরসাইকেলে এসে ছাত্রদল নেতাকে নৃশংসভাবে হত্যা ট্রাম্পকে ‘প্রতিদিন কথা বলা’ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ ম্যাক্রোর; ন্যাটো নিয়ে উদ্বেগ ট্রাম্প প্রশাসনে ফের রদবদল: মার্কিন অ্যাটর্নি জেনারেল প্যাম বন্ডি বরখাস্ত জ্বালানি সংকট সামাল দিতে অফিস ও মার্কেট বন্ধের নতুন সময় ঘোষণা হাইতি: সংগ্রাম, ইতিহাস ও টিকে থাকার এক অনন্য গল্প এপ্রিলে জ্বালানি তেলের সংকট হবে না, মজুত না করার আহ্বান জ্বালানি বিভাগের আদালতকে দেওয়া কথা রাখলেন না; ফের কারাগারে গায়ক নোবেল সফলভাবে উৎক্ষিপ্ত আর্টেমিস-২; ৫৪ বছর পর চাঁদের পথে মানবজাতি

পাহাড়ের চূড়ায় আছড়ে পড়ল রাশিয়ার এএন-২৬ বিমান, প্রাণহানি ২৯

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:২০:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬
  • / 29

ছবি: সংগৃহীত

রাশিয়ার ক্রিমিয়ায় একটি সামরিক পরিবহন বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ২৯ জন আরোহীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (১ এপ্রিল) সকালে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। কৃষ্ণ সাগরের তীরবর্তী ক্রিমিয়া অঞ্চলের একটি পাহাড়ের চূড়ায় বিমানটি আছড়ে পড়ে বলে জানা গেছে। দুর্ঘটনায় বিমানে থাকা ২৩ জন যাত্রী এবং ৬ জন ক্রু সদস্যের কেউই বেঁচে নেই বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে বার্তাসংস্থা তাস নিউজ জানিয়েছে, গত ৩১ মার্চ মস্কো সময় রাত ৮টার দিকে ‘এএন-২৬’ মডেলের সামরিক পরিবহন বিমানটি রাডার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। বিমানটি ক্রিমিয়া অঞ্চলে একটি পূর্বনির্ধারিত ফ্লাইটে অংশ নিচ্ছিল। প্রাথমিক তথ্যে জানা গেছে, উড্ডয়নরত অবস্থায় হঠাৎ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার কিছুক্ষণ পরই এটি পাহাড়ের চূড়ায় বিধ্বস্ত হয়।

দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে ইতোমধ্যে তদন্ত শুরু করেছে রুশ কর্তৃপক্ষ। বার্তাসংস্থা আরআইএ-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে কোনো হামলা নয় বরং ‘প্রযুক্তিগত ত্রুটির’ কারণেই এই ভয়াবহ বিপর্যয় ঘটেছে। তবে যান্ত্রিক গোলযোগটি ঠিক কী ধরনের ছিল, তা বিস্তারিত খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

আরও পড়ুন  বিশ্বে প্রথমবার তালেবান সরকারকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দিলো রাশিয়া

রাশিয়ার তৈরি এই এএন-২৬ মডেলের বিমানগুলো মূলত ১৯৬০-এর দশক থেকে মালবাহী ও সামরিক পরিবহনের কাজে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। তবে এই মডেলের বিমানগুলোর নিরাপত্তার রেকর্ড খুব একটা সন্তোষজনক নয়। এর আগে ২০২২ ও ২০২০ সালেও ইউক্রেনে একই মডেলের বিমান বিধ্বস্ত হয়ে বহু প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া দক্ষিণ সুদান ও আইভরি কোস্টেও রুশ এএন-২৬ বিমান দুর্ঘটনার কবলে পড়েছিল, যেখানে রুশ নাগরিকসহ বেশ কয়েকজন প্রাণ হারান।

দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পরপরই পাহাড়ি ওই দুর্গম এলাকায় উদ্ধারকারী দল পাঠানো হয়েছে। তবে প্রতিকূল ভূপ্রকৃতি এবং বৈরী আবহাওয়ার কারণে উদ্ধারকাজ পরিচালনা করতে বেগ পেতে হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। রাশিয়া এখন পর্যন্ত বিমানে থাকা সর্বমোট যাত্রীর সঠিক সংখ্যা বা তাদের পরিচয় আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

পাহাড়ের চূড়ায় আছড়ে পড়ল রাশিয়ার এএন-২৬ বিমান, প্রাণহানি ২৯

আপডেট সময় ১২:২০:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬

রাশিয়ার ক্রিমিয়ায় একটি সামরিক পরিবহন বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ২৯ জন আরোহীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (১ এপ্রিল) সকালে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। কৃষ্ণ সাগরের তীরবর্তী ক্রিমিয়া অঞ্চলের একটি পাহাড়ের চূড়ায় বিমানটি আছড়ে পড়ে বলে জানা গেছে। দুর্ঘটনায় বিমানে থাকা ২৩ জন যাত্রী এবং ৬ জন ক্রু সদস্যের কেউই বেঁচে নেই বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে বার্তাসংস্থা তাস নিউজ জানিয়েছে, গত ৩১ মার্চ মস্কো সময় রাত ৮টার দিকে ‘এএন-২৬’ মডেলের সামরিক পরিবহন বিমানটি রাডার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। বিমানটি ক্রিমিয়া অঞ্চলে একটি পূর্বনির্ধারিত ফ্লাইটে অংশ নিচ্ছিল। প্রাথমিক তথ্যে জানা গেছে, উড্ডয়নরত অবস্থায় হঠাৎ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার কিছুক্ষণ পরই এটি পাহাড়ের চূড়ায় বিধ্বস্ত হয়।

দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে ইতোমধ্যে তদন্ত শুরু করেছে রুশ কর্তৃপক্ষ। বার্তাসংস্থা আরআইএ-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে কোনো হামলা নয় বরং ‘প্রযুক্তিগত ত্রুটির’ কারণেই এই ভয়াবহ বিপর্যয় ঘটেছে। তবে যান্ত্রিক গোলযোগটি ঠিক কী ধরনের ছিল, তা বিস্তারিত খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

আরও পড়ুন  বিশ্বে প্রথমবার তালেবান সরকারকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দিলো রাশিয়া

রাশিয়ার তৈরি এই এএন-২৬ মডেলের বিমানগুলো মূলত ১৯৬০-এর দশক থেকে মালবাহী ও সামরিক পরিবহনের কাজে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। তবে এই মডেলের বিমানগুলোর নিরাপত্তার রেকর্ড খুব একটা সন্তোষজনক নয়। এর আগে ২০২২ ও ২০২০ সালেও ইউক্রেনে একই মডেলের বিমান বিধ্বস্ত হয়ে বহু প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া দক্ষিণ সুদান ও আইভরি কোস্টেও রুশ এএন-২৬ বিমান দুর্ঘটনার কবলে পড়েছিল, যেখানে রুশ নাগরিকসহ বেশ কয়েকজন প্রাণ হারান।

দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পরপরই পাহাড়ি ওই দুর্গম এলাকায় উদ্ধারকারী দল পাঠানো হয়েছে। তবে প্রতিকূল ভূপ্রকৃতি এবং বৈরী আবহাওয়ার কারণে উদ্ধারকাজ পরিচালনা করতে বেগ পেতে হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। রাশিয়া এখন পর্যন্ত বিমানে থাকা সর্বমোট যাত্রীর সঠিক সংখ্যা বা তাদের পরিচয় আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেনি।