ঢাকা ০৪:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ২৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সব ধরনের সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করল ডিএমপি সংসদে ভাষণ দেবেন রাষ্ট্রপতি; স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন কাল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যুদ্ধে সৃষ্ট আর্থিক বিপর্যয় ঠেকাতে হরমুজ প্রণালীতে কর বসাবে ইরান রাজধানীতে খেলার সময় দেয়াল ধস: চাপা পড়ে দুই বোন নিহত মার্কিন ও ইসরায়েলি প্রযুক্তি জায়ান্টদের ওপর হামলার হুমকি আইআরজিসির কার্যকর সংসদ গঠনে বিরোধীদের সহযোগিতা চান চিফ হুইপ ইরান যুদ্ধ নিয়ে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্টের সঙ্গে মতপার্থক্য ট্রাম্পের রাষ্ট্রপতির ভাষণ নিয়ে সংসদে বিতর্ক, বিরোধীদের আপত্তি ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতাকে সমর্থন জানাল উত্তর কোরিয়া ইরানের বিপ্লবী বাহিনীর ‘সবচেয়ে শক্তিশালী’ অভিযান শুরু

দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের সামনে ব্যাপক বিক্ষোভ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:৪৭:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / 282

ছবি; সংগৃহীত

 

বাংলাদেশ হাইকমিশনের সামনে বড় ধরনের বিক্ষোভ চলছে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে । বিক্ষোভকারীরা নিরাপত্তা ব্যারিকেড ভেঙে হাইকমিশনের ভেতরে ঢোকার চেষ্টা করেছে বলে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে নিরাপত্তাবাহিনী সক্রিয় রয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতন’ এবং ময়মনসিংহে দিপু চন্দ্র দাস নামে এক হিন্দু যুবককে পিটিয়ে হত্যার প্রতিবাদে এই বিক্ষোভ শুরু হয়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং বিক্ষোভকারীরা ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা চালায়।

আরও পড়ুন  রাজধানীতে ঝরতে পারে বৃষ্টি, তাপমাত্রা হ্রাসের আভাস

হিন্দুত্ববাদী সংগঠন বিশ্ব হিন্দু পরিষদ (ভিএইচপি) ও বজরং দলের ডাকে এই কর্মসূচি পালিত হচ্ছে। এ কারণে বাংলাদেশ হাইকমিশনের সামনে তিন স্তরের নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়েছে। সেখানে পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনীর সদস্য মোতায়েন রয়েছে। বিক্ষোভকারীদের ব্যানার ও প্ল্যাকার্ড হাতে স্লোগান দিতে দেখা গেছে।

এর আগে, গত ২০ ডিসেম্বর রাতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের গেটের সামনে একটি বিক্ষোভের ঘটনা ঘটে। এ বিষয়ে ঢাকায় নিযুক্ত বাংলাদেশের প্রেস মিনিস্টার মো. ফয়সাল মাহমুদ জানান, ওই রাতে তিনটি গাড়িতে করে কিছু লোক এসে হাইকমিশনের গেটের সামনে চিৎকার করে স্লোগান দেয় এবং কিছুক্ষণ পর সেখান থেকে চলে যায়।

এ ঘটনার পর ভারত সরকার জানায়, বাংলাদেশি গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবর ‘বিভ্রান্তিকর’। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল দাবি করেন, সেদিন মাত্র ২০–২৫ জন বিক্ষোভকারী হাইকমিশনের সামনে জড়ো হয়েছিল এবং তারা কোনো নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি করেনি।

তবে ভারতের এই বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করেছে বাংলাদেশ। ঢাকার পক্ষ থেকে কূটনৈতিকভাবে সুরক্ষিত এলাকায় কীভাবে বিক্ষোভকারীরা প্রবেশ করল, তা নিয়ে গুরুতর নিরাপত্তা ঘাটতির প্রশ্ন তোলা হয়েছে।

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন বলেন, নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ মিশন একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল ও সুরক্ষিত কূটনৈতিক এলাকায় অবস্থিত। অনুমতি ছাড়া সেখানে এ ধরনের বিক্ষোভের ঘটনা স্বাভাবিক নয়। তিনি প্রশ্ন তোলেন, কীভাবে উগ্র সংগঠনের সদস্যদের একটি দল সেখানে প্রবেশ করতে সক্ষম হলো।

নিউজটি শেয়ার করুন

দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের সামনে ব্যাপক বিক্ষোভ

আপডেট সময় ০৫:৪৭:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫

 

বাংলাদেশ হাইকমিশনের সামনে বড় ধরনের বিক্ষোভ চলছে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে । বিক্ষোভকারীরা নিরাপত্তা ব্যারিকেড ভেঙে হাইকমিশনের ভেতরে ঢোকার চেষ্টা করেছে বলে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে নিরাপত্তাবাহিনী সক্রিয় রয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতন’ এবং ময়মনসিংহে দিপু চন্দ্র দাস নামে এক হিন্দু যুবককে পিটিয়ে হত্যার প্রতিবাদে এই বিক্ষোভ শুরু হয়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং বিক্ষোভকারীরা ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা চালায়।

আরও পড়ুন  রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হলো আপ বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কমিটির প্রথম সাধারণ সভা

হিন্দুত্ববাদী সংগঠন বিশ্ব হিন্দু পরিষদ (ভিএইচপি) ও বজরং দলের ডাকে এই কর্মসূচি পালিত হচ্ছে। এ কারণে বাংলাদেশ হাইকমিশনের সামনে তিন স্তরের নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়েছে। সেখানে পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনীর সদস্য মোতায়েন রয়েছে। বিক্ষোভকারীদের ব্যানার ও প্ল্যাকার্ড হাতে স্লোগান দিতে দেখা গেছে।

এর আগে, গত ২০ ডিসেম্বর রাতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের গেটের সামনে একটি বিক্ষোভের ঘটনা ঘটে। এ বিষয়ে ঢাকায় নিযুক্ত বাংলাদেশের প্রেস মিনিস্টার মো. ফয়সাল মাহমুদ জানান, ওই রাতে তিনটি গাড়িতে করে কিছু লোক এসে হাইকমিশনের গেটের সামনে চিৎকার করে স্লোগান দেয় এবং কিছুক্ষণ পর সেখান থেকে চলে যায়।

এ ঘটনার পর ভারত সরকার জানায়, বাংলাদেশি গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবর ‘বিভ্রান্তিকর’। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল দাবি করেন, সেদিন মাত্র ২০–২৫ জন বিক্ষোভকারী হাইকমিশনের সামনে জড়ো হয়েছিল এবং তারা কোনো নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি করেনি।

তবে ভারতের এই বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করেছে বাংলাদেশ। ঢাকার পক্ষ থেকে কূটনৈতিকভাবে সুরক্ষিত এলাকায় কীভাবে বিক্ষোভকারীরা প্রবেশ করল, তা নিয়ে গুরুতর নিরাপত্তা ঘাটতির প্রশ্ন তোলা হয়েছে।

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন বলেন, নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ মিশন একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল ও সুরক্ষিত কূটনৈতিক এলাকায় অবস্থিত। অনুমতি ছাড়া সেখানে এ ধরনের বিক্ষোভের ঘটনা স্বাভাবিক নয়। তিনি প্রশ্ন তোলেন, কীভাবে উগ্র সংগঠনের সদস্যদের একটি দল সেখানে প্রবেশ করতে সক্ষম হলো।